গদ্যাংশের পরিচিতি ও সারমর্ম
লেখক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সারসংক্ষেপ:
'ছেলেবেলা' নামক এই গদ্যাংশটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'ছেলেবেলা' থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে ছোট্ট রবির শৈশবের ছুটির দিনগুলোর মধুর স্মৃতি ফুটে উঠেছে। তাঁর জীবনের প্রধান ছুটির দেশ ছিল বাড়ির বাইরের খোলা ছাদ। দুপুরবেলায় সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ত, তখন তিনি লুকিয়ে ছাদে উঠতেন। ছাদের গরম হাওয়া, ধুলো ওড়া এবং নিস্তব্ধ পরিবেশ তাঁর মনে এক অদ্ভুত অনুভূতির সৃষ্টি করত।
তেতালার ঘরে তাঁর পিতার কলঘরটি ছিল তাঁর কাছে মরুভূমির ওয়েসিস বা মরূদ্যানের মতো। সেখানে লুকিয়ে স্নান করে তিনি আনন্দ পেতেন। বিকেল চারটে বাজলে যখন দেউড়ির ঘণ্টা বেজে উঠত এবং ছাদের রোদ্দুর ম্লান হয়ে আসত, তখন তাঁর মন খারাপ হয়ে যেত কারণ ছুটির দিনের আনন্দ ফুরিয়ে আসার সময় হয়ে যেত।
তেতালার ঘরে তাঁর পিতার কলঘরটি ছিল তাঁর কাছে মরুভূমির ওয়েসিস বা মরূদ্যানের মতো। সেখানে লুকিয়ে স্নান করে তিনি আনন্দ পেতেন। বিকেল চারটে বাজলে যখন দেউড়ির ঘণ্টা বেজে উঠত এবং ছাদের রোদ্দুর ম্লান হয়ে আসত, তখন তাঁর মন খারাপ হয়ে যেত কারণ ছুটির দিনের আনন্দ ফুরিয়ে আসার সময় হয়ে যেত।
শব্দার্থ (Word Meanings)
| শব্দ | অর্থ |
|---|---|
| চিলেকোঠা | ছাদের উপরে সিঁড়ির ঘর |
| পিলপেগাড়ি | হাতিতে টানা গাড়ি |
| ঝাঁকড়া | উশকো-খুশকো |
| বিবাগি | সংসারত্যাগী / উদাসীন |
| খড়খড়ি | জানলা-দরজার কাঠের আবরণ |
| জুড়িগাড়ি | দুই ঘোড়ায় টানা গাড়ি |
| সহিস | ঘোড়ার দেখাশোনা করে যে |
| চৌকিদার | প্রহরী বা পাহারাদার |
| গা মোড়া | আড়মোড়া ভাঙা |
| বেলোয়ারি | কাচের তৈরি জিনিস |
| কেতাব | বই বা গ্রন্থ |
| মরুভূমি | জলহীন, বৃক্ষহীন বালুময় দেশ |
| ওয়েসিস | মরূদ্যান |
| দেউড়ি | সদর দরজা |
হাতে কলমে - প্রশ্ন ও উত্তর (Textbook Exercises)
১. ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে বাক্যটি আবার লেখো:
১.১ 'চিলেকোঠা' হল (কাঠের ঘর/তেতালার ঘর/ছাদের উপরে সিঁড়ির ঘর/বসবার ঘর)।
উত্তর: 'চিলেকোঠা' হল ছাদের উপরে সিঁড়ির ঘর।
১.২ ভারতবর্ষের বিখ্যাত মরুভূমিটি হল (গোবি/সাহারা/থর)।
উত্তর: ভারতবর্ষের বিখ্যাত মরুভূমিটি হল থর।
১.৩ লিভিংস্টন ছিলেন (ইতালি/জার্মানি/ইংল্যান্ড/স্কটল্যান্ড) দেশের মানুষ।
উত্তর: লিভিংস্টন ছিলেন স্কটল্যান্ড দেশের মানুষ।
