অধ্যায় ৮: পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য (Environment and Public Health)
অধ্যায়ের সারসংক্ষেপ
এই অধ্যায়ে পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান কীভাবে মানুষের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে, তা আলোচনা করা হয়েছে। পরিবেশগত কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন রোগ, যেমন—পারদ দূষণে মিনামাটা, আর্সেনিক ও ফ্লูরাইড দূষণের প্রভাব এবং বিভিন্ন পেশাগত রোগের (যেমন—খনি শ্রমিকদের ফুসফুসের রোগ) কারণ ও লক্ষণ নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বলতে শুধু শারীরিক সুস্থতা নয়, মানসিক ও সামাজিক সুস্থতাকেও বোঝায়। মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব এবং বিভিন্ন মানসিক সমস্যা যেমন—অটিজম, ডিসলেক্সিয়া, অবসাদ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অধ্যায়ের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে সংক্রামক রোগ, তাদের বিস্তারের মাধ্যম (বায়ু, জল, খাদ্য, বাহক) এবং প্রতিকারের উপায়। ম্যালেরিয়া, কলেরা, ডেঙ্গু, প্লেগের মতো রোগগুলির ইতিহাস, জীবাণু, বাহক এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। সবশেষে, খাদ্যবাহিত রোগ, খাদ্যে ভেজাল এবং অ্যালার্জির মতো জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়গুলিও আলোচিত হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন (MCQ)
মিনামাটা রোগ হয় কোন ধাতুর দূষণের ফলে?
উত্তর: (খ) পারদ
পানীয় জলে আর্সেনিকের আধিক্যের ফলে কোন রোগ হয়?
উত্তর: (খ) ব্ল্যাকফুট ডিজিজ
ফ্লูরাইড দূষণের ফলে প্রধানত ক্ষতিগ্রস্ত হয়—
উত্তর: (গ) দাঁত ও হাড়
নিচের কোনটি বায়ুবাহিত রোগ?
উত্তর: (গ) যক্ষ্মা
কলেরা রোগের জীবাণু ছড়ায় প্রধানত—
উত্তর: (খ) জলের মাধ্যমে
ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু বহন করে কোন মশা?
উত্তর: (গ) স্ত্রী অ্যানোফিলিস
ডেঙ্গু রোগের বাহক কোন মশা?
উত্তর: (ক) এডিস
প্লেগ রোগের জীবাণু ছড়ায় কোনটি?
উত্তর: (গ) ইঁদুর (ইঁদুরের উপর থাকা উকুন)
সাধারণ মাছি কোন ধরনের রোগবাহক?
উত্তর: (খ) যান্ত্রিক বাহক
পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়—
উত্তর: (খ) দুধ জীবাণুমুক্ত করতে
সরষের তেলে শিয়ালকাঁটার তেল মেশানোর ফলে কোন রোগ হয়?
উত্তর: (গ) ড্রপসি
খেসারির ডাল খেলে কোন রোগ হতে পারে?
উত্তর: (খ) ল্যাথিরিজম
অটিজম এক ধরনের—
উত্তর: (খ) মানসিক বিকাশজনিত সমস্যা
WHO-এর পুরো নাম কী?
উত্তর: (ক) World Health Organization
কোন রোগটি টিকাকরণের মাধ্যমে পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে?
উত্তর: (খ) গুটি বসন্ত (Small Pox)
সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)
জনস্বাস্থ্য কাকে বলে?
উত্তর: কোনো অঞ্চলের সমস্ত মানুষের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সুস্থতা এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য গৃহীত সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে জনস্বাস্থ্য বলে।
পেশাগত রোগ কাকে বলে?
উত্তর: কোনো নির্দিষ্ট পেশায় দীর্ঘদিন কাজ করার ফলে সেই কাজের পরিবেশ বা ব্যবহৃত পদার্থের প্রভাবে যে রোগ সৃষ্টি হয়, তাকে পেশাগত রোগ বলে। যেমন—খনি শ্রমিকদের সিলিকোসিস।
অ্যালার্জেন কী?
