মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময় যে মহাজাগতিক মেঘ তৈরি হয় তাকে কী বলে?
ক. নক্ষত্র
খ. নীহারিকা
গ. ছায়াপথ
ঘ. ধূমকেতু
✔️ সঠিক উত্তর: খ. নীহারিকা
MCQ 2
মহাবিশ্বের সমস্ত পদার্থ প্রথমে কেমন অবস্থায় ছিল?
ক. কঠিন পাথর
খ. তরল ধাতু
গ. বালির কণার চেয়েও ছোট
ঘ. বিশাল গ্যাসপিণ্ড
✔️ সঠিক উত্তর: গ. বালির কণার চেয়েও ছোট
MCQ 3
মহাবিশ্বের প্রসারণ কত বছর আগে শুরু হয়?
ক. ১০০ কোটি বছর
খ. ৫০০ কোটি বছর
গ. ১৪০০ কোটি বছর
ঘ. ২০০০ কোটি বছর
✔️ সঠিক উত্তর: গ. ১৪০০ কোটি বছর
MCQ 4
মহাবিশ্ব সৃষ্টির প্রায় কত বছর পর গ্যাসীয় পদার্থগুলো জমাট বাঁধতে শুরু করে?
ক. ১ লক্ষ বছর
খ. ১০ লক্ষ বছর
গ. ১ কোটি বছর
ঘ. ১০০ কোটি বছর
✔️ সঠিক উত্তর: খ. ১০ লক্ষ বছর
MCQ 5
জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?
ক. Astrology
খ. Astronomy
গ. Cosmology
ঘ. Geology
✔️ সঠিক উত্তর: খ. Astronomy
MCQ 6
নক্ষত্রগুলি আসলে কী?
ক. কঠিন শিলা
খ. জ্বলন্ত গ্যাসীয় পিণ্ড
গ. বরফের টুকরো
ঘ. ধূলিকণার মেঘ
✔️ সঠিক উত্তর: খ. জ্বলন্ত গ্যাসীয় পিণ্ড
MCQ 7
কোন রঙের তারার উষ্ণতা সবচেয়ে কম?
ক. নীল
খ. হলুদ
গ. সাদা
ঘ. লাল
✔️ সঠিক উত্তর: ঘ. লাল
MCQ 8
কোন রঙের তারার উষ্ণতা ও উজ্জ্বলতা সবচেয়ে বেশি?
ক. লাল
খ. হলুদ
গ. সাদা
ঘ. নীল
✔️ সঠিক উত্তর: গ. সাদা
MCQ 9
আমাদের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্রের নাম কী?
ক. ধ্রুবতারা
খ. লুব্ধক
গ. সূর্য
ঘ. প্রক্সিমা সেন্টউরি
✔️ সঠিক উত্তর: গ. সূর্য
MCQ 10
সূর্যের পর আমাদের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র কোনটি?
ক. সপ্তর্ষিমণ্ডল
খ. প্রক্সিমা সেন্টউরি
গ. ক্যাসিওপিয়া
ঘ. কালপুরুষ
✔️ সঠিক উত্তর: খ. প্রক্সিমা সেন্টউরি
MCQ 11
প্রক্সিমা সেন্টউরি পৃথিবী থেকে কত দূরে অবস্থিত?
ক. ১ আলোকবর্ষ
খ. ২.৫ আলোকবর্ষ
গ. ৪.২ আলোকবর্ষ
ঘ. ১০ আলোকবর্ষ
✔️ সঠিক উত্তর: গ. ৪.২ আলোকবর্ষ
MCQ 12
১ আলোকবর্ষ কী?
ক. সূর্যের চারিদিকে একবার ঘুরতে আলোর সময়
খ. আলো ১ বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে
গ. পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব
ঘ. আলোর গতিবেগ
✔️ সঠিক উত্তর: খ. আলো ১ বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে
MCQ 13
আলোর গতিবেগ কত?
ক. ১,০০,০০০ কিমি/সে.
খ. ২,০০,০০০ কিমি/সে.
গ. ৩,০০,০০০ কিমি/সে.
