অধ্যায় ৮: বায়ুদূষণ প্রশ্ন ও উত্তর

WBBSE Class 6 Geography Chapter 8 - সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর, MCQs, সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, রচনাধর্মী প্রশ্ন এবং PDF নোট।

Sabina Yeasmin
Sabina Yeasmin
Uploaded: 11 February 2026 Last Update: 02 June 2026
🏭 অধ্যায় ৮

বায়ুদূষণ

বায়ুদূষণের কারণ • অ্যাসিড বৃষ্টি • বিশ্ব উষ্ণায়ন • ওজোন স্তর • গ্রিনহাউস প্রভাব • প্রতিকার

📝

বহুবিকল্পধর্মী প্রশ্ন (MCQ)

42 টি
MCQ 1
বায়ুদূষণ কী?
ক. বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়া
খ. বাতাসে ক্ষতিকর পদার্থ মেশা
গ. বাতাসের গতি বাড়া
ঘ. বাতাসের চাপ কমা
✔️ খ. বাতাসে ক্ষতিকর পদার্থ মেশা
MCQ 2
বায়ুদূষণের প্রধান কারণ কী?
ক. বৃষ্টিপাত
খ. যানবাহনের ধোঁয়া
গ. সূর্যের আলো
ঘ. বাতাসের চাপ
✔️ খ. যানবাহনের ধোঁয়া
MCQ 3
কোন গ্যাসটি বায়ুদূষণের জন্য দায়ী?
ক. অক্সিজেন
খ. নাইট্রোজেন
গ. কার্বন মনোক্সাইড
ঘ. হাইড্রোজেন
✔️ গ. কার্বন মনোক্সাইড
MCQ 4
যানবাহন থেকে নির্গত কোন ধাতু বায়ু দূষিত করে?
ক. লোহা
খ. তামা
গ. সোনা
ঘ. সিসা
✔️ ঘ. সিসা
MCQ 5
কোন গ্যাস অ্যাসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী?
ক. অক্সিজেন
খ. সালফার ডাইঅক্সাইড
গ. নাইট্রোজেন
ঘ. হাইড্রোজেন
✔️ খ. সালফার ডাইঅক্সাইড
MCQ 6
অ্যাসিড বৃষ্টির ফলে কী ক্ষতি হয়?
ক. গাছপালা ভালো হয়
খ. মাছ ও জলজ প্রাণী মারা যায়
গ. মাটির উর্বরতা বাড়ে
ঘ. ফসল ভালো হয়
✔️ খ. মাছ ও জলজ প্রাণী মারা যায়
MCQ 7
CFC-এর পূর্ণরূপ কী?
ক. কার্বন ফ্লোরো কার্বন
খ. ক্লোরোফ্লোরোকার্বন
গ. ক্যালসিয়াম ফ্লোরো কার্বন
ঘ. ক্রোমিয়াম ফ্লোরো কার্বন
✔️ খ. ক্লোরোফ্লোরোকার্বন
MCQ 8
CFC গ্যাস কোন স্তরের ক্ষতি করে?
ক. ট্রপোস্ফিয়ার
খ. ওজোন স্তর
গ. মেসোস্ফিয়ার
ঘ. এক্সোস্ফিয়ার
✔️ খ. ওজোন স্তর
MCQ 9
ওজোন স্তর ক্ষয়ে কী ক্ষতি হয়?
ক. বেশি বৃষ্টি হয়
খ. অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে পৌঁছায়
গ. তাপমাত্রা কমে
ঘ. বাতাসের চাপ বাড়ে
✔️ খ. অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে পৌঁছায়
MCQ 10
অতিবেগুনি রশ্মির ফলে মানুষের কী রোগ হতে পারে?
ক. জ্বর
খ. ত্বকের ক্যানসার
গ. সর্দি
ঘ. মাথাব্যথা
✔️ খ. ত্বকের ক্যানসার
MCQ 11
বিশ্ব উষ্ণায়নের ইংরেজি নাম কী?
ক. Global Cooling
খ. Global Warming
গ. Acid Rain
ঘ. Ozone Hole
✔️ খ. Global Warming
MCQ 12
গ্রিনহাউস প্রভাবের জন্য কোন গ্যাস দায়ী?
ক. অক্সিজেন
খ. নাইট্রোজেন