১.৪ জুড়িগাড়ি হল (ঘোড়ায় টানা/হাতিতে টানা/যন্ত্রচালিত/গরুতে টানা) গাড়ি।
উত্তর: জুড়িগাড়ি হল ঘোড়ায় টানা গাড়ি।
উত্তর: 'চিলেকোঠা' হল ছাদের উপরে সিঁড়ির ঘর।
১.২ ভারতবর্ষের বিখ্যাত মরুভূমিটি হল (গোবি/সাহারা/থর)।
উত্তর: ভারতবর্ষের বিখ্যাত মরুভূমিটি হল থর।
১.৩ লিভিংস্টন ছিলেন (ইতালি/জার্মানি/ইংল্যান্ড/স্কটল্যান্ড) দেশের মানুষ।
উত্তর: লিভিংস্টন ছিলেন স্কটল্যান্ড দেশের মানুষ।
১.৪ জুড়িগাড়ি হল (ঘোড়ায় টানা/হাতিতে টানা/যন্ত্রচালিত/গরুতে টানা) গাড়ি।
উত্তর: জুড়িগাড়ি হল ঘোড়ায় টানা গাড়ি।
২. 'ক' স্তম্ভের সঙ্গে 'খ' স্তম্ভ মিলিয়ে লেখো:
| ক | খ (উত্তর) |
|---|---|
| কেতাব | বই |
| মরুভূমি | শুষ্ক জলহীন স্থান |
| ওয়েসিস | মরূদ্যান |
| সহিস | ঘোড়াকে দেখাশোনা করার লোক |
| চৌকিদার | পাহারাদার |
৩. কোনটি বেমানান খুঁজে নিয়ে লেখো:
৩.১ পুকুরের পাতিহাঁস, ঘাটে লোকজনের আনাগোনা, অর্ধেক পুকুর জোড়া বট গাছের ছায়া, জুড়িগাড়ির সহিস।
উত্তর: জুড়িগাড়ির সহিস। (বাকিগুলি পুকুরের দৃশ্যের সঙ্গে যুক্ত)।
৩.২ তেতালা ঘর, সাত সমুদ্দুর, সেকেন্ড ক্লাস, পিলপেগাড়ি।
উত্তর: সাত সমুদ্দুর। (বাকিগুলি বাস্তব জগতের জিনিস, সাত সমুদ্দুর একটি কাল্পনিক বিষয়)।
৩.৩ চুড়িওয়ালা, ফেরিওয়ালা, সহিস, বালক সন্ন্যাসী।
উত্তর: বালক সন্ন্যাসী। (বাকিগুলি পেশা)।
৩.৪ পিলপেগাড়ি, জুড়িগাড়ি, রিকশ, গাড়িবারান্দা।
উত্তর: গাড়িবারান্দা। (বাকিগুলি যানবাহনের নাম)।
৩.৫ চিল, রোদ্দুর, দুপুর, লোকবসতি।
উত্তর: লোকবসতি। (বাকিগুলি নির্জন দুপুরের প্রাকৃতিক পরিবেশ বোঝায়)।
উত্তর: জুড়িগাড়ির সহিস। (বাকিগুলি পুকুরের দৃশ্যের সঙ্গে যুক্ত)।
৩.২ তেতালা ঘর, সাত সমুদ্দুর, সেকেন্ড ক্লাস, পিলপেগাড়ি।
উত্তর: সাত সমুদ্দুর। (বাকিগুলি বাস্তব জগতের জিনিস, সাত সমুদ্দুর একটি কাল্পনিক বিষয়)।
৩.৩ চুড়িওয়ালা, ফেরিওয়ালা, সহিস, বালক সন্ন্যাসী।
উত্তর: বালক সন্ন্যাসী। (বাকিগুলি পেশা)।
৩.৪ পিলপেগাড়ি, জুড়িগাড়ি, রিকশ, গাড়িবারান্দা।
উত্তর: গাড়িবারান্দা। (বাকিগুলি যানবাহনের নাম)।
৩.৫ চিল, রোদ্দুর, দুপুর, লোকবসতি।
উত্তর: লোকবসতি। (বাকিগুলি নির্জন দুপুরের প্রাকৃতিক পরিবেশ বোঝায়)।
৪. তোমার পাঠ্যাংশে রয়েছে এমন পাঁচটি ইংরেজি শব্দ খুঁজে নিয়ে লেখো।
উত্তর: সোফা, ক্লাস, রিকশ, ওয়েসিস, লিভিংস্টন।
৫. 'চুড়িওয়ালা' (চুড়ি+ওয়ালা), 'ফেরিওয়ালা' (ফেরি+ওয়ালা) এরকম শব্দের শেষে 'ওয়ালা' যোগ করে পাঁচটি নতুন শব্দ তৈরি করো।