ঘ. ৪,০০,০০০ কিমি/সে.
✔️ সঠিক উত্তর: গ. ৩,০০,০০০ কিমি/সে.
MCQ 14
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে কত সময় লাগে?
ক. ১ মিনিট
খ. ৫ মিনিট ২০ সেকেন্ড
গ. ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড
ঘ. ১৫ মিনিট
✔️ সঠিক উত্তর: গ. ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড
MCQ 15
দিনের বেলা তারা দেখা যায় না কেন?
ক. তারা বিলীন হয়ে যায়
খ. সূর্যের তীব্র আলোয় তারা ঢাকা পড়ে
গ. তারা তখন থাকে না
ঘ. পৃথিবী ঘুরে যায়
✔️ সঠিক উত্তর: খ. সূর্যের তীব্র আলোয় তারা ঢাকা পড়ে
MCQ 16
তারা মিটমিট করে কেন?
ক. তারার নিজস্ব আলো কম-বেশি হয়
খ. বায়ুমণ্ডলে আলো কেঁপে যায়
গ. মেঘের কারণে
ঘ. চাঁদের প্রভাবে
✔️ সঠিক উত্তর: খ. বায়ুমণ্ডলে আলো কেঁপে যায়
MCQ 17
খালি চোখে রাতের আকাশে প্রায় কতগুলো তারা দেখা যায়?
ক. ১,০০০
খ. ৩,০০০
গ. ৬,০০০
ঘ. ১২,০০০
✔️ সঠিক উত্তর: গ. ৬,০০০
MCQ 18
কাছাকাছি থাকা তারাগুচ্ছের কাল্পনিক আকৃতিকে কী বলে?
ক. ছায়াপথ
খ. নক্ষত্রমণ্ডল
গ. নীহারিকা
ঘ. সৌরজগৎ
✔️ সঠিক উত্তর: খ. নক্ষত্রমণ্ডল
MCQ 19
অনেক তারা একসঙ্গে মিলে কী গঠন করে?
ক. নীহারিকা
খ. ছায়াপথ
গ. নক্ষত্রমণ্ডল
ঘ. সৌরজগৎ
✔️ সঠিক উত্তর: গ. নক্ষত্রমণ্ডল
MCQ 20
ইংরেজি M অক্ষরের মতো দেখতে নক্ষত্রমণ্ডলটির নাম কী?
ক. সপ্তর্ষিমণ্ডল
খ. ক্যাসিওপিয়া
গ. কালপুরুষ
ঘ. বৃহৎকায়
✔️ সঠিক উত্তর: খ. ক্যাসিওপিয়া
MCQ 21
উত্তর আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র কোনটি?
ক. লুব্ধক
খ. ধ্রুবতারা
গ. প্রক্সিমা
ঘ. সিরিয়াস
✔️ সঠিক উত্তর: খ. ধ্রুবতারা
MCQ 22
প্রাচীনকালে নাবিকরা কোন তারা দেখে উত্তর দিক ঠিক করত?
ক. সপ্তর্ষিমণ্ডল
খ. ক্যাসিওপিয়া
গ. ধ্রুবতারা
ঘ. কালপুরুষ
✔️ সঠিক উত্তর: গ. ধ্রুবতারা
MCQ 23
সপ্তর্ষিমণ্ডল কাকে বলে?
ক. সাতটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের সমষ্টি
খ. সাতটি গ্রহ
গ. সাতটি উপগ্রহ
ঘ. সাতটি ছায়াপথ
✔️ সঠিক উত্তর: ক. সাতটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের সমষ্টি
MCQ 24
সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ কোনটি?
ক. শুক্র
খ. বুধ
গ. পৃথিবী
ঘ. মঙ্গল
✔️ সঠিক উত্তর: খ. বুধ
MCQ 25
কোন গ্রহকে সন্ধ্যাতারা বলা হয়?
ক. বুধ
খ. শুক্র
গ. মঙ্গল
ঘ. বৃহস্পতি
✔️ সঠিক উত্তর: খ. শুক্র
MCQ 26
সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ কোনটি?
