কিশোর বিজ্ঞানী

অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত "কিশোর বিজ্ঞানী" কবিতার সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর, সারাংশ, শব্দার্থ ও ব্যাকরণ সমাধান | ষষ্ঠ শ্রেণি (WBBSE)

Shilpi Mondal
Shilpi Mondal
Uploaded: 20 November 2025 Last Update: 03 June 2026

🔬 কিশোর বিজ্ঞানী

অন্নদাশঙ্কর রায় কবিতা

পাঠ্যবই: সাহিত্য মেলা (ষষ্ঠ শ্রেণি, WBBSE) • ত্রয়োবিংশ পাঠ • কবিতা

সমুদ্রের বেলা বিদ্যারতন আইজ্যাক নিউটন জ্ঞান পারাবার

অন্নদাশঙ্কর রায় (১৯০৪-২০০২)

জন্ম ওড়িশার ঢেঙ্কানলে। প্রথম জীবনে ওড়িয়া ভাষায় সাহিত্য রচনা করলেও পরবর্তী জীবনে বাংলাভাষায় বহু মননশীল উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ ও ভ্রমণকাহিনি রচনা করে প্রভূত খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ "তারুণ্য"। তাঁর লেখা অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে "পথে প্রবাসে", "সত্যাসত্য", "যার যেথা দেশ" প্রভৃতি। তাঁর লেখা "উড়কি ধানের মুড়কি", "রাঙা ধানের খই" প্রভৃতি ছড়ার বই ছোটোদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। অন্নদাশংকর রায় "লীলাময় রায়" ছদ্মনামেও বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন।

📖

কবিতা

কিশোর বিজ্ঞানী

✍️

কবি

অন্নদাশঙ্কর রায়

🌍

মূল চরিত্র

বিজ্ঞানী নিউটন

📚

পাঠ

ত্রয়োবিংশ পাঠ

কবিতার সারাংশ ও মূলভাব

সারাংশ: "কিশোর বিজ্ঞানী" কবিতায় প্রখ্যাত বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের জীবনের এক গভীর দর্শনকে সহজ ছন্দের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। ছোটোবেলায় যে কিশোরের খেলায় মন বসত না, সে সমুদ্রের তীরে ঘুরে ঘুরে নানা রঙের ঝিনুক কুড়োত। বড়ো হয়ে সেই কিশোরই অসীম জ্ঞানের সাগরতীরে "বিদ্যারতন" বা জ্ঞান সংগ্রহ করতে শুরু করেন। জীবনের শেষপ্রান্তে এসে যখন মানুষ তাঁকে তাঁর বাণী বা শ্রেষ্ঠ উপলব্ধির কথা জিজ্ঞাসা করে, তখন সেই বৃদ্ধ ও পরম বিজ্ঞানী জানান যে, তিনি এই অনন্ত জ্ঞানসমুদ্রের তীরে কেবল কয়েকটি মুঠি নুড়ি বা পাথরকুচিই সংগ্রহ করতে পেরেছেন মাত্র, আসল জ্ঞানভাণ্ডার এখনও অজানা রয়ে গেছে।

কেন্দ্রীয় চেতনা: মানুষের জ্ঞান যতই গভীর হোক না কেন, এই অসীম বিশ্বের রহস্যের তুলনায় তা অত্যন্ত সামান্য। প্রকৃত জ্ঞানী ব্যক্তি সর্বদা বিনয়ী হন এবং নিজের অসম্পূর্ণতাকে স্বীকার করতে কুণ্ঠাবোধ করেন না।

১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও

২ টি
১.১ অন্নদাশংকর রায় প্রথম জীবনে কোন ভাষায় সাহিত্য রচনা করতেন?
অন্নদাশংকর রায় প্রথম জীবনে ওড়িয়া ভাষায় সাহিত্য রচনা করতেন।
১.২ তাঁর লেখা দুটি ছোটোদের ছড়ার বইয়ের নাম লেখো।
তাঁর লেখা দুটি ছোটোদের ছড়ার বইয়ের নাম হলো "উড়কি ধানের মুড়কি" এবং "রাঙা ধানের খই"।

