গল্পের পরিচিতি ও সারমর্ম
সারসংক্ষেপ:
শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী-র লেখা 'বোকা কুমিরের কথা' গল্পে একটি ধূর্ত শিয়াল এবং একটি বোকা কুমিরের একসঙ্গে চাষ করার মজার কাহিনী বলা হয়েছে।
চাষ করার ব্যাপারে কুমিরের কোনো ধারণাই ছিল না। আলুর চাষে কুমির গাছের আগা নিল আর শিয়াল নিল মাটির নীচের আলু। পরের বার ধানের চাষে কুমির শিয়ালকে ঠকাতে চেয়ে গোড়া নিতে চাইল, ফলে সে পেল শুধু খড় আর শিয়াল পেল ধান। এরপর আখের চাষের সময় কুমির আগা নিতে চাইলে তার ভাগে পড়ল আখের পাতা, আর শিয়াল মজা করে খেল মিষ্টি আখ। বারবার নিজের বোকামির জন্য ঠকে গিয়ে কুমির শেষমেশ শিয়ালের সাথে চাষ করাই বন্ধ করে দিল।
চাষ করার ব্যাপারে কুমিরের কোনো ধারণাই ছিল না। আলুর চাষে কুমির গাছের আগা নিল আর শিয়াল নিল মাটির নীচের আলু। পরের বার ধানের চাষে কুমির শিয়ালকে ঠকাতে চেয়ে গোড়া নিতে চাইল, ফলে সে পেল শুধু খড় আর শিয়াল পেল ধান। এরপর আখের চাষের সময় কুমির আগা নিতে চাইলে তার ভাগে পড়ল আখের পাতা, আর শিয়াল মজা করে খেল মিষ্টি আখ। বারবার নিজের বোকামির জন্য ঠকে গিয়ে কুমির শেষমেশ শিয়ালের সাথে চাষ করাই বন্ধ করে দিল।
শব্দার্থ (Word Meanings)
| শব্দ | অর্থ |
|---|---|
| আগা | ওপরের অংশ |
| গোড়া | শিকড় বা নীচের অংশ |
| খড় | বিচালি / ধান গাছের শুকনো ডাঁটা |
| নোনতা | লবণাক্ত / নুনের মতো স্বাদ |
| বড্ড | খুব বা অত্যন্ত |
হাতে কলমে - প্রশ্ন ও উত্তর (Textbook Exercises)
১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:
১.১ তোমার জানা কয়েকটি উভচর প্রাণীর নাম লেখো।
উত্তর: আমার জানা কয়েকটি উভচর প্রাণীর নাম হলো— ব্যাঙ, কুনোব্যাঙ এবং স্যালামান্ডার।
১.২ তোমার জানা কয়েকটি সরীসৃপের নাম লেখো।
উত্তর: আমার জানা কয়েকটি সরীসৃপের নাম হলো— সাপ, টিকটিকি, কুমির এবং কচ্ছপ।
১.৩ ছোটোদের জন্য লেখা পশুপাখির গল্পে সবচেয়ে চালাক প্রাণী বলতে আমরা কাকে বুঝি?
উত্তর: ছোটোদের জন্য লেখা পশুপাখির গল্পে সবচেয়ে চালাক বা ধূর্ত প্রাণী বলতে আমরা শিয়াল-কে বুঝি।
১.৪ মাটির নীচে হয় এমন কয়েকটি ফসলের নাম লেখো।
উত্তর: মাটির নীচে হয় এমন কয়েকটি ফসলের নাম হলো— আলু, পেঁয়াজ, গাজর, মূলো এবং আদা।
১.৫ ধানগাছ থেকে আমরা কী কী পাই?
উত্তর: ধানগাছ থেকে আমরা ধান (যথা থেকে চাল তৈরি হয়) এবং খড় বা বিচালি (যা গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে এবং ঘর ছাওয়ার কাজে লাগে) পাই।
১.৬ কুমির ও শিয়ালকে নিয়ে লেখা অন্য কোনো গল্প পাঁচটি বাক্যে লেখো।
উত্তর:
১) একবার এক কুমির তার ছানাদের পড়ানোর জন্য এক শিয়াল পণ্ডিতকে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করেছিল।
২) শিয়াল কুমিরের গর্তে ঢুকে রোজ ছানাদের পড়াতো।
৩) কিন্তু ধূর্ত শিয়াল আসলে পড়ানোর বদলে রোজ একটি করে কুমির ছানাকে খেয়ে ফেলত।
৪) প্রতিদিন কুমির ছানাদের দেখতে চাইলে শিয়াল একই ছানাকে বারবার দেখিয়ে কুমিরকে বোকা বানাত।
৫) সব ছানা খাওয়া হয়ে গেলে শিয়াল একদিন চুপিসারে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
উত্তর: আমার জানা কয়েকটি উভচর প্রাণীর নাম হলো— ব্যাঙ, কুনোব্যাঙ এবং স্যালামান্ডার।
১.২ তোমার জানা কয়েকটি সরীসৃপের নাম লেখো।
উত্তর: আমার জানা কয়েকটি সরীসৃপের নাম হলো— সাপ, টিকটিকি, কুমির এবং কচ্ছপ।
১.৩ ছোটোদের জন্য লেখা পশুপাখির গল্পে সবচেয়ে চালাক প্রাণী বলতে আমরা কাকে বুঝি?