গ. কার্বন ডাইঅক্সাইড
ঘ. হাইড্রোজেন
✔️ গ. কার্বন ডাইঅক্সাইড
MCQ 13
কোনটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয়?
ক. CO₂
খ. মিথেন
গ. অক্সিজেন
ঘ. CFC
✔️ গ. অক্সিজেন
MCQ 14
বায়ুদূষণের ফলে শিশুদের কী সমস্যা হয়?
ক. লম্বা হয়
খ. শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসের রোগ
গ. ওজন বাড়ে
ঘ. চোখ ভালো হয়
✔️ খ. শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসের রোগ
MCQ 15
ঘরের ভিতরের বায়ু কীভাবে দূষিত হয়?
ক. ফুলের ঘ্রাণে
খ. রান্নার ধোঁয়া ও ধূমপানে
গ. পাখা চলালে
ঘ. জানালা খুললে
✔️ খ. রান্নার ধোঁয়া ও ধূমপানে
MCQ 16
ধূমপান করলে কী ধরনের রোগ হতে পারে?
ক. ডায়াবেটিস
খ. ক্যানসার ও হৃদরোগ
গ. জ্বর
ঘ. অ্যালার্জি
✔️ খ. ক্যানসার ও হৃদরোগ
MCQ 17
বায়ুদূষণ রোধে কোন যানবাহন ভালো?
ক. ডিজেল গাড়ি
খ. পেট্রোল গাড়ি
গ. সাইকেল ও ইলেকট্রিক গাড়ি
ঘ. পুরনো বাস
✔️ গ. সাইকেল ও ইলেকট্রিক গাড়ি
MCQ 18
Earth Hour কবে পালিত হয়?
ক. ২২ এপ্রিল
খ. ৫ জুন
গ. ৩১ মার্চ
ঘ. ১৬ সেপ্টেম্বর
✔️ গ. ৩১ মার্চ
MCQ 19
প্রথম Earth Hour কোথায় পালিত হয়েছিল?
ক. নিউইয়র্ক
খ. লন্ডন
গ. সিডনি
ঘ. টোকিও
✔️ গ. সিডনি
MCQ 20
বায়ুদূষণ কমাতে গাছপালার ভূমিকা কী?
ক. কোনো ভূমিকা নেই
খ. কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে
গ. অক্সিজেন শোষণ করে
ঘ. ধোঁয়া সৃষ্টি করে
✔️ খ. কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে
MCQ 21
তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে কোন গ্যাস নির্গত হয়?
ক. অক্সিজেন
খ. নাইট্রোজেন
গ. সালফার ডাইঅক্সাইড
ঘ. হাইড্রোজেন
✔️ গ. সালফার ডাইঅক্সাইড
MCQ 22
চাষের জমি থেকে কীভাবে বায়ুদূষণ হয়?
ক. ফসল কাটলে
খ. কীটনাশকের গুঁড়ো ও খড়কুটা পোড়ালে
গ. বৃষ্টি হলে
ঘ. সেচ দিলে
✔️ খ. কীটনাশকের গুঁড়ো ও খড়কুটা পোড়ালে
MCQ 23
পাঁচটি বড় শহরে প্রতিদিন কত ধোঁয়া বাতাসে মেশে?
ক. ১ লক্ষ কিলোগ্রাম
খ. ৫ লক্ষ কিলোগ্রাম
গ. ১০ লক্ষ কিলোগ্রাম
ঘ. ২০ লক্ষ কিলোগ্রাম
✔️ গ. ১০ লক্ষ কিলোগ্রাম
MCQ 24
সুপারসনিক জেট বিমান কী নির্গত করে?
ক. অক্সিজেন
খ. নাইট্রোজেন অক্সাইড
গ. জলীয় বাষ্প
ঘ. হাইড্রোজেন
✔️ খ. নাইট্রোজেন অক্সাইড
MCQ 25
তাজমহলের ক্ষতি হয় কীভাবে?
ক. বৃষ্টিতে
খ. অ্যাসিড বৃষ্টিতে
গ. রোদে
ঘ. বাতাসে
✔️ খ. অ্যাসিড বৃষ্টিতে
MCQ 26
বায়ুদূষণ রোধে শিল্প-কারখানা কোথায় স্থাপন করা উচিত?
ক. লোকালয়ের কাছে
খ. লোকালয় থেকে দূরে
গ. শহরের মাঝে
ঘ. নদীর ধারে
✔️ খ. লোকালয় থেকে দূরে
MCQ 27