২. নীচের প্রশ্নগুলির একটি বাক্যে উত্তর দাও

৫ টি
২.১ কিশোরের মন লাগেনা কীসে?
কিশোরের মন সাধারণ ছেলেমেয়েদের মতো খেলাধুলোয় লাগে না।
২.২ কখন কিশোর মন সমুদ্দুরের বেলায় যেতে চায়?
কিশোর মন পড়াশোনা থেকে ছুটি পেলেই সমুদ্দুরের বা সমুদ্রের বেলায় ছুটে যেতে চায়।
২.৩ অনুসন্ধিৎসু কিশোরটি সাগরবেলায় কী কুড়িয়ে তোলে?
অনুসন্ধিৎসু কিশোরটি সাগরবেলায় ঘুরে ঘুরে নানা রঙের নকশা আঁকা ঝিনুক কুড়িয়ে তোলে।
২.৪ কোন পারাবারকে "অনন্তপার" বলা হয়েছে?
অসীম এবং সীমাহীন "জ্ঞান পারাবার" বা জ্ঞানের সমুদ্রকে "অনন্তপার" বলা হয়েছে।
২.৫ দুজন প্রখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম লেখ।
দুজন প্রখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম হলো আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু এবং সত্যেন্দ্রনাথ বসু।

শব্দার্থ (Vocabulary)

নকশা স্কেচ, রেখাচিত্র
মাড়িয়ে পায়ে দলে
সুধায় জিজ্ঞাসা করে
অনন্তপার অন্তহীন মহাবিশ্ব বা যার পার নেই
জ্ঞান পারাবার জ্ঞানের সমুদ্র

ব্যাকরণ ও ভাষা অনুশীলন

৩. কবিতা থেকে বিপরীত শব্দ খুঁজে নিয়ে লেখো:

(প্রদত্ত শব্দ: আলো, ছোটো, এখানে, তখন)

প্রদত্ত শব্দকবিতা থেকে প্রাপ্ত বিপরীত শব্দ
আলোআঁধার
ছোটোবড়ো
এখানেসেখানে
তখনএখন

৪. প্রতিটি শব্দকে পৃথক অর্থে আলাদা বাক্যে প্রয়োগ করো:

(শব্দ: সুধায়, পুরী, বেলা, হেলা, ভরা)

• সুধায় (জিজ্ঞাসা করা অর্থে): পথচলতি মানুষটি ঠিকানা জানার জন্য আমাকে পথ সুধায়।
• পুরী (নগর বা শহর অর্থে): উৎসবের আনন্দে সেজে ওঠা শহরটিকে আজ যেন এক মায়াবী পুরী বলে মনে হচ্ছে।
• বেলা (সময় বা সমুদ্রতীর অর্থে): অনেক বেলা হয়ে গেছে, এবার বাড়ি ফিরে চলো।
• হেলা (অবহেলা অর্থে): মূল্যবান সময়কে কখনোই হেলায় নষ্ট করা উচিত নয়।
• ভরা (পূর্ণ অর্থে): বর্ষায় গ্রামের নদীটি কানায় কানায় ভরা থাকে।

৫. আবিষ্কারের গল্পগুলির পাশে পাশে আবিষ্কারকের নাম উল্লেখ করো:

(শব্দ: ঘড়ি, এরোপ্লেন, রেডিও, দূরবীন, টেলিভিশন)

আবিষ্কারের বিষয়আবিষ্কারকের নাম
ঘড়ি (যান্ত্রিক/পেন্ডুলাম)পিটার হেনলেইন / ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস
এরোপ্লেনরাইট ভ্রাতৃদ্বয় (অরভিল ও উইলবার রাইট)
রেডিওগুগলিয়েলমো মার্কোনি
দূরবীন (টেলিস্কোপ)গ্যালিলিও গ্যালিলেই (বা হ্যান্স লিপারশে)
টেলিভিশনজন লগি বেয়ার্ড

৬. ছুটি পেলে তোমার মন কী করতে চায় পাঁচটি বাক্যে লেখো।

১. স্কুল থেকে ছুটি পেলে আমার মন সবার প্রথমে বন্ধুদের সাথে মাঠে গিয়ে খেলতে চায়।
২. ছুটির দিনে দুপুরে আমি গল্পের বই পড়তে খুব ভালোবাসি।
৩. বিকেলবেলা সাইকেল নিয়ে নদীর ধারে বা গ্রামের মেঠো পথে ঘুরতে যেতে আমার মন চায়।
৪. আমার ছবি আঁকার শখ আছে, তাই ছুটি পেলেই আমি রং-তুলি নিয়ে বসে পড়ি।
৫. লম্বা ছুটি পেলে পরিবারের সবার সাথে অজানা কোনো পাহাড় বা জঙ্গলে বেড়াতে যেতে আমার খুব ভালো লাগে।

৭. কবিতা থেকে শব্দ নিয়ে নীচের শব্দছকটি পূরণ করো:

(যেহেতু এখানে ছকটি অসম্পূর্ণ, তাই বর্ণগুলি থেকে কবিতায় ব্যবহৃত সম্ভাব্য শব্দগুলি নীচে দেওয়া হলো)