উত্তর: ছোটোদের জন্য লেখা পশুপাখির গল্পে সবচেয়ে চালাক বা ধূর্ত প্রাণী বলতে আমরা শিয়াল-কে বুঝি।
১.৪ মাটির নীচে হয় এমন কয়েকটি ফসলের নাম লেখো।
উত্তর: মাটির নীচে হয় এমন কয়েকটি ফসলের নাম হলো— আলু, পেঁয়াজ, গাজর, মূলো এবং আদা।
১.৫ ধানগাছ থেকে আমরা কী কী পাই?
উত্তর: ধানগাছ থেকে আমরা ধান (যথা থেকে চাল তৈরি হয়) এবং খড় বা বিচালি (যা গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে এবং ঘর ছাওয়ার কাজে লাগে) পাই।
১.৬ কুমির ও শিয়ালকে নিয়ে লেখা অন্য কোনো গল্প পাঁচটি বাক্যে লেখো।
উত্তর:
১) একবার এক কুমির তার ছানাদের পড়ানোর জন্য এক শিয়াল পণ্ডিতকে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করেছিল।
২) শিয়াল কুমিরের গর্তে ঢুকে রোজ ছানাদের পড়াতো।
৩) কিন্তু ধূর্ত শিয়াল আসলে পড়ানোর বদলে রোজ একটি করে কুমির ছানাকে খেয়ে ফেলত।
৪) প্রতিদিন কুমির ছানাদের দেখতে চাইলে শিয়াল একই ছানাকে বারবার দেখিয়ে কুমিরকে বোকা বানাত।
৫) সব ছানা খাওয়া হয়ে গেলে শিয়াল একদিন চুপিসারে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
২. 'ক' স্তম্ভের সঙ্গে 'খ' স্তম্ভ মিলিয়ে লেখো:
| 'ক' স্তম্ভ | 'খ' স্তম্ভ (সঠিক উত্তর) |
|---|---|
| কুমির | নদী |
| শিয়াল | জঙ্গল |
| আলু | খেত |
| আখ | চিনি |
| খড় | গরু |
৩. গল্পের ঘটনাক্রম সাজিয়ে লেখো:
(পাঠ্যবইয়ে দেওয়া বাক্যগুলিকে গল্পের ঘটনার ক্রমানুসারে সাজিয়ে নীচে দেওয়া হলো)
সঠিক ঘটনাক্রম:
১) ৩.২ কুমির আর শিয়াল মিলে চাষ করতে গেল ...আলুর চাষ।
২) ৩.১ কুমির শিয়ালকে ঠকাবার জন্য বললে—গাছের আগার দিক কিন্তু আমার, আর গোড়ার দিক তোমার।
৩) ৩.৪ তারপরের বার হলো ধানের চাষ। কুমির গোড়াগুলো নিয়ে বুঝল সে খুব ঠকেছে।
৪) ৩.৩ সেবার হলো আখের চাষ। কুমির আগাগুলো নিয়ে চিবিয়ে দেখল ভীষণ নোনতা।
৫) ৩.৫ কুমির শিয়ালকে বলল, না ভাই, তোমার সঙ্গে আর আমি চাষ করতে যাব না, তুমি বড্ড ঠকাও।
সঠিক ঘটনাক্রম:
১) ৩.২ কুমির আর শিয়াল মিলে চাষ করতে গেল ...আলুর চাষ।
২) ৩.১ কুমির শিয়ালকে ঠকাবার জন্য বললে—গাছের আগার দিক কিন্তু আমার, আর গোড়ার দিক তোমার।
৩) ৩.৪ তারপরের বার হলো ধানের চাষ। কুমির গোড়াগুলো নিয়ে বুঝল সে খুব ঠকেছে।
৪) ৩.৩ সেবার হলো আখের চাষ। কুমির আগাগুলো নিয়ে চিবিয়ে দেখল ভীষণ নোনতা।
৫) ৩.৫ কুমির শিয়ালকে বলল, না ভাই, তোমার সঙ্গে আর আমি চাষ করতে যাব না, তুমি বড্ড ঠকাও।
৪. শূন্যস্থান পূরণ করো:
৪.১ কুমির আর শিয়াল মিলে চাষ করতে গেল।
৪.২ সে ভাবলে বুঝি আলু তার গাছের ফল।
৪.৩ শিয়াল সে ধানসুদ্ধ গাছের আগা কেটে নিয়ে গেল।
৪.৪ সেবার হল আখের চাষ।