কোন শক্তি বায়ুদূষণ কমায়?
ক. কয়লা বিদ্যুৎ
খ. ডিজেল
গ. সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তি
ঘ. পেট্রোল
✔️ গ. সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তি
MCQ 28
পারমাণবিক দুর্ঘটনা কী ধরনের দূষণ ঘটায়?
ক. শব্দদূষণ
খ. তেজস্ক্রিয় বায়ুদূষণ
গ. জলদূষণ
ঘ. মৃত্তিকা দূষণ
✔️ খ. তেজস্ক্রিয় বায়ুদূষণ
MCQ 29
জাপানের ফুকুশিমা দুর্ঘটনা কবে হয়েছিল?
ক. ২০০১
খ. ২০০৫
গ. ২০১১
ঘ. ২০১৫
✔️ গ. ২০১১
MCQ 30
অ্যাসিড বৃষ্টির ফলে মাটির কী ক্ষতি হয়?
ক. উর্বরতা বাড়ে
খ. গুণাগুণ নষ্ট হয়
গ. রং বদলায়
ঘ. কিছু হয় না
✔️ খ. গুণাগুণ নষ্ট হয়
MCQ 31
রঙের গন্ধ থেকে কী হতে পারে?
ক. ভালো লাগে
খ. শ্বাসকষ্ট ও মাথা ঘোরা
গ. জ্বর
ঘ. ক্ষুধা
✔️ খ. শ্বাসকষ্ট ও মাথা ঘোরা
MCQ 32
ছোট শিশুরা বায়ুদূষণে বেশি ভোগে কেন?
ক. তারা বেশি খেলে
খ. মাটির কাছাকাছি দূষণের পরিমাণ বেশি বলে
গ. তারা কম ঘুমায় বলে
ঘ. তাদের ওজন কম বলে
✔️ খ. মাটির কাছাকাছি দূষণের পরিমাণ বেশি বলে
MCQ 33
গণপরিবহণ ব্যবহার করলে কী সুবিধা?
ক. সময় নষ্ট হয়
খ. বায়ুদূষণ কম হয়
গ. বেশি টাকা লাগে
ঘ. অসুবিধা হয়
✔️ খ. বায়ুদূষণ কম হয়
MCQ 34
একটা বাসের বদলে রাস্তায় কতটা প্রাইভেট গাড়ি চললে বাতাস বেশি দূষিত হয়?
ক. ১০টা
খ. ৩০টা
গ. ৫০টা
ঘ. ৮০টা
✔️ ঘ. ৮০টা
MCQ 35
ঘরের ভিতর আবর্জনা রাখার পাত্র কেমন হওয়া উচিত?
ক. সবসময় খোলা
খ. ঢাকা দেওয়া
গ. ভাঙা
ঘ. রঙিন
✔️ খ. ঢাকা দেওয়া
MCQ 36
মশা তাড়াতে কী ব্যবহার করলে বায়ুদূষণ হবে না?
ক. কয়েল
খ. স্প্রে
গ. মশারি
ঘ. ধূপ
✔️ গ. মশারি
MCQ 37
আলো বা পাখা অপ্রয়োজনে জ্বালিয়ে রাখলে কী হয়?
ক. বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়
খ. পরোক্ষ বায়ুদূষণ হয়
গ. কিছু হয় না
ঘ. ঘর ঠান্ডা হয়
✔️ খ. পরোক্ষ বায়ুদূষণ হয়
MCQ 38
এসি ও ফ্রিজ থেকে নির্গত গ্যাসের নাম কী?
ক. অক্সিজেন
খ. CFC
গ. নাইট্রোজেন
ঘ. CO₂
✔️ খ. CFC
MCQ 39
বায়ুদূষণ রোধে কোনটি জরুরি?
ক. গাছ কাটা
খ. বৃক্ষরোপণ
গ. প্লাস্টিক পোড়ানো
ঘ. বেশি গাড়ি চালানো
✔️ খ. বৃক্ষরোপণ
MCQ 40
নাইট্রোজেন অক্সাইডের উৎস কী?
ক. গাছপালা
খ. যানবাহন ও কলকারখানা
গ. বৃষ্টি
ঘ. সমুদ্র
✔️ খ. যানবাহন ও কলকারখানা
MCQ 41
সিসা বাতাসে মিশলে কী ক্ষতি হয়?
ক. গাছ বড় হয়
খ. স্নায়ুতন্ত্রের রোগ
গ. ত্বক ভালো হয়
ঘ. চুল বাড়ে
✔️ খ. স্নায়ুতন্ত্রের রোগ
MCQ 42
কাঠ, কয়লা, ঘুঁটে পোড়ানোয় কোন গ্যাস তৈরি হয়?
ক. অক্সিজেন
খ. কার্বন মনোক্সাইড
গ. নাইট্রোজেন
ঘ. হাইড্রোজেন
✔️ খ. কার্বন মনোক্সাইড
✏️

