পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা সমাধান - বোম্বাগড়ের রাজা
WBBSE-র 'পাতাবাহার' বইয়ের "বোম্বাগড়ের রাজা" কবিতার সম্পূর্ণ সমাধান।
Advertisement
কবিতা: বোম্বাগড়ের রাজা
কবির নাম: সুকুমার রায় (১৮৮৭-১৯২৩)
কবি সম্পর্কে আলোচনা
সুকুমার রায় ছিলেন একজন বাঙালি শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে "ননসেন্স রাইমের" প্রবর্তক। তাঁর পিতা উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীও একজন বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ছিলেন। সুকুমার রায়ের প্রধান সৃষ্টি 'আবোল তাবোল', 'হযবরল', 'পাগলা দাশু' ইত্যাদি। চিত্রশিল্পী, ফটোগ্রাফার, সরস ও কৌতুককর কাহিনীর এক নতুন জগত তিনি তৈরি করেন। তাঁর রচিত 'আবোল তাবোল' থেকে 'বোম্বাগড়ের রাজা' কবিতাটি নেওয়া হয়েছে।
কবিতার বিষয়বস্তু
এই কবিতাটি একটি কাল্পনিক রাজ্য 'বোম্বাগড়'-এর বর্ণনা দেয়, যেখানে সবকিছুই অদ্ভুত এবং উল্টোপাল্টা। রাজা থেকে শুরু করে রাজ্যের সাধারণ মানুষ, সকলের কাজকর্মই হাস্যকর এবং যুক্তিহীন। কবি এই অদ্ভুত রাজ্যের বর্ণনা দিয়ে পাঠকদের এক নির্মল হাসির জগতে নিয়ে গিয়েছেন।
অনুশীলনী প্রশ্ন ও উত্তর
শব্দার্থ:
ফ্রেম: ছবি বাঁধানোর কাঠামো।
সদাই: সবসময়ই।
অহরহ: সারা দিন রাত।
ওস্তাদ: দক্ষ ব্যক্তি।
ট্যাঁক ঘড়ি: কোমরের কাপড়ে গোঁজা ঘড়ি।
শিরীষ কাগজ: এক ধরণের খসখসে কাগজ যা কাঠ বা লোহা ঘষে মসৃণ করার কাজে লাগে।
১. ‘বোম্বাগড়ের রাজা’ কবিতাটি পড়ে সেখানকার মানুষ ও নিয়মকানুন তোমার কেমন লাগল, তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: ‘বোম্বাগড়ের রাজা’ কবিতাটি পড়ে আমার খুব মজা লেগেছে। সেখানকার মানুষ ও নিয়মকানুন খুবই অদ্ভুত এবং হাস্যকর। ছবিতে আমসত্ত্ব ভাজা বাঁধিয়ে রাখা, রানির মাথায় বালিশ বাঁধা, পাউরুটিতে পেরেক ঠোকা—এইসব শুনে হাসি চেপে রাখা দায়। মনে হয় যেন সবকিছুই উল্টো-পাল্টা। এই অদ্ভুত নিয়মকানুনের কথা পড়ে আমার বোম্বাগড় রাজ্যটি ভ্রমণ করার ইচ্ছা জাগে।
২. বোম্বাগড়ে যাওয়ার পরে, রাজার সঙ্গে যদি তোমার বন্ধুত্ব হয়ে যায়... তবে তুমি কী কী করবে?
উত্তর: (এটি একটি কল্পনাভিত্তিক প্রশ্ন, ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের মতো করে উত্তর দেবে।)
বোম্বাগড়ের রাজার সঙ্গে বন্ধুত্ব হলে আমি প্রথমে কুমড়ো দিয়ে ক্রিকেট খেলার নিয়মটা বদলে দেব। তার বদলে বল দিয়ে খেলার নিয়ম চালু করব। এছাড়াও আমি নিয়ম করব যে, রানির দাদা পাউরুটিতে পেরেক না ঠুকে জ্যাম-জেলি লাগাবে। আর রাজার জন্য শিরীষ কাগজের বিছানার বদলে নরম তুলোর বিছানার ব্যবস্থা করব।
৩. ‘বোম্বাগড়ের রাজা’ কবিতার সঙ্গে সুকুমার রায়ের লেখা ‘একুশে আইন’ কবিতাটির খুব ভাবগত মিল রয়েছে। ... এমন আরো কবিতা সংগ্রহ করো, যেখানে অদ্ভুত সব নিয়মের কথা রয়েছে।
উত্তর: এই গল্পটি শিক্ষার্থীদের নিজেদের করার জন্য। তোমরা সুকুমার রায়ের 'আবোল তাবোল' বইটি থেকে 'একুশে আইন', 'নন্দলালের মন্দ কথা' বা 'বাবুরাম সাপুড়ে'-র মতো মজাদার কবিতাগুলো পড়তে পারো।
৪. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর লেখো:
৪.১ সুকুমার রায়ের বাবার নাম কী?
উত্তর: সুকুমার রায়ের বাবার নাম উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী।
৪.২ ‘আবোল তাবোল’ কবিতার বইটি কার লেখা?
উত্তর: ‘আবোল তাবোল’ কবিতার বইটি সুকুমার রায়ের লেখা।
৪.৩ তাঁর লেখা অন্য দুটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: তাঁর লেখা অন্য দুটি বইয়ের নাম হলো 'হযবরল' এবং 'পাগলা দাশু'।
৫. কবিতা থেকে নেওয়া অদ্ভুত ঘটনাগুলির তালিকা ও তার কারণ (কাল্পনিক):
ঘটনা: ছবির ফ্রেমে আমসত্ত্ব ভাজা বাঁধিয়ে রাখা হয়।
কাল্পনিক কারণ: হয়তো বোম্বাগড়ের লোকেরা আমসত্ত্ব খেতে নয়, দেখতেই বেশি
ভালোবাসে।
ঘটনা: রানি মাথায় অষ্টপ্রহর বালিশ বেঁধে রাখেন।
কাল্পনিক কারণ: হয়তো যখন-তখন ঘুম পেলে যাতে শুয়ে পড়তে পারেন, তাই এই
ব্যবস্থা।
ঘটনা: রাজার পিসি কুমড়ো নিয়ে ক্রিকেট খেলে।
কাল্পনিক কারণ: হয়তো বোম্বাগড়ে ক্রিকেট বল পাওয়া যায় না, তাই কুমড়ো
দিয়েই কাজ চালাতে হয়।
ঘটনা: মন্ত্রী রাজার কোলে বসে কলসি বাজায়।
কাল্পনিক কারণ: হয়তো রাজার গান শুনতে খুব ভালো লাগে এবং রাজ্যে অন্য
কোনো বাদ্যযন্ত্র নেই।
Advertisement
Class V Math Solutions
Class V English Solutions
Class V Poribesh O Bigyan Solutions
Madhyamik Bengali Solutions
Prosno Bichitra Solutions
Free Mock Test