ক. বুধ
খ. শুক্র
গ. পৃথিবী
ঘ. মঙ্গল
✔️ সঠিক উত্তর: খ. শুক্র
MCQ 27
কোন গ্রহের গায়ে প্রচুর কার্বন ডাইঅক্সাইড থাকায় উষ্ণতা এত বেশি?
ক. মঙ্গল
খ. বৃহস্পতি
গ. শুক্র
ঘ. শনি
✔️ সঠিক উত্তর: গ. শুক্র
MCQ 28
মহাকাশ থেকে দেখলে পৃথিবীকে কেমন দেখায়?
ক. লাল গ্রহ
খ. নীল গ্রহ
গ. সবুজ গ্রহ
ঘ. ধূসর গ্রহ
✔️ সঠিক উত্তর: খ. নীল গ্রহ
MCQ 29
সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ কোনটি?
ক. শনি
খ. ইউরেনাস
গ. বৃহস্পতি
ঘ. নেপচুন
✔️ সঠিক উত্তর: গ. বৃহস্পতি
MCQ 30
কোন গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়?
ক. বুধ
খ. শুক্র
গ. মঙ্গল
ঘ. বৃহস্পতি
✔️ সঠিক উত্তর: গ. মঙ্গল
MCQ 31
মঙ্গল গ্রহ লাল দেখায় কেন?
ক. লাল পাথরের জন্য
খ. মাটিতে ফেরাস অক্সাইড (লোহা) থাকায়
গ. লাল গ্যাসের জন্য
ঘ. সূর্যের আলোর প্রতিফলনে
✔️ সঠিক উত্তর: খ. মাটিতে ফেরাস অক্সাইড (লোহা) থাকায়
MCQ 32
কোন গ্রহের উজ্জ্বল বলয় আছে?
ক. বৃহস্পতি
খ. শনি
গ. ইউরেনাস
ঘ. নেপচুন
✔️ সঠিক উত্তর: খ. শনি
MCQ 33
শনির কয়টি বলয় দেখা যায়?
ক. ৩টি
খ. ৫টি
গ. ৭টি
ঘ. ৯টি
✔️ সঠিক উত্তর: গ. ৭টি
MCQ 34
কোন গ্রহের ঘনত্ব জলের চেয়েও কম?
ক. বৃহস্পতি
খ. শনি
গ. ইউরেনাস
ঘ. নেপচুন
✔️ সঠিক উত্তর: খ. শনি
MCQ 35
সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ কোনটি?
ক. নেপচুন
খ. ইউরেনাস
গ. শনি
ঘ. প্লুটো
✔️ সঠিক উত্তর: খ. ইউরেনাস
MCQ 36
ইউরেনাস গ্রহের রং কেমন?
ক. লাল
খ. নীল
গ. সবুজ
ঘ. সাদা
✔️ সঠিক উত্তর: গ. সবুজ
MCQ 37
নেপচুন গ্রহের রং কেমন?
ক. লাল
খ. সবুজ
গ. হলুদ
ঘ. নীল
✔️ সঠিক উত্তর: ঘ. নীল
MCQ 38
প্লুটোকে কী বলে?
ক. নবম গ্রহ
খ. তারা
গ. বামন গ্রহ
ঘ. উপগ্রহ
✔️ সঠিক উত্তর: গ. বামন গ্রহ
MCQ 39
কোন সালে প্লুটোকে বামন গ্রহ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়?
ক. ১৯৯৬
খ. ২০০০
গ. ২০০৬
ঘ. ২০১০
✔️ সঠিক উত্তর: গ. ২০০৬
MCQ 40
পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কত?
ক. ২ লক্ষ কিমি
খ. ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিমি
গ. ৫ লক্ষ কিমি
ঘ. ১০ লক্ষ কিমি
✔️ সঠিক উত্তর: খ. ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিমি
MCQ 41
প্রথম মহাকাশচারীর নাম কী?