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ)

30 টি
⚠️ বায়ুদূষণ কাকে বলে?
বিভিন্ন বিষাক্ত গ্যাস, রাসায়নিক পদার্থ, যানবাহনের ধোঁয়া, ধুলিকণা ও তেজস্ক্রিয় পদার্থ যখন বাতাসে মিশে বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক গুণাগুণ নষ্ট করে, তখন তাকে বায়ুদূষণ (Air Pollution) বলে।
⚠️ বায়ুদূষণের প্রধান কারণগুলো কী কী?
প্রধান কারণগুলো হলো — (১) যানবাহনের ধোঁয়া, (২) কলকারখানা ও শিল্পকেন্দ্র, (৩) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, (৪) কৃষিকাজে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক, (৫) জ্বালানি পোড়ানো (কাঠ, কয়লা, ঘুঁটে), (৬) পারমাণবিক দুর্ঘটনা।
⚠️ যানবাহন কীভাবে বায়ুদূষণ করে?
বাস, লরি, প্রাইভেট গাড়ি, জাহাজ, এরোপ্লেন ইত্যাদিতে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাসোলিন পোড়ানো হয়। এতে কার্বন মনোক্সাইড, সিসা, ধোঁয়া ও অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাস বাতাসে মিশে দূষণ সৃষ্টি করে।
⚠️ কলকারখানা থেকে কী কী দূষক নির্গত হয়?
কলকারখানা থেকে কার্বনের গুঁড়ো, ধোঁয়া, ধুলিকণা, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂), নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) ইত্যাদি ক্ষতিকর গ্যাস নির্গত হয়ে বায়ুদূষণ ঘটায়।
⚠️ কৃষিকাজ কীভাবে বায়ুদূষণ ঘটায়?
চাষের জমি থেকে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের গুঁড়ো, শস্যের আবর্জনা, খড়কুটা পোড়ানোর ছাই ও ধুলিকণা বাতাসে মিশে বায়ুদূষণ সৃষ্টি করে।
⚠️ ঘরের ভিতরের বায়ু কী কীভাবে দূষিত হয়?
(১) রান্নার জন্য কাঠ, কয়লা, গ্যাস পোড়ানোর ধোঁয়া, (২) ধূমপান, (৩) মশা তাড়ানোর কয়েলের ধোঁয়া, (৪) রং-এর গন্ধ, (৫) ঘর পরিষ্কারের রাসায়নিক দ্রব্য থেকে ঘরের ভিতরের বাতাস দূষিত হয়।
⚠️ ধূমপানের ফলে কী কী ক্ষতি হয়?
ধূমপানের ফলে হৃদরোগ, ফুসফুসের সমস্যা, শ্বাসকষ্ট ও ক্যানসার হতে পারে। শুধু ধূমপায়ী নয়, পাশের মানুষও পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়ে একই রকম ক্ষতির মুখে পড়েন।
⚠️ ওজোন স্তর কী? এটি কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে?
ওজোন স্তর বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত একটি গ্যাসের স্তর যা সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে। ফ্রিজ, এসি, স্প্রে ও রং থেকে নির্গত CFC গ্যাস এবং সুপারসনিক জেট বিমানের নাইট্রোজেন অক্সাইড ওজোন স্তরকে ক্ষয় করছে।
⚠️ ওজোন স্তর ক্ষয়ের ফলে কী ক্ষতি হয়?
ওজোন স্তর পাতলা হলে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে পৌঁছায়। এতে মানুষের ত্বকের ক্যানসার, চোখের অসুখ বাড়ে। গাছের ক্লোরোফিল নষ্ট হয়, শস্য উৎপাদন কমে ও প্রাণীদের বিলুপ্তির আশঙ্কা তৈরি হয়।
⚠️ অ্যাসিড বৃষ্টি কাকে বলে?
যানবাহন ও কলকারখানার ধোঁয়ায় থাকা সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂) ও নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) বৃষ্টির জলের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অ্যাসিড তৈরি করে। এই অ্যাসিড মেশানো বৃষ্টিকেই অ্যাসিড বৃষ্টি (Acid Rain) বলে।
⚠️ অ্যাসিড বৃষ্টির ক্ষতিকর প্রভাব কী কী?
অ্যাসিড বৃষ্টির ফলে গাছপালার ক্ষতি হয়, মাটির গুণাগুণ নষ্ট হয়, পুকুর-নদীর মাছ ও জলজ প্রাণী মারা যায়। মার্বেল পাথরের তৈরি তাজমহল, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল প্রভৃতি সৌধের ক্ষতি হয় ও বাড়ির রং নষ্ট হয়।