উত্তর: যে সমস্ত বস্তু আমাদের দেহে প্রবেশ করে অ্যালার্জি নামক অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, তাদের অ্যালার্জেন বলে। যেমন—ধুলো, ফুলের রেণু, নির্দিষ্ট কিছু খাবার ইত্যাদি।
সংক্রামক রোগ কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: যে রোগ একজন অসুস্থ ব্যক্তির থেকে কোনো মাধ্যম বা বাহকের দ্বারা সুস্থ ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়ে, তাকে সংক্রামক রোগ বলে। উদাহরণ: সাধারণ সর্দিকাশি।
বায়ুবাহিত ও জলবাহিত রোগের একটি করে উদাহরণ দাও।
উত্তর: বায়ুবাহিত রোগ: ইনফ্লুয়েঞ্জা। জলবাহিত রোগ: কলেরা।
রোগবাহক বা ভেক্টর কাকে বলে?
উত্তর: যে সকল প্রাণী (সাধারণত পতঙ্গ) কোনো রোগের জীবাণুকে এক পোষক থেকে অন্য পোষকের দেহে সংক্রামিত করে, কিন্তু নিজেরা সেই রোগে আক্রান্ত হয় না, তাদের রোগবাহক বা ভেক্টর বলে। যেমন—মশা, মাছি।
* জৈব বাহক ও যান্ত্রিক বাহকের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: যান্ত্রিক বাহক (যেমন মাছি) কেবল রোগজীবাণুকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করে। কিন্তু জৈব বাহকের (যেমন মশা) দেহে রোগজীবাণুর জীবনচক্রের কোনো দশা সম্পন্ন হয় ও বংশবৃদ্ধি ঘটে, তারপর তা সংক্রামিত হয়।
পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতির আবিষ্কর্তা কে?
উত্তর: ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর।
খাদ্যে ভেজাল বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: খাদ্যের গুণমান কমানোর জন্য বা অতিরিক্ত মুনাফার লোভে খাদ্যের সাথে কোনো সস্তা, অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিকারক পদার্থ মেশানোকে খাদ্যে ভেজাল বলে।
স্বাস্থ্য বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর মতে, স্বাস্থ্য বলতে কেবল নীরোগ অবস্থাকে বোঝায় না, বরং শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক—এই তিন দিক থেকেই সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থাকে বোঝায়।
জীবনকুশলতা শিক্ষা কী?
উত্তর: জীবনের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করার জন্য প্রয়োজনীয় মানসিক ও সামাজিক দক্ষতা অর্জনের শিক্ষাই হলো জীবনকুশলতা শিক্ষা।
দুটি মানসিক সমস্যার নাম লেখো।
উত্তর: দুটি মানসিক সমস্যা হলো মানসিক অবসাদ (Depression) এবং অটিজম (Autism)।
কলেরা রোগের জীবাণুর নাম কী?
উত্তর: ভিব্রিও কলেরি (Vibrio cholerae) নামক ব্যাকটেরিয়া।
ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুর নাম কী?
উত্তর: প্লাজমোডিয়াম (Plasmodium) নামক একপ্রকার আদ্যপ্রাণী।
খাবারে বিষক্রিয়া বা ফুড পয়জনিং কেন হয়?