৪.৫ শিয়াল মাটি খুঁড়ে সব আলু তুলে নিয়ে গেছে।
৪.২ সে ভাবলে বুঝি আলু তার গাছের ফল।
৪.৩ শিয়াল সে ধানসুদ্ধ গাছের আগা কেটে নিয়ে গেল।
৪.৪ সেবার হল আখের চাষ।
৪.৫ শিয়াল মাটি খুঁড়ে সব আলু তুলে নিয়ে গেছে।
৫. পাশের শব্দঝুড়ি থেকে খুঁজে নিয়ে একই অর্থের শব্দ পাশাপাশি লেখো:
শব্দঝুড়ি: অগ্রভাগ, কৃষি, মৃত্তিকা, ইক্ষু
চাষ — কৃষি
আখ — ইক্ষু
আগা — অগ্রভাগ
মাটি — মৃত্তিকা
চাষ — কৃষি
আখ — ইক্ষু
আগা — অগ্রভাগ
মাটি — মৃত্তিকা
৬. বাক্য শেষ করো:
৬.১ 'বোকা কুমিরের কথা' গল্পটি পড়ে কুমিরটিকে আমার মনে হয়েছে, সে ভীষণ বোকা এবং চাষবাস সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ।
৬.২ গল্পের শিয়ালটি আসলে খুব চালাক ও ধূর্ত।
৬.৩ কুমির গল্পে মোট তিন বার ঠকেছে। প্রথমবার সে ঠকে গেছে, কেননা সে জানত না যে আলু মাটির নীচে হয়। দ্বিতীয়বার তার ঠকে যাওয়ার কারণ হল সে ধানের গোড়া নিয়েছিল, আর আগায় ধান ছিল। তারপরের বার আখের আগা অর্থাৎ পাতা খেতে গিয়ে না জানার জন্য সে ঠকে গেছে।
৬.৪ শিয়াল বারবার লাভবান হয়েছে, কারণ সে কুমিরের বোকামির সুযোগ নিয়ে নিজের বুদ্ধির জোরে ফসলের আসল অংশটি নিজের ভাগে নিয়ে নিয়েছে।
৬.২ গল্পের শিয়ালটি আসলে খুব চালাক ও ধূর্ত।
৬.৩ কুমির গল্পে মোট তিন বার ঠকেছে। প্রথমবার সে ঠকে গেছে, কেননা সে জানত না যে আলু মাটির নীচে হয়। দ্বিতীয়বার তার ঠকে যাওয়ার কারণ হল সে ধানের গোড়া নিয়েছিল, আর আগায় ধান ছিল। তারপরের বার আখের আগা অর্থাৎ পাতা খেতে গিয়ে না জানার জন্য সে ঠকে গেছে।
৬.৪ শিয়াল বারবার লাভবান হয়েছে, কারণ সে কুমিরের বোকামির সুযোগ নিয়ে নিজের বুদ্ধির জোরে ফসলের আসল অংশটি নিজের ভাগে নিয়ে নিয়েছে।
৭. নীচে দাগ দেওয়া শব্দগুলি কোনটি কী জাতীয় শব্দ লেখো:
৭.১ কুমির আর শিয়াল মিলে চাষ করতে গেল। — বিশেষ্য (Noun)
৭.২ সে ভাবলে বুঝি আলু তার গাছের ফল। — সর্বনাম (Pronoun)
৭.৩ আচ্ছা আসছে বার দেখব। — ক্রিয়া (Verb)
৭.৪ ভেবেছে, মাটি খুঁড়ে সব ধান বার করে নেবে। — ধান: বিশেষ্য (Noun), নেবে: ক্রিয়া (Verb)
৭.৫ এবার আমাকে গোড়ার দিক দিতে হবে। — সর্বনাম (Pronoun)
৭.২ সে ভাবলে বুঝি আলু তার গাছের ফল। — সর্বনাম (Pronoun)
৭.৩ আচ্ছা আসছে বার দেখব। — ক্রিয়া (Verb)
৭.৪ ভেবেছে, মাটি খুঁড়ে সব ধান বার করে নেবে। — ধান: বিশেষ্য (Noun), নেবে: ক্রিয়া (Verb)
৭.৫ এবার আমাকে গোড়ার দিক দিতে হবে। — সর্বনাম (Pronoun)
৮. ঠিক বাক্যটির পাশে (✓) চিহ্ন দাও আর ভুল বাক্যটির পাশে (x) চিহ্ন দাও:
৮.১ গল্পের কুমিরটি অত্যন্ত চালাক-চতুর ছিল। (X)
৮.২ কুমিরটি চেয়েছিল শিয়ালকে সে ঠকাবে। (✓)