ক. নীল আর্মস্ট্রং
খ. ইউরি গ্যাগারিন
গ. রাকেশ শর্মা
ঘ. এডুইন অলড্রিন
✔️ সঠিক উত্তর: খ. ইউরি গ্যাগারিন
MCQ 42
প্রথম মহাকাশে যাওয়া প্রাণী কী ছিল?
ক. বিড়াল
খ. বানর
গ. কুকুর লাইকা
ঘ. খরগোশ
✔️ সঠিক উত্তর: গ. কুকুর লাইকা
✏️
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ)
30 টি
🔹 মহাবিশ্ব কাকে বলে?
সীমাহীন মহাবিশ্বের মধ্যে সকল বস্তু, গ্যালাক্সি, নক্ষত্র, গ্রহ, উপগ্রহ, ধূমকেতু ইত্যাদি অবস্থান করে। এর বিস্তৃতি মানুষের কল্পনার বাইরে।
🔹 নীহারিকা কী?
মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময় যে অসংখ্য ধূলিকণা ও গ্যাসের মহাজাগতিক মেঘ তৈরি হয় তাকে নীহারিকা (Nebula) বলে। এ থেকেই নক্ষত্রের জন্ম হয়।
🔹 জ্যোতির্বিজ্ঞান কাকে বলে?
বিজ্ঞানের যে শাখায় চাঁদ, সূর্য, তারা, ছায়াপথ, ধূমকেতু, উল্কা প্রভৃতি পর্যবেক্ষণ করে এদের সম্পর্কে জানার চেষ্টা করা হয় তাকে জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy) বলে।
🔹 নক্ষত্র কাকে বলে?
যে জ্বলন্ত গ্যাসীয় পিণ্ডের নিজস্ব আলো ও উত্তাপ আছে তাকে নক্ষত্র (Star) বলে। সূর্য একটি নক্ষত্র।
🔹 সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সময় লাগে?
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। আলোর গতিবেগ ৩,০০,০০০ কিমি/সেকেন্ড।
🔹 আলোকবর্ষ কাকে বলে?
আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ (Light Year) বলে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের দূরত্ব মাপতে এই একক ব্যবহার করেন।
🔹 দিনের বেলা তারা দেখা যায় না কেন?
দিনের বেলা সূর্যের তীব্র আলোর কারণে অন্যান্য তারার আলো আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। তাই দিনের বেলা তারা দেখা যায় না।
🔹 তারা মিটমিট করে কেন?
তারার আলো যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে আসে তখন বায়ুস্তরে কেঁপে যায়, ফলে পৃথিবী থেকে দেখলে তারা মিটমিট করছে বলে মনে হয়।
🔹 ধ্রুবতারা কী? এটি কোথায় দেখা যায়?
ধ্রুবতারা উত্তর আকাশের একটি উজ্জ্বল তারা। প্রাচীনকালে নাবিকরা ধ্রুবতারা দেখে উত্তর দিক ঠিক করতেন।
🔹 নক্ষত্রমণ্ডল কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
কাছাকাছি থাকা তারাগুচ্ছকে কাল্পনিকভাবে যুক্ত করে যে আকৃতি তৈরি হয় তাকে নক্ষত্রমণ্ডল বলে। যেমন — সপ্তর্ষিমণ্ডল, ক্যাসিওপিয়া, কালপুরুষ।
🔹 সপ্তর্ষিমণ্ডল কী?
উত্তর আকাশে সাতটি উজ্জ্বল তারার সমষ্টিকে সপ্তর্ষিমণ্ডল বলে। এটি দেখতে অনেকটা প্রশ্নবোধক চিহ্নের মতো।
🔹 ক্যাসিওপিয়া নক্ষত্রমণ্ডল কেমন দেখতে?
ক্যাসিওপিয়া নক্ষত্রমণ্ডল দেখতে ইংরেজি M অক্ষরের মতো। এটি আকাশের অন্যদিকে অবস্থিত।
🔹 কালপুরুষ কী?
কালপুরুষ একটি সুন্দর নক্ষত্রপুঞ্জ। পুরাণকথায় একে সাহসী শিকারি বলে কল্পনা করা হয়েছে।
🔹 ছায়াপথ কাকে বলে?