⚠️ গ্রিনহাউস প্রভাব কাকে বলে?
গ্রিনহাউস গ্যাস (CO₂, মিথেন, CFC) পৃথিবীর চারিদিকে আবরণ তৈরি করে। ভূপৃষ্ঠ থেকে নির্গত তাপ এই আবরণ ভেদ করে মহাশূন্যে যেতে পারে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ে। একে গ্রিনহাউস প্রভাব (Greenhouse Effect) বলে।
⚠️ বিশ্ব উষ্ণায়ন কী?
গ্রিনহাউস প্রভাবের কারণে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) বলে। এর ফলে মেরুর বরফ গলছে, সমুদ্রের জলস্তর বাড়ছে এবং আবহাওয়ার চরম পরিবর্তন ঘটছে।
⚠️ প্রথম Earth Hour কবে ও কোথায় পালিত হয়েছিল?
৩১ মার্চ, ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরে প্রথম Earth Hour পালিত হয়েছিল। রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত শহরের সমস্ত আলো নিভিয়ে রাখা হয়েছিল। বর্তমানে প্রায় ৮৫টি দেশের ১০০০টি শহরে এটি পালিত হয়।
⚠️ বায়ুদূষণ রোধের ছয়টি উপায় লেখো।
(১) বেশি করে গাছ লাগানো ও বনভূমি রক্ষা করা, (২) গণপরিবহণ ও দূষণহীন যান (সাইকেল, ইলেকট্রিক গাড়ি) ব্যবহার করা, (৩) কলকারখানার বর্জ্য পরিশোধন করা, (৪) সৌরশক্তি, বায়ুশক্তির মতো অচলিত শক্তি ব্যবহার বাড়ানো, (৫) ধূমপান বন্ধ করা, (৬) অপ্রয়োজনে আলো-পাখা বন্ধ রাখা।
⚠️ ছোট শিশুরা বায়ুদূষণে কেন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
মাটির কাছাকাছি বাতাসে দূষণের পরিমাণ বেশি থাকে। যেহেতু ছোট শিশুরা খুব বেশি লম্বা নয়, তাই দূষিত বাতাস তাদের শরীরে বেশি পরিমাণে প্রবেশ করে। ফলে তাদের শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের রোগ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যা বেশি হয়।
⚠️ শুধু বাইরে নয়, ঘরের ভিতরেও বায়ুদূষণ হয় — ব্যাখ্যা করো।
রান্নার ধোঁয়া, ধূমপান, মশার কয়েল, রং-এর গন্ধ, পরিষ্কারের রাসায়নিক স্প্রে — এ সবই ঘরের ভিতরের বাতাসকে দূষিত করে। তাই ঘরের ভিতরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখা জরুরি।
⚠️ CFC গ্যাসের উৎস ও এর ক্ষতি লেখো।
CFC-এর উৎস হলো ফ্রিজ, এসি, স্প্রে ক্যান ও রং। এটি বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তরে পৌঁছে তাকে ধ্বংস করে। ফলে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে পৌঁছে ত্বকের ক্যানসার, চোখের অসুখ ও ফসলের ক্ষতি করে।
⚠️ জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ক্ষতিকর দিক কী?
কয়লা, পেট্রোল, ডিজেলের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ালে কার্বন ডাইঅক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড ও সালফার ডাইঅক্সাইড নির্গত হয়। এগুলো বায়ুদূষণ, অ্যাসিড বৃষ্টি ও বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণ হয়।
⚠️ পারমাণবিক দুর্ঘটনা কী ধরনের দূষণ ঘটায়?
২০১১ সালে জাপানের ফুকুশিমায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্ঘটনা ঘটে। এর ফলে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বাতাসে মিশে ভয়াবহ বায়ুদূষণ সৃষ্টি হয়। তেজস্ক্রিয় দূষণ ক্যানসার ও জন্মগত ত্রুটির কারণ হতে পারে।
⚠️ সিসা দূষণ কী ও এর ক্ষতি কী?
পেট্রোলচালিত যানবাহনের ধোঁয়া থেকে সিসা বাতাসে মেশে। সিসা মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র, বৃক্ক ও মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। বিশেষত শিশুদের মানসিক বিকাশে বাধা দেয়। বর্তমানে আনলেডেড পেট্রোল ব্যবহার করে সিসা দূষণ কমানো হয়েছে।