৮.৩ আলুচাষে গোড়ার দিক পাওয়ায় শিয়াল ঠকে গেল। (X)
৮.৪ ধানচাষের বেলায় কুমির পেল আগার দিক। (X)
৮.৫ কুমির আখের গাছগুলো পেয়ে ঘরে বয়ে নিয়ে গিয়ে মজা করে খেতে লাগল। (X)
৮.২ কুমিরটি চেয়েছিল শিয়ালকে সে ঠকাবে। (✓)
৮.৩ আলুচাষে গোড়ার দিক পাওয়ায় শিয়াল ঠকে গেল। (X)
৮.৪ ধানচাষের বেলায় কুমির পেল আগার দিক। (X)
৮.৫ কুমির আখের গাছগুলো পেয়ে ঘরে বয়ে নিয়ে গিয়ে মজা করে খেতে লাগল। (X)
৯. বাক্য রচনা করো:
আগা: ঝড়ে আমাদের বাগানের আম গাছটার আগা ভেঙে গেছে।
গোড়া: গাছটির গোড়া থেকে অনেক নতুন ডালপালা বেরিয়েছে।
চাষ: গ্রামের কৃষকেরা মাঠে মন দিয়ে ধানের চাষ করছেন।
আখ: গরমকালে আখের রস খেতে খুব ভালো লাগে।
নোনতা: সমুদ্রের জল খেতে ভীষণ নোনতা হয়।
গোড়া: গাছটির গোড়া থেকে অনেক নতুন ডালপালা বেরিয়েছে।
চাষ: গ্রামের কৃষকেরা মাঠে মন দিয়ে ধানের চাষ করছেন।
আখ: গরমকালে আখের রস খেতে খুব ভালো লাগে।
নোনতা: সমুদ্রের জল খেতে ভীষণ নোনতা হয়।
১০. বিপরীতার্থক শব্দ লেখো:
লাভ — ক্ষতি
মিষ্টি — টক / তেতো
নীচে — ওপরে / উপরে
কাজ — অকাজ / বিশ্রাম
মজা — সাজা / দুঃখ
মিষ্টি — টক / তেতো
নীচে — ওপরে / উপরে
কাজ — অকাজ / বিশ্রাম
মজা — সাজা / দুঃখ
১১. উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী সম্পর্কিত প্রশ্ন:
১১.১ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর লেখা দুটি বিখ্যাত বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: তাঁর লেখা দুটি বিখ্যাত বই হলো— 'টুনটুনির বই' এবং 'গুপী গাইন বাঘা বাইন' (বা 'ছেলেদের রামায়ণ')।
১১.২ তিনি ছোটোদের জন্য কোন পত্রিকা বের করতেন?
উত্তর: তিনি ছোটোদের জন্য ১৯১৩ সালে 'সন্দেশ' পত্রিকা বের করতেন।
১১.৩ তাঁর সন্তানদের মধ্যে শিশু সাহিত্যিক হিসেবে কারা অত্যন্ত পরিচিত?
উত্তর: তাঁর সন্তানদের মধ্যে সুখলতা রাও, পুণ্যলতা চক্রবর্তী, সুকুমার রায় এবং সুবিনয় রায় শিশু সাহিত্যিক হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত।
উত্তর: তাঁর লেখা দুটি বিখ্যাত বই হলো— 'টুনটুনির বই' এবং 'গুপী গাইন বাঘা বাইন' (বা 'ছেলেদের রামায়ণ')।
১১.২ তিনি ছোটোদের জন্য কোন পত্রিকা বের করতেন?
উত্তর: তিনি ছোটোদের জন্য ১৯১৩ সালে 'সন্দেশ' পত্রিকা বের করতেন।
১১.৩ তাঁর সন্তানদের মধ্যে শিশু সাহিত্যিক হিসেবে কারা অত্যন্ত পরিচিত?
উত্তর: তাঁর সন্তানদের মধ্যে সুখলতা রাও, পুণ্যলতা চক্রবর্তী, সুকুমার রায় এবং সুবিনয় রায় শিশু সাহিত্যিক হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত।
১২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর লেখো:
১২.১ গল্পে কারা চাষ করতে গেল?