লক্ষ লক্ষ তারার সমষ্টিকে ছায়াপথ (Galaxy) বলে। আমাদের সূর্য আকাশগঙ্গা নামক ছায়াপথের একটি নক্ষত্র।
🔹 টেলিস্কোপ কাকে বলে?
আকাশ দেখার জন্য কাচ লাগানো যে বিশাল যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে টেলিস্কোপ (দূরবিন) বলে।
🔹 মানমন্দির কাকে বলে?
টেলিস্কোপ স্থাপনের জন্য যে বিরাট গোলাকার গম্বুজ তৈরি করা হয় তাকে মানমন্দির (Observatory) বলে।
🔹 গ্রহ কাকে বলে?
যে জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো ও উত্তাপ নেই, নক্ষত্রের আলোয় আলোকিত হয় এবং নক্ষত্রের চারিদিকে ঘোরে তাকে গ্রহ (Planet) বলে।
🔹 অন্তস্থ গ্রহ কয়টি ও কী কী?
অন্তস্থ গ্রহ ৪টি — বুধ, শুক্র, পৃথিবী ও মঙ্গল। এরা সূর্যের কাছাকাছি অবস্থিত।
🔹 বহিঃস্থ গ্রহ কয়টি ও কী কী?
বহিঃস্থ গ্রহ ৪টি — বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন। এরা সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।
🔹 শুক্র গ্রহকে সন্ধ্যাতারা বলা হয় কেন?
সূর্যাস্তের পর পশ্চিম আকাশে শুক্র গ্রহ অত্যন্ত উজ্জ্বলভাবে দেখা যায়। তাই একে সন্ধ্যাতারা বলে।
🔹 পৃথিবীকে নীল গ্রহ বলা হয় কেন?
মহাকাশ থেকে দেখলে পৃথিবী নীল রঙের দেখায় কারণ পৃথিবীর ৭১% জলভাগ রয়েছে। তাই একে নীল গ্রহ বলা হয়।
🔹 মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয় কেন?
মঙ্গল গ্রহের মাটিতে প্রচুর ফেরাস অক্সাইড (লোহা) থাকায় একে লাল দেখায়। তাই একে লালগ্রহ বলা হয়।
🔹 শনি গ্রহের বলয় কী দিয়ে তৈরি?
শনি গ্রহের বলয় ধূলিকণা, বরফ ও পাথরের টুকরো দিয়ে তৈরি। এর মোট ৭টি উজ্জ্বল বলয় আছে।
🔹 বামন গ্রহ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
যে গ্রহের নিজস্ব কক্ষপথে অন্য মহাজাগতিক বস্তু এলে সরিয়ে দিতে পারে না তাদের বামন গ্রহ বলে। প্লুটো একটি বামন গ্রহ।
🔹 উপগ্রহ কাকে বলে?
যে জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো ও উত্তাপ ছাড়াই গ্রহের আকর্ষণে গ্রহের চারিদিকে ঘোরে তাকে উপগ্রহ (Satellite) বলে। চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।
🔹 চন্দ্রকলা কাকে বলে?
অমাবস্যা থেকে পূর্ণিমা ও পূর্ণিমা থেকে অমাবস্যায় চাঁদের আলোকিত অংশের বাড়া-কমাকে চন্দ্রকলা বলে।
🔹 ধূমকেতু কাকে বলে?
বাঁটার মতো লেজবিশিষ্ট উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু (Comet) বলে। সূর্যের কাছে এলে এর ধুলো ও গ্যাস জ্বলে লেজ তৈরি হয়।
🔹 উল্কা কাকে বলে?
মহাকাশে ছড়ানো ধূমকেতু বা গ্রহাণুর ভাঙা টুকরো যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে এসে জ্বলে ওঠে তাকে উল্কা (Meteor) বা তারা খসা বলে।
🔹 রকেট কীভাবে মহাকাশে যায়?