উত্তর: দুধওয়ালা, খবরেরকাগজওয়ালা, রিকশাওয়ালা, মুদিওয়ালা, ফলওয়ালা।
৬. শূন্যস্থান পূরণ করো:
৬.১ রাঙা হয়ে আসত রোদ্দুর, চিল ডেকে যেত আকাশে।
৬.২ আমার জীবনে বাইরের খোলা ছাদ ছিল প্রধান ছুটির দেশ。
৬.৩ আমি তাকে যেন বাংলাদেশের শিশু লিভিংস্টন এইমাত্র খুঁজে বের করল。
৬.৪ এই ছাদের মরুভূমিতে তখন একটা ওয়েসিস দেখা দিয়েছিল。
৬.৫ নীচের দেউড়ির ঘণ্টায় বাজল চারটে।
৬.২ আমার জীবনে বাইরের খোলা ছাদ ছিল প্রধান ছুটির দেশ。
৬.৩ আমি তাকে যেন বাংলাদেশের শিশু লিভিংস্টন এইমাত্র খুঁজে বের করল。
৬.৪ এই ছাদের মরুভূমিতে তখন একটা ওয়েসিস দেখা দিয়েছিল。
৬.৫ নীচের দেউড়ির ঘণ্টায় বাজল চারটে।
৭. বিশেষ্য ও বিশেষণ আলাদা করে লেখো:
বিশেষ্য
চুড়ি
মাদুর
গড়ন
পুকুর
লোকজন
মাদুর
গড়ন
পুকুর
লোকজন
বেলোয়ারি, চুড়ি, মাদুর, ঝাঁকড়া,
বিবাগি, গড়ন, দামি, নীল,
গরম, ঘোলা, পুকুর, লোকজন।
বিবাগি, গড়ন, দামি, নীল,
গরম, ঘোলা, পুকুর, লোকজন।
বিশেষণ
বেলোয়ারি
ঝাঁকড়া
বিবাগি
দামি
নীল
গরম
ঘোলা
ঝাঁকড়া
বিবাগি
দামি
নীল
গরম
ঘোলা
৮. ক্রিয়ার নীচে দাগ দাও:
৮.১ হঠাৎ তাদের হাঁক পৌঁছত।
৮.২ সেইখানে অত্যন্ত একলা হয়ে বস্তুম।
৮.৩ হাত গলিয়ে ঘরের ছিটকিনি দিতুম খুলে।
৮.৪ ধারাজল পড়ত সকল গায়ে।
৮.৫ পুকুর থেকে পাতিহাঁসগুলো উঠে গিয়েছে।
৮.২ সেইখানে অত্যন্ত একলা হয়ে বস্তুম।
৮.৩ হাত গলিয়ে ঘরের ছিটকিনি দিতুম খুলে।
৮.৪ ধারাজল পড়ত সকল গায়ে।
৮.৫ পুকুর থেকে পাতিহাঁসগুলো উঠে গিয়েছে।
৯. বাক্য রচনা করো:
প্রধান: আমাদের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকমশাই খুব ভালো মানুষ।
দেশ: ভারত আমাদের মাতৃভূমি, এই দেশ খুব সুন্দর।
বালিশ: রাতে ঘুমানোর সময় আমি মাথায় নরম বালিশ নিই।
মরুভূমি: রাজস্থানের থর মরুভূমিতে উটের পিঠে চড়ে যাতায়াত করতে হয়।
ধুলো: ঝড়ের সময় চারদিকে ধুলো উড়তে থাকে।
দেশ: ভারত আমাদের মাতৃভূমি, এই দেশ খুব সুন্দর।
বালিশ: রাতে ঘুমানোর সময় আমি মাথায় নরম বালিশ নিই।
মরুভূমি: রাজস্থানের থর মরুভূমিতে উটের পিঠে চড়ে যাতায়াত করতে হয়।
ধুলো: ঝড়ের সময় চারদিকে ধুলো উড়তে থাকে।
১০. 'গ্রহণ' শব্দটিকে দুটি আলাদা অর্থে ব্যবহার করে পৃথক বাক্য রচনা করো।
গ্রহণ (নেওয়া / স্বীকার করা): রামবাবু সানন্দে আমার উপহারটি গ্রহণ করলেন।
গ্রহণ (সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণ): আজ আকাশে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।