উত্তর: মূলত ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক দ্বারা সংক্রামিত বা পচা-বাসি খাবার খাওয়ার ফলে খাবারে বিষক্রিয়া হয়।
রচনাধর্মী প্রশ্ন (Broad Questions)
পরিবেশের সংকট কীভাবে জনস্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে? পারদ এবং আর্সেনিক দূষণের উৎস ও মানবদেহে এদের ক্ষতিকারক প্রভাব আলোচনা করো।
উত্তর:
পরিবেশের সংকট ও জনস্বাস্থ্য অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। বায়ু, জল ও মাটি দূষিত হলে তা মানুষের স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। দূষিত জল পানের ফলে কলেরা, টাইফয়েডের মতো রোগ হয়। বায়ুদূষণের ফলে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও ফুসফুসের ক্যানসার হতে পারে।
পারদ দূষণ:
উৎস: কলকারখানার বর্জ্য, ভাঙা থার্মোমিটার, CFL বালব ইত্যাদি থেকে পারদ পরিবেশে মেশে এবং জলজ পরিবেশে মিথাইল মার্কারিতে রূপান্তরিত হয়, যা মাছের দেহে জমা হয়।
ক্ষতিকারক প্রভাব: ওই দূষিত মাছ খেলে মানুষের দেহে পারদ প্রবেশ করে এবং মিনামাটা রোগ সৃষ্টি হয়। এর ফলে স্নায়ুতন্ত্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পেশির খিঁচুনি, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অসাড়তা এবং মানসিক ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়।
আর্সেনিক দূষণ:
উৎস: পশ্চিমবঙ্গের অনেক জেলার ভূগর্ভস্থ জলে প্রাকৃতিক কারণেই আর্সেনিকের যৌগ মিশে থাকে। অগভীর নলকূপের মাধ্যমে সেই জল তুলে দীর্ঘদিন পান করলে এই দূষণ ঘটে।
ক্ষতিকারক প্রভাব: আর্সেনিক দূষণের ফলে 'ব্ল্যাকফুট ডিজিজ' হয়। এতে হাতের তালু ও পায়ের তলায় কালো ছোপ দেখা যায়, চামড়া খসখসে হয়ে যায়। পরবর্তীকালে এর থেকে ত্বক, ফুসফুস ও যকৃতের ক্যানসারও হতে পারে।* সংক্রামক রোগ কীভাবে ছড়ায়? জলবাহিত ও বায়ুবাহিত রোগ প্রতিরোধের সাধারণ উপায়গুলি কী কী?
উত্তর:
সংক্রামক রোগ ছড়ানোর উপায়:
সংক্রামক রোগ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়ায়:
১. বায়ুর মাধ্যমে: রোগীর হাঁচি, কাশির মাধ্যমে জীবাণু বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং সুস্থ ব্যক্তির শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে দেহে প্রবেশ করে (যেমন: যক্ষ্মা, ইনফ্লুয়েঞ্জা)।
২. জলের মাধ্যমে: রোগীর মলমূত্র দ্বারা দূষিত জল পান করলে বা ব্যবহার করলে জীবাণু দেহে প্রবেশ করে (যেমন: কলেরা, টাইফয়েড)।
৩. খাদ্যের মাধ্যমে: পচা, বাসি বা জীবাণুযুক্ত খাবার খেলে রোগ ছড়ায় (যেমন: ফুড পয়জনিং)।
৪. বাহকের মাধ্যমে: মশা, মাছি ইত্যাদি পতঙ্গ রোগজীবাণুকে এক ব্যক্তির দেহ থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে দেয় (যেমন: ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু)।
৫. সরাসরি সংস্পর্শে: রোগীর ব্যবহৃত জিনিসপত্র ব্যবহার করলে বা তার সংস্পর্শে এলে রোগ ছড়াতে পারে (যেমন: দাদ)।
জলবাহিত রোগ প্রতিরোধের উপায়:
১. সর্বদা বিশুদ্ধ বা অন্তত ২০ মিনিট ফোটানো জল পান করা।
২. জলের উৎস (কুয়ো, নলকূপ) ও জলাধারের চারপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।
৩. শৌচকর্মের পর এবং খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধোয়া।
৪. যেখানে-সেখানে মলত্যাগ না করা।
বায়ুবাহিত রোগ প্রতিরোধের উপায়:
১. হাঁচি বা কাশির সময় মুখে-নাকে রুমাল বা মাস্ক ব্যবহার করা।