প্রদত্ত অক্ষরকবিতা থেকে প্রাপ্ত শব্দ
ধাআঁধার
পাপারাবার
টছুটে, হেঁটে, নিউটন
ঙেরঙের
শোকিশোর

৮. নীচের প্রশ্নগুলির নিজের ভাষায় উত্তর লেখো (রচনাধর্মী)

৮.১ পাঠ্য ছড়াটির প্রথম পঙ্ক্তিটি শুরু হয়েছে "এক যে ছিল কিশোর..." - এইভাবে। সাধারণত কোন ধরনের রচনা এভাবে শুরু হয়ে থাকে? সেই ধরনের রচনার বিষয়ের সঙ্গে ছড়াটির বিষয়গত সাদৃশ্য/বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
উত্তর: সাধারণত রূপকথা বা পুরোনো দিনের গল্প "এক যে ছিল রাজা..." বা "এক যে ছিল..." এইভাবে শুরু হয়ে থাকে।

সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য: রূপকথার গল্পে রাজা, রানি, রাজপুত্র এবং অলৌকিক বা কাল্পনিক ঘটনা থাকে যা বাস্তবের সাথে মেলে না। কিন্তু এই কবিতায় রূপকথার ঢঙে শুরু হলেও এর বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ বাস্তব এবং সত্য। এখানে বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের জীবনের সত্য ঘটনাকে একটি রূপকথার গল্পের মতো করে সুন্দরভাবে পরিবেশন করা হয়েছে, যা এই কবিতার মূল বৈসাদৃশ্য।
৮.২ "মন লাগে না খেলায়" কার খেলায় "মন লাগে না"? কিশোরেরা সাধারণত কোন ধরনের খেলাধুলো করে থাকে? তার পরিবর্তে ছড়ার কিশোরটি কী করতে পছন্দ করত?
উত্তর: এখানে যে কিশোরটি পরবর্তীতে বিজ্ঞানী নিউটন হয়েছিলেন, তার খেলায় মন লাগে না।

কিশোরেরা সাধারণত মাঠে গিয়ে ক্রিকেট, ফুটবল, দৌড়োদৌড়ি বা লুকোচুরি খেলতে ভালোবাসে। কিন্তু ছড়ার এই কিশোরটি অন্যান্য সাধারণ ছেলেদের মতো খেলাধুলো না করে, ছুটি পেলেই সমুদ্রের ধারে ছুটে যেত এবং সারা দিন ধরে নানা রঙের নকশা আঁকা ঝিনুক কুড়োতে পছন্দ করত।
৮.৩ "এক একটি রতন যেন/নাই বা কেউ চিনুক।"- কোন জিনিসকে রত্নের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে? কেনই বা এ ধরনের তুলনা? তাকে চেনা বা না চেনার প্রসঙ্গই বা এল কেন?
উত্তর: কিশোরটি সমুদ্রের ধার থেকে যে নানা রঙের নকশা আঁকা ঝিনুক কুড়িয়ে আনত, তাকেই রত্ন বা মণি-মুক্তোর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

কারণ, কিশোরের কাছে ওই সুন্দর ঝিনুকগুলি ছিল মহার্ঘ রত্নের মতোই মূল্যবান এবং রহস্যময়। সাধারণ মানুষের চোখে সেগুলি নিছকই মূল্যহীন ঝিনুক মাত্র, কিন্তু কৌতূহলী কিশোরের কাছে সেগুলির এক আলাদা দাম ছিল। তাই সাধারণ লোক সেই ঝিনুকের আসল কদর বা মূল্য না চিনলেও কিশোরের কাছে তা রত্নতুল্য ছিল—এই কারণেই চেনা বা না চেনার প্রসঙ্গটি এসেছে।
৮.৪ সেদিনের কিশোরটি পরিণত বয়সে উপনীত হলে তাকে কী করতে দেখা যায়?
উত্তর: ছোটোবেলায় যে কিশোর সমুদ্রের তীরে ঝিনুক কুড়োত, সেদিনের সেই কিশোর পরিণত বয়সে উপনীত হয়ে একজন মহান বিজ্ঞানীতে পরিণত হন। তখন তিনি অসীম "জ্ঞানের সাগরবেলায়" দাঁড়িয়ে বিদ্যারূপী মহামূল্যবান রত্ন কুড়োতে বা জ্ঞান অন্বেষণ করতে থাকেন।
৮.৫ "ঝিনুক কুড়োয়/জ্ঞানের সাগরবেলায়"- অংশের তাৎপর্য ব্যখ্যা করো।
উত্তর: এই অংশটির মধ্যে এক গভীর রূপক বা মেটাফর লুকিয়ে আছে। মহাবিশ্বের জ্ঞানভাণ্ডার হলো এক অসীম সমুদ্রের মতো, যার কোনো কূলকিনারা নেই। একজন বিজ্ঞানী তাঁর সারা জীবনের সাধনা দিয়ে সেই অনন্ত জ্ঞান-সমুদ্রের তীর থেকে কেবল সামান্য কিছু তথ্য বা জ্ঞানই আবিষ্কার করতে পারেন। সমুদ্রের বিশালতার কাছে তীরে পড়ে থাকা কয়েকটি ঝিনুক যেমন অতি সামান্য, ঠিক তেমনি এই অনন্ত বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের রহস্যের কাছে বিজ্ঞানীর আহরিত জ্ঞানও অতি সামান্য। এই চিরন্তন সত্যটিকেই এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
৮.৬ "বৃদ্ধ এখন, সুধায় লোকে" কে এখন "বৃদ্ধ"? লোকে তাকে কী জিজ্ঞেস করে? তাদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি কী বলেন?
উত্তর: এখানে "বৃদ্ধ" হলেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন।