গ্রহণ (সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণ): আজ আকাশে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।
১১. বিপরীতার্থক শব্দ লেখো:
আড়াল ➔ সামনে / প্রকাশ্য
চুপ ➔ সরব / শব্দ
আনন্দ ➔ দুঃখ / নিরানন্দ
গলি ➔ রাজপথ
ফিকে ➔ গাঢ়
চুপ ➔ সরব / শব্দ
আনন্দ ➔ দুঃখ / নিরানন্দ
গলি ➔ রাজপথ
ফিকে ➔ গাঢ়
১২. অর্থ লেখো:
মূর্তি: প্রতিমা বা ভাস্কর্য।
পিলপেগাড়ি: হাতির পিঠে টানা গাড়ি।
বিবাগি: সংসারত্যাগী বা উদাসীন।
নাগাল: হাতের মুঠোয় বা আয়ত্তে।
দেউড়ি: সদর দরজা।
পিলপেগাড়ি: হাতির পিঠে টানা গাড়ি।
বিবাগি: সংসারত্যাগী বা উদাসীন।
নাগাল: হাতের মুঠোয় বা আয়ত্তে।
দেউড়ি: সদর দরজা।
১৩. প্রতিশব্দ লেখো: পৃথিবী, পাহাড়, আকাশ, জল, গাছ।
পৃথিবী: ধরা, ধরিত্রী, বসুন্ধরা।
পাহাড়: গিরি, পর্বত, ভূধর।
আকাশ: গগন, নভঃ, আসমান।
জল: বারি, সলিল, নীর।
গাছ: বৃক্ষ, তরু, পাদপ।
পাহাড়: গিরি, পর্বত, ভূধর।
আকাশ: গগন, নভঃ, আসমান।
জল: বারি, সলিল, নীর।
গাছ: বৃক্ষ, তরু, পাদপ।
১৪. দুটি বাক্যে ভেঙে লেখো:
১৪.১ আমার পিতা যখন বাড়ি থাকতেন তাঁর জায়গা ছিল তেতালার ঘরে।
উত্তর: আমার পিতা মাঝে মাঝে বাড়ি থাকতেন। তখন তাঁর জায়গা ছিল তেতালার ঘরে।
১৪.২ আমি লুকিয়ে ছাদে উঠতুম প্রায়ই দুপুর বেলায়।
উত্তর: আমি ছাদে উঠতুম। প্রায়ই দুপুর বেলায় আমি লুকিয়ে উঠতুম।
১৪.৩ হঠাৎ তাদের হাঁক পৌঁছত, যেখানে বালিশের উপর খোলাচুল এলিয়ে দিয়ে শুয়ে থাকত বাড়ির বউ।
উত্তর: বাড়ির বউ বালিশের উপর খোলাচুল এলিয়ে দিয়ে শুয়ে থাকত। সেখানে হঠাৎ তাদের হাঁক পৌঁছত।
১৪.৪ বিছানার একখানা চাদর নিয়ে গা মুছে সহজ মানুষ হয়ে বস্তুম।
উত্তর: বিছানার একখানা চাদর নিতাম। তাই দিয়ে গা মুছে সহজ মানুষ হয়ে বস্তুম।
১৪.৫ গরম বাতাস হু হু করে ছুটে যাচ্ছে ধুলো উড়িয়ে।
উত্তর: গরম বাতাস হু হু করে ছুটে যাচ্ছে। বাতাস ধুলো উড়াচ্ছে।
উত্তর: আমার পিতা মাঝে মাঝে বাড়ি থাকতেন। তখন তাঁর জায়গা ছিল তেতালার ঘরে।
১৪.২ আমি লুকিয়ে ছাদে উঠতুম প্রায়ই দুপুর বেলায়।
উত্তর: আমি ছাদে উঠতুম। প্রায়ই দুপুর বেলায় আমি লুকিয়ে উঠতুম।
১৪.৩ হঠাৎ তাদের হাঁক পৌঁছত, যেখানে বালিশের উপর খোলাচুল এলিয়ে দিয়ে শুয়ে থাকত বাড়ির বউ।
উত্তর: বাড়ির বউ বালিশের উপর খোলাচুল এলিয়ে দিয়ে শুয়ে থাকত। সেখানে হঠাৎ তাদের হাঁক পৌঁছত।
১৪.৪ বিছানার একখানা চাদর নিয়ে গা মুছে সহজ মানুষ হয়ে বস্তুম।
উত্তর: বিছানার একখানা চাদর নিতাম। তাই দিয়ে গা মুছে সহজ মানুষ হয়ে বস্তুম।