রকেটের জ্বালানি পুড়ে যে গ্যাসের প্রবল ধাক্কা তৈরি হয় তাতেই রকেট পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ ছাড়িয়ে ওপরে উঠে মহাকাশে যায়।
🔹 ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নাম কী?
ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নাম আর্যভট্ট। এটি ISRO-র মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয়।
📚
রচনাধর্মী প্রশ্ন (Broad Questions)
5 টি
📌 সৌরজগৎ কাকে বলে? সৌরজগতের গ্রহগুলির বৈশিষ্ট্যসহ বর্ণনা দাও।
সৌরজগৎ: সূর্য এবং তার চারিদিকে ঘূর্ণায়মান গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু, ধূমকেতু ইত্যাদির সমষ্টিকে সৌরজগৎ (Solar System) বলে।
পৃথিবীর প্রায় সমান মাপ; সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ (৪৬৫°সে.); পরিক্রমণ ২২৫ দিন; একে সন্ধ্যাতারা বলে
পৃথিবী
একমাত্র গ্রহ যেখানে প্রাণের অস্তিত্ব আছে; গড় তাপমাত্রা ১৫°সে.; নীল গ্রহ; পরিক্রমণ ৩৬৫ দিন
মঙ্গল
লাল গ্রহ; মাটিতে ফেরাস অক্সাইড থাকায় লাল; এখানে একসময় জল ছিল; পরিক্রমণ ৬৮৭ দিন
বৃহস্পতি
সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ; তাপমাত্রা -১৫০°সে.; পরিক্রমণ ১২ বছর
শনি
৭টি উজ্জ্বল বলয় আছে; ঘনত্ব জলের চেয়েও কম; পরিক্রমণ ২৯ বছর ৬ মাস
ইউরেনাস
রং সবুজ; সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ (-২১৬°সে.); পরিক্রমণ ৮৪ বছর
নেপচুন
রং নীল; সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে (৪৪৯.৭ কোটি কিমি); পরিক্রমণ ১৬৫ বছর
📌 নক্ষত্র ও গ্রহের মধ্যে পার্থক্যগুলি লেখো।
বিষয়
নক্ষত্র
গ্রহ
নিজস্ব আলো
নিজস্ব আলো আছে
নিজস্ব আলো নেই
উত্তাপ
নিজস্ব উত্তাপ আছে
নিজস্ব উত্তাপ নেই
গঠন
জ্বলন্ত গ্যাসীয় পিণ্ড
কঠিন বা গ্যাসীয় বস্তু
আকার
অনেক বড়
নক্ষত্রের তুলনায় ছোট
অবস্থান
স্থির অবস্থায় থাকে
নক্ষত্রের চারিদিকে ঘোরে
মিটমিট করা
মিটমিট করে
মিটমিট করে না
উদাহরণ
সূর্য, প্রক্সিমা সেন্টউরি
পৃথিবী, মঙ্গল, শুক্র
📌 চাঁদ সম্পর্কে যা জানো লেখো। চাঁদে মানুষের অভিযানের বর্ণনা দাও।
চাঁদ: চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিমি। চাঁদের আয়তন পৃথিবীর ১/৪ ভাগ। চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর ১/৬ ভাগ। তাই চাঁদে মানুষ পৃথিবীর তুলনায় ৬ গুণ বেশি লাফাতে পারে। চাঁদ তার আবর্তন ও পরিক্রমণ শেষ করে প্রায় একই সময়ে (২৭ দিন ৮ ঘণ্টা)। তাই পৃথিবী থেকে চাঁদের একটাই দিক দেখা যায়।
চাঁদে অভিযান: ১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই আমেরিকার অ্যাপোলো-১১ মহাকাশযান উড়ে যায়। ২০ জুলাই নীল আর্মস্ট্রং প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদে পা রাখেন। এডুইন অলড্রিনও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। মহাকাশযানের কলম্বিয়া অংশে মহাকাশচারীরা ছিলেন, আর ঈগল অংশ চাঁদে নামে।
📌 মহাকাশ গবেষণায় ভারতের অবদান সম্পর্কে আলোচনা করো।
মহাকাশ গবেষণায় ভারত:
ISRO: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র (Indian Space Research Organisation) মহাকাশ গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
প্রথম উপগ্রহ: ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ আর্যভট্ট। এছাড়াও INSAT, IRS সিরিজের উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।
প্রথম মহাকাশচারী: ১৯৮৪ সালে রাকেশ শর্মা ভারতের প্রথম মহাকাশচারী হিসেবে মহাকাশে যান।
চন্দ্রযান-১: ২০০৮ সালে ভারতের প্রথম চন্দ্রযান চাঁদে অবতরণ করে।
মহিলা মহাকাশচারী: কল্পনা চাওলা (১৯৯৭) প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে মহাকাশে যান। সুনীতা উইলিয়ামস দ্বিতীয় ভারতীয় মহিলা মহাকাশচারী।
📌 মহাকাশ ভ্রমণের প্রয়োজনীয় উপকরণ ও পোশাকের বর্ণনা দাও। কেন রকেট ছাড়া মহাকাশে যাওয়া যায় না?