⚠️ বিদ্যুৎ সাশ্রয় কীভাবে বায়ুদূষণ কমায়?
বিদ্যুৎ উৎপাদনে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লা পোড়ানো হয়, যা বায়ুদূষণ ঘটায়। বিদ্যুৎ সাশ্রয় করলে কম কয়লা পোড়ে, ফলে পরোক্ষভাবে বায়ুদূষণ কমে। তাই অপ্রয়োজনে আলো-পাখা না জ্বালিয়ে রাখা উচিত।
⚠️ গাছপালা কেটে ফেললে বায়ুদূষণ বাড়ে কেন?
গাছপালা সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে ও অক্সিজেন ত্যাগ করে। গাছ কেটে ফেললে বাতাসে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বাড়ে এবং অক্সিজেন কমে যায়। ফলে বায়ুর স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয় ও দূষণ বাড়ে।
⚠️ মশারি ব্যবহার কেন ভালো?
মশা তাড়াতে কয়েল জ্বালালে তার ধোঁয়া ঘরের বাতাসে মিশে শ্বাসকষ্ট, অ্যালার্জি ও ফুসফুসের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। মশারি ব্যবহার করলে কোনো ধোঁয়া তৈরি হয় না, ফলে স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি হয় না।
⚠️ নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) কীভাবে সৃষ্টি হয়?
যানবাহনের ইঞ্জিনে উচ্চ তাপমাত্রায় নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন যুক্ত হয়ে নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) গ্যাস তৈরি হয়। এটি বায়ুদূষণ, অ্যাসিড বৃষ্টি ও ধোঁয়াশার জন্য দায়ী।
⚠️ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে কী কী দূষক নির্গত হয়?
তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লা পোড়ানো হয়, যা থেকে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাইঅক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড ও ছাই নির্গত হয়। এই গ্যাসগুলো অ্যাসিড বৃষ্টি ও বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রধান কারণ।
⚠️ বায়ুদূষণের ফলে উদ্ভিদের ক্ষতি কী?
বায়ুদূষণের ফলে গাছপালার পাতায় ক্লোরোফিল নষ্ট হয়, সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়, পাতা ঝরে যায় ও গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। অ্যাসিড বৃষ্টির ফলে মাটির অম্লত্ব বেড়ে গিয়ে শস্য উৎপাদন কমে যায়।
⚠️ সুপারসনিক জেট বিমান কীভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে?
সুপারসনিক জেট বিমান (শব্দের চেয়ে দ্রুতগামী) বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে উড়লে সেখান থেকে নাইট্রোজেন অক্সাইড নির্গত হয়। এই গ্যাস ওজোন স্তরের ক্ষতি করে, যার ফলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে পৌঁছায়।
⚠️ কলকাতা-দিল্লি-মুম্বইয়ে বায়ুদূষণ বেশি কেন?
এই শহরগুলিতে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি, প্রচুর যানবাহন চলে, শিল্প-কারখানার সংখ্যা বেশি। প্রতিদিন প্রায় ১০ লক্ষ কিলোগ্রাম ধোঁয়া বাতাসে মেশে। এছাড়া নির্মাণ কাজের ধুলোও দূষণ বাড়ায়।
⚠️ রাসায়নিক কীটনাশক ও সার কীভাবে দূষণ ঘটায়?
কৃষিজমিতে ছড়ানো রাসায়নিক সারের গুঁড়ো ও কীটনাশকের স্প্রে বাতাসে মিশে যায়। এগুলো শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে শ্বাসকষ্ট, অ্যালার্জি ও অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যা সৃষ্টি করে।
📚