মানুষ বা সাধারণ লোক তাঁকে তাঁর শ্রেষ্ঠ উপলব্ধি বা "বাণী"-র কথা জিজ্ঞাসা করে।

উত্তরে তিনি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে বলেন যে, তিনি সারা জীবন ধরে অনন্ত জ্ঞানের সমুদ্রতীরে দাঁড়িয়ে কেবল কয়েকটি মুঠি নুড়ি বা পাথরকুচিই কুড়িয়েছেন মাত্র, বিশাল জ্ঞানসমুদ্র এখনও তাঁর কাছে অজানা রয়ে গেছে।
৮.৭ কোন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীর প্রসঙ্গ ছড়াটিতে রয়েছে? বিজ্ঞানশাস্ত্রে তাঁর অবদান সম্পর্কে একটি অনুচ্ছেদ রচনা করো।
উত্তর: ছড়াটিতে বিশ্ববিখ্যাত ইংরেজ বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন (Sir Isaac Newton)-এর প্রসঙ্গ রয়েছে।

বিজ্ঞানে নিউটনের অবদান: স্যার আইজ্যাক নিউটন ছিলেন ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ। বিজ্ঞানশাস্ত্রে তাঁর অবদান অতুলনীয়। তিনি ১৬৮৭ সালে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ "প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা" প্রকাশ করেন। তিনি মহাকর্ষ সূত্র (Law of Universal Gravitation) এবং গতির তিনটি সূত্র (Laws of Motion) আবিষ্কার করে পদার্থবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করেন। এর পাশাপাশি আলোকবিজ্ঞান বা অপটিক্স নিয়েও তিনি গভীর গবেষণা করেন এবং প্রমাণ করেন যে সাদা আলো সাতটি রঙের সমষ্টি। ক্যালকুলাস নামক গণিতের বিশেষ শাখার আবিষ্কারেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাঁর এই যুগান্তকারী আবিষ্কারগুলি আধুনিক বিজ্ঞানের পথ প্রশস্ত করেছিল।

কবিতার শিক্ষা

"কিশোর বিজ্ঞানী" কবিতাটি আমাদের পরম বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের বিনম্রতার শিক্ষা দেয়। একজন মানুষ জীবনে যতই জ্ঞান বা সাফল্য অর্জন করুক না কেন, তাঁর মধ্যে অহংকার থাকা উচিত নয়। এই অসীম বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের রহস্যের কাছে আমাদের অর্জিত জ্ঞান যে সমুদ্রের তীরে পড়ে থাকা সামান্য নুড়ি পাথরের মতোই ক্ষুদ্র, এই অমোঘ সত্যটিই এই কবিতার মূল শিক্ষা।

Sponsored Links

Frequently Asked Questions

"কিশোর বিজ্ঞানী" কবিতাটি প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায় রচনা করেছেন।

এই কবিতায় বিশ্ববিখ্যাত ইংরেজ বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন (Sir Isaac Newton)-এর কথা বলা হয়েছে।

কিশোর ছেলেটির খেলায় মন বসত না। সে ছুটি পেলেই সমুদ্রের বেলায় ছুটে যেত এবং সেখানে ঘুরে ঘুরে নানা রঙের নকশা আঁকা ঝিনুক কুড়োত।

বিজ্ঞানী নিউটন তাঁর বাণী হিসেবে বলেছিলেন যে, তিনি সারা জীবন অনন্ত জ্ঞানের সমুদ্রতীরে দাঁড়িয়ে কেবল কয়েক মুঠি নুড়ি-পাথরই কুড়িয়েছেন, অসীম জ্ঞানভাণ্ডার এখনও তাঁর অজানা রয়ে গেছে।