মহাকাশ ভ্রমণের প্রয়োজনীয় উপকরণ:
রকেট: পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ছাড়িয়ে মহাকাশে যাওয়ার জন্য রকেট প্রয়োজন। রকেটের জ্বালানি পুড়ে যে গ্যাসের প্রবল ধাক্কা তৈরি হয়, তা রকেটকে ওপরে তুলতে সাহায্য করে।
স্পেস শাটল: রকেট দিয়ে যাওয়া গেলেও ফিরে আসা যায় না। স্পেস শাটল বা মহাকাশ বিমান ব্যবহার করে মহাকাশ থেকে নিরাপদে পৃথিবীতে ফেরা যায়।
স্পেস সুট: মহাকাশে বাতাস নেই। স্পেস সুটে বাতাস ভরা থাকে যা মহাকাশচারীকে শ্বাস নিতে সাহায্য করে এবং মহাকাশের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
রকেট ছাড়া মহাকাশে যাওয়া যায় না কেন: পৃথিবীর প্রবল মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে অতিক্রম করতে গেলে প্রচণ্ড গতি ও ক্ষমতার প্রয়োজন। রকেটের জ্বালানি পুড়ে যে বিপুল পরিমাণ গ্যাস নির্গত হয়, তা থেকে যে ধাক্কা (Thrust) পাওয়া যায়, সেই বলেই পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ কাটিয়ে মহাকাশে পৌঁছানো সম্ভব হয়।
Sponsored Links
Class 6 Geography Chapter 1: আকাশ ভরা সূর্য তারা
আকাশ ভরা সূর্য তারা অধ্যায়ে মহাবিশ্বের সৃষ্টি, নীহারিকা, নক্ষত্র ও নক্ষত্রমণ্ডল, সৌরজগৎ, গ্রহ-উপগ্রহ, ধূমকেতু, উল্কা এবং মহাকাশ অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। Class 6 Geography বইয়ের এই প্রথম অধ্যায় শিক্ষার্থীদের মহাবিশ্বের প্রাথমিক ধারণা দেয়।
মহাবিশ্ব সৃষ্টি ও নীহারিকা
নক্ষত্র ও নক্ষত্রমণ্ডল
সৌরজগৎ ও গ্রহসমূহ
মহাকাশ অভিযান ও ভারতের অবদান
Frequently Asked Questions (আকাশ ভরা সূর্য তারা)
এই অধ্যায়ে মহাবিশ্ব, নক্ষত্র, নক্ষত্রমণ্ডল, সৌরজগৎ, গ্রহ-উপগ্রহ, ধূমকেতু, উল্কা এবং মহাকাশ গবেষণা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দেওয়া হয়েছে।
এই পৃষ্ঠায় ৪০টির বেশি MCQ প্রশ্ন, ৩০টি SAQ এবং ৫টির বেশি রচনাধর্মী প্রশ্ন দেওয়া আছে। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরসহ দেওয়া হয়েছে।
হ্যাঁ, সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সর্বশেষ সিলেবাস (২০২৬) অনুযায়ী তৈরি।