২. যেখানে-সেখানে থুতু বা কফ না ফেলা।
৩. ভিড়যুক্ত বা বদ্ধ জায়গা এড়িয়ে চলা।
৪. অসুস্থ ব্যক্তির থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা।মশা ও মাছি কীভাবে রোগ ছড়ায়? ম্যালেরিয়া ও টাইফয়েড রোগের বাহক ও জীবাণুর নাম লেখো। মশা ও মাছি নিয়ন্ত্রণের দুটি করে উপায় লেখো।
উত্তর:
মশার রোগ ছড়ানোর পদ্ধতি: স্ত্রী মশা রক্ত পান করার সময় তার সূঁচের মতো প্রোবোসিসটি মানুষের চামড়ায় ফোটায়। রক্ত যাতে জমাট না বাঁধে, তার জন্য সে নিজের লালারস মানুষের দেহে প্রবেশ করিয়ে দেয়। এই লালারসের সঙ্গেই মশার দেহে থাকা রোগের জীবাণু (যেমন: ম্যালেরিয়ার জীবাণু) সুস্থ মানুষের রক্তে মিশে যায়।
মাছির রোগ ছড়ানোর পদ্ধতি: মাছি নোংরা আবর্জনা, মলমূত্র ইত্যাদির উপর বসে। তখন তার পা ও সারা গায়ে ওইসব নোংরায় থাকা রোগজীবাণু লেগে যায়। পরে ওই মাছি যখন আমাদের খোলা খাবারের উপর বসে, তখন জীবাণুগুলি খাবারে স্থানান্তরিত হয়। ওই খাবার খেলে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি। মাছি যান্ত্রিক বাহক হিসেবে কাজ করে।
• ম্যালেরিয়া রোগ: বাহক - স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা। জীবাণু - প্লাজমোডিয়াম (আদ্যপ্রাণী)।
• টাইফয়েড রোগ: বাহক - মাছি। জীবাণু - সালমোনেলা টাইফি (Salmonella typhi) নামক ব্যাকটেরিয়া।
মশা নিয়ন্ত্রণের উপায়:
১. বাড়ির আশেপাশে জল জমতে না দেওয়া, কারণ জমা জলে মশা ডিম পাড়ে।
২. রাতে মশারি টাঙিয়ে ঘুমানো।
মাছি নিয়ন্ত্রণের উপায়:
১. খাবার সবসময় ঢাকা দিয়ে রাখা।
২. বাড়ির চারপাশ ও আবর্জনা ফেলার জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।* মানসিক স্বাস্থ্য বলতে কী বোঝায়? এর গুরুত্ব কী? তোমার মতে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার দুটি উপায় লেখো।
উত্তর:
মানসিক স্বাস্থ্য:
মানসিক স্বাস্থ্য হলো ব্যক্তির মানসিক ও আবেগজনিত এক সুস্থ অবস্থা, যেখানে সে নিজের ক্ষমতা উপলব্ধি করতে পারে, জীবনের স্বাভাবিক চাপ মোকাবিলা করতে পারে, ফলপ্রসূভাবে কাজ করতে পারে এবং সমাজের প্রতি অবদান রাখতে সক্ষম হয়। এটি কেবল মানসিক রোগের অনুপস্থিতি নয়, বরং একটি ইতিবাচক অবস্থা।
গুরুত্ব:
শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই মানসিক স্বাস্থ্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন মানসিকভাবে সুস্থ ব্যক্তি:
১. ব্যক্তিগত ও সামাজিক সম্পর্কগুলি ভালোভাবে বজায় রাখতে পারে।
২. জীবনের চ্যালেঞ্জ ও সমস্যাগুলির সঠিক মোকাবিলা করতে পারে।
৩. সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং নিজের কাজে মনোনিবেশ করতে পারে।
৪. শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়, কারণ মানসিক চাপ অনেক শারীরিক রোগের কারণ হতে পারে।
মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায়:
১. মনের কথা খুলে বলা: নিজের অনুভূতি, উদ্বেগ বা সমস্যার কথা কোনো বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। মনের কথা চেপে রাখলে মানসিক চাপ বাড়ে।
২. সৃজনশীল ও শারীরিক কাজে যুক্ত থাকা: পড়াশোনার বাইরে নিজের পছন্দের কোনো কাজে (যেমন: খেলাধুলা, গান, আঁকা, নাচ, বাগানের কাজ) যুক্ত থাকলে মন ভালো থাকে এবং মানসিক চাপ কমে। নিয়মিত ব্যায়াম বা খেলাধুলা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।