রচনাধর্মী প্রশ্ন (Broad Questions)

6 টি
📌 বায়ুদূষণ কাকে বলে? বায়ুদূষণের প্রধান কারণগুলো বিস্তারিত আলোচনা করো।

বায়ুদূষণ: বিভিন্ন বিষাক্ত গ্যাস (CO, CO₂, SO₂, NOx), রাসায়নিক পদার্থ (সিসা, CFC), ধোঁয়া, ধুলিকণা ও তেজস্ক্রিয় পদার্থ বাতাসে মিশে যখন বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক গুণাগুণ নষ্ট হয়, তাকে বায়ুদূষণ বলে।

প্রধান কারণসমূহ:

  1. যানবাহন: পেট্রোল-ডিজেল পোড়ানো থেকে কার্বন মনোক্সাইড, সিসা নির্গত হয়।
  2. কলকারখানা: তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, শিল্পকেন্দ্র থেকে SO₂, NOx নির্গত হয়।
  3. কৃষিকাজ: কীটনাশক স্প্রে, খড়কুটা পোড়ানো, রাসায়নিক সার।
  4. গৃহস্থালি কাজ: রান্নার ধোঁয়া, কাঠ-কয়লা, ধূমপান, মশার কয়েল।
  5. পারমাণবিক দুর্ঘটনা: তেজস্ক্রিয় পদার্থ নির্গমন (যেমন ফুকুশিমা, ২০১১)।
  6. বনভূমি ধ্বংস: গাছ কমে যাওয়ায় CO₂ শোষণ কমে যাওয়া।
📌 অ্যাসিড বৃষ্টি কী? এটি কীভাবে সৃষ্টি হয় এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব আলোচনা করো।

অ্যাসিড বৃষ্টি (Acid Rain):

যানবাহন, কলকারখানা ও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নির্গত সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂) ও নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) বৃষ্টির জলের সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে সালফিউরিক অ্যাসিড ও নাইট্রিক অ্যাসিড তৈরি করে। এই অ্যাসিড মেশানো বৃষ্টিকেই অ্যাসিড বৃষ্টি বলে।

ক্ষতিকর প্রভাব:

  1. উদ্ভিদের ক্ষতি: পাতা ঝরে যায়, ক্লোরোফিল নষ্ট হয়, ফলন কমে।
  2. জলজ প্রাণী: পুকুর-নদীর জল অম্লীয় হয়ে মাছ ও অন্যান্য প্রাণী মারা যায়।
  3. ঐতিহাসিক সৌধ: মার্বেল পাথরের তৈরি তাজমহল, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
  4. ভবন: বাড়ির রং ও ইস্পাতের কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  5. মাটি: মাটির অম্লত্ব বেড়ে গুণাগুণ নষ্ট হয়।
📌 বিশ্ব উষ্ণায়ন ও গ্রিনহাউস প্রভাব কাকে বলে? এর কারণ, ফলাফল ও প্রতিকার আলোচনা করো।

গ্রিনহাউস প্রভাব: গ্রিনহাউস গ্যাস (CO₂, মিথেন, CFC) পৃথিবীকে চাদরের মতো ঢেকে রাখে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ফিরে যাওয়া তাপ এই আবরণ ভেদ করতে পারে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে, একেই বিশ্ব উষ্ণায়ন বলে।

কারণ: জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, বনভূমি ধ্বংস, শিল্প-কারখানা, গাড়ির ধোঁয়া।

ফলাফল: মেরুর বরফ গলছে, সমুদ্রের জলস্তর বাড়ছে, উপকূল প্লাবিত হচ্ছে; খরা, বন্যা, তাপপ্রবাহ, শক্তিশালী ঝড়ের সংখ্যা বাড়ছে; কৃষি ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে।

প্রতিকার: বৃক্ষরোপণ, নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো।

📌 ওজোন স্তরের ক্ষয় কেন ঘটছে? এই ক্ষয়ের ফলাফল আলোচনা করো।

ওজোন স্তরের ক্ষয়:

স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোন গ্যাসের স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV-B) শোষণ করে পৃথিবীবাসীকে রক্ষা করে। কিন্তু ফ্রিজ, এসি, স্প্রে ক্যান ও রং থেকে নির্গত ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC) গ্যাস এবং সুপারসনিক জেট বিমান থেকে নির্গত নাইট্রোজেন অক্সাইড ওজোন স্তরের ক্ষয় করছে।

ফলাফল:

  1. স্বাস্থ্যগত: ত্বকের ক্যানসার, চোখের ছানি (Cataract) বৃদ্ধি।
  2. উদ্ভিদজগৎ: ক্লোরোফিল নষ্ট, শস্য উৎপাদন হ্রাস।
  3. প্রাণীজগৎ: সামুদ্রিক প্ল্যাংকটনের মৃত্যু, খাদ্যশৃঙ্খল ব্যাহত।
  4. জলবায়ু: বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রার ভারসাম্য নষ্ট।
📌 বায়ুদূষণ রোধে আমরা কী কী করতে পারি? ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত করণীয় সম্পর্কে লেখো।

ব্যক্তিগত করণীয়:

  1. গণপরিবহণ, সাইকেল বা ইলেকট্রিক যান ব্যবহার করা।
  2. বৃক্ষরোপণ ও গাছের যত্ন নেওয়া।
  3. গৃহস্থালির বর্জ্য না পুড়িয়ে সঠিকভাবে নিষ্কাশন করা।
  4. মশারি ব্যবহার করে কয়েল এড়ানো।
  5. ধূমপান না করা ও অন্যদের করতে বাধা দেওয়া।
  6. অপ্রয়োজনে আলো-পাখা বন্ধ রাখা (বিদ্যুৎ সাশ্রয়)।
  7. ঘরের ভিতর পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখা।

সমষ্টিগত করণীয়:

  1. কলকারখানার বর্জ্য পরিশোধন বাধ্যতামূলক করা।
  2. নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার উৎসাহিত করা।
  3. কঠোর আইনের প্রয়োগ।
  4. গণসচেতনতা অভিযান চালানো।
📌 বায়ুদূষণের ফলে মানবস্বাস্থ্যের ওপর যে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে তা বিস্তারিত আলোচনা করো।

মানবস্বাস্থ্যের ওপর বায়ুদূষণের প্রভাব:

  1. শ্বাসযন্ত্রের রোগ: হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস, ফুসফুসের ক্যানসার, শ্বাসকষ্ট।
  2. হৃদরোগ: দূষিত বাতাস রক্তে মিশে হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করে।
  3. স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি: সিসা দূষণে শিশুদের মানসিক বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয়।
  4. ত্বক ও চোখের রোগ: ওজোন স্তর ক্ষয়ের কারণে অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্যানসার ও চোখের ছানি ঘটায়।
  5. শিশু ও বৃদ্ধদের বেশি ক্ষতি: মাটির কাছাকাছি দূষণ বেশি থাকায় শিশুরা অল্প বাতাসেই মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়। বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তারাও বেশি ভোগেন।
  6. জন্মগত ত্রুটি: তেজস্ক্রিয় দূষণ গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি করতে পারে।
Sponsored Links

Class 6 Geography Chapter 8: বায়ুদূষণ

বায়ুদূষণ অধ্যায়ে বায়ুদূষণের ধারণা, কারণ (যানবাহন, কলকারখানা, কৃষি, গৃহস্থালি), ওজোন স্তর ক্ষয়, অ্যাসিড বৃষ্টি, গ্রিনহাউস প্রভাব, বিশ্ব উষ্ণায়ন, তেজস্ক্রিয় দূষণ এবং বায়ুদূষণ রোধের উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

Frequently Asked Questions (বায়ুদূষণ)

যানবাহনের ধোঁয়া, কলকারখানার গ্যাস, কৃষিকাজের কীটনাশক, গৃহস্থালির ধোঁয়া ও তেজস্ক্রিয় পদার্থ বায়ুদূষণের প্রধান কারণ।

বাতাসের সালফার ডাইঅক্সাইড ও নাইট্রোজেন অক্সাইড বৃষ্টির জলের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অ্যাসিড তৈরি করে, একে অ্যাসিড বৃষ্টি বলে।

হ্যাঁ, সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সর্বশেষ ২০২৬ সিলেবাস অনুযায়ী তৈরি।