উত্তর: গল্পে একটি বোকা কুমির এবং একটি চালাক শিয়াল একসঙ্গে মিলে চাষ করতে গেল।
১২.২ কীসের কীসের চাষ তারা করেছিল?
উত্তর: তারা ক্রমান্বয়ে আলু, ধান এবং আখের চাষ করেছিল।
১২.৩ চাষে কার লাভ এবং কার ক্ষতি হয়েছিল?
উত্তর: চাষের পর বারবার চালাক শিয়ালের লাভ হয়েছিল এবং বোকা কুমিরের ক্ষতি হয়েছিল।
১২.৪ শিয়ালকে ঠকাতে আখচাষের সময় কুমির কী ফন্দি এঁটেছিল?
উত্তর: শিয়ালকে ঠকাতে আখচাষের সময় কুমির আগে থেকেই বলে রেখেছিল যে, এবার সে গাছের আগার দিক নেবে আর গোড়ার দিক শিয়ালকে দেবে। কারণ কুমির ভেবেছিল আখের ফল বুঝি গাছের আগাতেই ফলে।
১২.৫ "বোকা কুমিরের কথা" গল্পে কুমিরটা শিয়ালকে 'তুমি বড্ড ঠকাও' বলে দোষ দিলেও, আসলে সে নিজের নির্বুদ্ধিতার জন্যই বারবার ঠকে গেছে।—গল্পটি পড়ে তোমার যদি এমন মনে হয়, তবে কেন এমন মনে হলো, তা বোঝাতে গল্প থেকে তিনটি বাক্য খুঁজে নিয়ে লেখো।
উত্তর: কুমির যে নিজের নির্বুদ্ধিতার জন্যই ঠকেছিল, তা বোঝাতে গল্প থেকে নেওয়া তিনটি বাক্য নিচে দেওয়া হলো:
১) "বোকা কুমির সে কথা জানত না। সে ভাবলে বুঝি আলু তার গাছের ফল।"
২) "কুমির তো এবারে ভারি খুশি হয়ে আছে। ভেবেছে, মাটি খুঁড়ে সব ধান বার করে নেবে।"
৩) "কুমির তো আগেই বলেছে, এবার আর সে আগা না নিয়ে ছাড়বে না।"
উত্তর: গল্পে একটি বোকা কুমির এবং একটি চালাক শিয়াল একসঙ্গে মিলে চাষ করতে গেল।
১২.২ কীসের কীসের চাষ তারা করেছিল?
উত্তর: তারা ক্রমান্বয়ে আলু, ধান এবং আখের চাষ করেছিল।
১২.৩ চাষে কার লাভ এবং কার ক্ষতি হয়েছিল?
উত্তর: চাষের পর বারবার চালাক শিয়ালের লাভ হয়েছিল এবং বোকা কুমিরের ক্ষতি হয়েছিল।
১২.৪ শিয়ালকে ঠকাতে আখচাষের সময় কুমির কী ফন্দি এঁটেছিল?
উত্তর: শিয়ালকে ঠকাতে আখচাষের সময় কুমির আগে থেকেই বলে রেখেছিল যে, এবার সে গাছের আগার দিক নেবে আর গোড়ার দিক শিয়ালকে দেবে। কারণ কুমির ভেবেছিল আখের ফল বুঝি গাছের আগাতেই ফলে।
১২.৫ "বোকা কুমিরের কথা" গল্পে কুমিরটা শিয়ালকে 'তুমি বড্ড ঠকাও' বলে দোষ দিলেও, আসলে সে নিজের নির্বুদ্ধিতার জন্যই বারবার ঠকে গেছে।—গল্পটি পড়ে তোমার যদি এমন মনে হয়, তবে কেন এমন মনে হলো, তা বোঝাতে গল্প থেকে তিনটি বাক্য খুঁজে নিয়ে লেখো।
উত্তর: কুমির যে নিজের নির্বুদ্ধিতার জন্যই ঠকেছিল, তা বোঝাতে গল্প থেকে নেওয়া তিনটি বাক্য নিচে দেওয়া হলো:
১) "বোকা কুমির সে কথা জানত না। সে ভাবলে বুঝি আলু তার গাছের ফল।"
২) "কুমির তো এবারে ভারি খুশি হয়ে আছে। ভেবেছে, মাটি খুঁড়ে সব ধান বার করে নেবে।"
৩) "কুমির তো আগেই বলেছে, এবার আর সে আগা না নিয়ে ছাড়বে না।"
Sponsored Links