১৪.৫ গরম বাতাস হু হু করে ছুটে যাচ্ছে ধুলো উড়িয়ে।
উত্তর: গরম বাতাস হু হু করে ছুটে যাচ্ছে। বাতাস ধুলো উড়াচ্ছে।
১৫. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কিত প্রশ্ন:
১৫.১ কলকাতায় রবীন্দ্রনাথের বাড়িটি কী নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত?
উত্তর: কলকাতায় রবীন্দ্রনাথের বাড়িটি জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
১৫.২ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছোটোদের জন্য লিখেছেন এমন দুটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: ছোটোদের জন্য তাঁর লেখা দুটি বিখ্যাত বইয়ের নাম হলো 'শিশু' এবং 'সহজপাঠ'।
১৫.৩ ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত কোন দুটি পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখতেন?
উত্তর: ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত 'ভারতী' ও 'বালক' পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখতেন।
উত্তর: কলকাতায় রবীন্দ্রনাথের বাড়িটি জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
১৫.২ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছোটোদের জন্য লিখেছেন এমন দুটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: ছোটোদের জন্য তাঁর লেখা দুটি বিখ্যাত বইয়ের নাম হলো 'শিশু' এবং 'সহজপাঠ'।
১৫.৩ ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত কোন দুটি পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখতেন?
উত্তর: ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত 'ভারতী' ও 'বালক' পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখতেন।
১৬. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:
১৬.১ বালক রবীন্দ্রনাথের প্রধান ছুটির দেশ কী ছিল?
উত্তর: বালক রবীন্দ্রনাথের জীবনে প্রধান ছুটির দেশ ছিল বাড়ির বাইরের খোলা ছাদ।
১৬.২ তাঁর বাড়ির নীচতলায় বারান্দায় বসে রেলিঙের ফাঁক দিয়ে কী কী দেখা যেত?
উত্তর: তাঁর বাড়ির নীচতলায় বারান্দায় বসে রেলিঙের ফাঁক দিয়ে রাস্তার লোক-চলাচল দেখা যেত।
১৬.৩ পাঠ্যাংশে 'ওয়েসিস' এর প্রসঙ্গ কীভাবে রয়েছে?
উত্তর: দুপুরবেলায় মরুভূমির মতো তপ্ত গরম ছাদে ঘুরতে ঘুরতে ছোট্ট রবি যখন তেতালার ঘরে জলের নাগাল পেতেন, তখন সেই লুকিয়ে স্নান করার ঘরকে তিনি মরুভূমির ওয়েসিস বা মরূদ্যানের সাথে তুলনা করেছেন।
১৬.৪ পাঠ্যাংশে রবীন্দ্রনাথের পিতার সম্পর্কে কী জানতে পারো?
উত্তর: পাঠ্যাংশ থেকে জানা যায় যে, রবীন্দ্রনাথের পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন বাড়ি থাকতেন, তখন তাঁর জায়গা ছিল তেতালার ঘরে। তিনি সূর্য ওঠার আগেই ছাদে গিয়ে সাদা পাথরের মূর্তির মতো চুপ করে বসে প্রার্থনা করতেন। মাঝে মাঝে তিনি অনেকদিনের জন্য পাহাড়ে-পর্বতেও চলে যেতেন।
১৬.৫ পিতার কলঘরের প্রতি ছোট্ট রবির আকর্ষণের কথা কীভাবে জানা গেল?
উত্তর: দুপুরের খাঁ খাঁ গরমে ছোট্ট রবি যখন লুকিয়ে ছাদে যেতেন, তখন কলঘরের জলের নাগাল পাওয়া ছিল তার কাছে মরুভূমিতে ওয়েসিস পাওয়ার মতো আনন্দের। লুকিয়ে সেখানে স্নান করাকে তিনি ডেভিড লিভিংস্টনের অজানা দেশ আবিষ্কারের সঙ্গে তুলনা করেছেন, যা কলঘরের প্রতি তাঁর অসীম আকর্ষণের কথাই প্রমাণ করে।
১৬.৬ ছুটি শেষের দিকে এসে পৌঁছলে রবির মনের ভাব কেমন হতো?
উত্তর: নীচের দেউড়ির ঘণ্টায় চারটে বাজলে এবং আকাশটার মুখ বিগড়ে এলে অর্থাৎ রোদ্দুর ম্লান হয়ে এলে রবির মন খারাপ হতো, কারণ তখন ছাদে কাটানো তাঁর ছুটির আনন্দ শেষ হয়ে আসত।
১৬.৭ পাঠ্যাংশে কাকে, কেন বাংলাদেশের 'শিশু লিভিংস্টন' বলা হয়েছে?
উত্তর: পাঠ্যাংশে বালক রবীন্দ্রনাথ নিজেকে 'শিশু লিভিংস্টন' বলেছেন।
ডেভিড লিভিংস্টন যেমন আফ্রিকার অজানা দুর্গম অঞ্চল আবিষ্কার করেছিলেন, ছোট্ট রবিও তেমনি দুপুরবেলায় লুকিয়ে ছাদে গিয়ে বাবার কলঘরটিকে আবিষ্কার করেছিলেন। তাই তিনি নিজেকে শিশু লিভিংস্টন বলেছেন।
১৬.৮ তুমি যখন আরও ছোটো ছিলে তখন তোমার দিন কীভাবে কাটত, তোমার চারপাশের প্রকৃতি কেমন ছিল তা লেখো।
উত্তর: (ছাত্রছাত্রীরা নিজের মতো করে লিখতে পারে। উদাহরণস্বরূপ:) আমি যখন আরও ছোটো ছিলাম, তখন সারাদিন মাঠে বন্ধুদের সাথে খেলা করে দিন কাটত। আমাদের বাড়ির চারপাশে অনেক গাছপালা ছিল, সকালে পাখির ডাকে ঘুম ভাঙত। দুপুরবেলায় ঠাকুমার কাছে বসে আমি রূপকথার গল্প শুনতাম আর বিকেলে নদীর ধারে ঘুরতে যেতাম। সেই দিনগুলো খুব মধুর ছিল।
উত্তর: বালক রবীন্দ্রনাথের জীবনে প্রধান ছুটির দেশ ছিল বাড়ির বাইরের খোলা ছাদ।
১৬.২ তাঁর বাড়ির নীচতলায় বারান্দায় বসে রেলিঙের ফাঁক দিয়ে কী কী দেখা যেত?
উত্তর: তাঁর বাড়ির নীচতলায় বারান্দায় বসে রেলিঙের ফাঁক দিয়ে রাস্তার লোক-চলাচল দেখা যেত।
১৬.৩ পাঠ্যাংশে 'ওয়েসিস' এর প্রসঙ্গ কীভাবে রয়েছে?
উত্তর: দুপুরবেলায় মরুভূমির মতো তপ্ত গরম ছাদে ঘুরতে ঘুরতে ছোট্ট রবি যখন তেতালার ঘরে জলের নাগাল পেতেন, তখন সেই লুকিয়ে স্নান করার ঘরকে তিনি মরুভূমির ওয়েসিস বা মরূদ্যানের সাথে তুলনা করেছেন।
১৬.৪ পাঠ্যাংশে রবীন্দ্রনাথের পিতার সম্পর্কে কী জানতে পারো?
উত্তর: পাঠ্যাংশ থেকে জানা যায় যে, রবীন্দ্রনাথের পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন বাড়ি থাকতেন, তখন তাঁর জায়গা ছিল তেতালার ঘরে। তিনি সূর্য ওঠার আগেই ছাদে গিয়ে সাদা পাথরের মূর্তির মতো চুপ করে বসে প্রার্থনা করতেন। মাঝে মাঝে তিনি অনেকদিনের জন্য পাহাড়ে-পর্বতেও চলে যেতেন।
১৬.৫ পিতার কলঘরের প্রতি ছোট্ট রবির আকর্ষণের কথা কীভাবে জানা গেল?
উত্তর: দুপুরের খাঁ খাঁ গরমে ছোট্ট রবি যখন লুকিয়ে ছাদে যেতেন, তখন কলঘরের জলের নাগাল পাওয়া ছিল তার কাছে মরুভূমিতে ওয়েসিস পাওয়ার মতো আনন্দের। লুকিয়ে সেখানে স্নান করাকে তিনি ডেভিড লিভিংস্টনের অজানা দেশ আবিষ্কারের সঙ্গে তুলনা করেছেন, যা কলঘরের প্রতি তাঁর অসীম আকর্ষণের কথাই প্রমাণ করে।
১৬.৬ ছুটি শেষের দিকে এসে পৌঁছলে রবির মনের ভাব কেমন হতো?
উত্তর: নীচের দেউড়ির ঘণ্টায় চারটে বাজলে এবং আকাশটার মুখ বিগড়ে এলে অর্থাৎ রোদ্দুর ম্লান হয়ে এলে রবির মন খারাপ হতো, কারণ তখন ছাদে কাটানো তাঁর ছুটির আনন্দ শেষ হয়ে আসত।
১৬.৭ পাঠ্যাংশে কাকে, কেন বাংলাদেশের 'শিশু লিভিংস্টন' বলা হয়েছে?
উত্তর: পাঠ্যাংশে বালক রবীন্দ্রনাথ নিজেকে 'শিশু লিভিংস্টন' বলেছেন।
ডেভিড লিভিংস্টন যেমন আফ্রিকার অজানা দুর্গম অঞ্চল আবিষ্কার করেছিলেন, ছোট্ট রবিও তেমনি দুপুরবেলায় লুকিয়ে ছাদে গিয়ে বাবার কলঘরটিকে আবিষ্কার করেছিলেন। তাই তিনি নিজেকে শিশু লিভিংস্টন বলেছেন।
১৬.৮ তুমি যখন আরও ছোটো ছিলে তখন তোমার দিন কীভাবে কাটত, তোমার চারপাশের প্রকৃতি কেমন ছিল তা লেখো।
উত্তর: (ছাত্রছাত্রীরা নিজের মতো করে লিখতে পারে। উদাহরণস্বরূপ:) আমি যখন আরও ছোটো ছিলাম, তখন সারাদিন মাঠে বন্ধুদের সাথে খেলা করে দিন কাটত। আমাদের বাড়ির চারপাশে অনেক গাছপালা ছিল, সকালে পাখির ডাকে ঘুম ভাঙত। দুপুরবেলায় ঠাকুমার কাছে বসে আমি রূপকথার গল্প শুনতাম আর বিকেলে নদীর ধারে ঘুরতে যেতাম। সেই দিনগুলো খুব মধুর ছিল।