অ্যান্টার্কটিকা • দক্ষিণ মেরু • পেঙ্গুইন • মেরুজ্যোতি • আমুন্ডসেন • ভারতের অভিযান • আন্টার্কটিকা চুক্তি
📝
বহুবিকল্পধর্মী প্রশ্ন (MCQ)
42 টি
MCQ 1
আন্টার্কটিকা কোথায় অবস্থিত?
ক. উত্তর মেরুতে
খ. দক্ষিণ মেরুতে
গ. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ঘ. কর্কটক্রান্তিতে
✔️ খ. দক্ষিণ মেরুতে
MCQ 2
আন্টার্কটিকা শব্দের অর্থ কী?
ক. উত্তরের বিপরীত
খ. সাদা মহাদেশ
গ. বরফের দেশ
ঘ. দক্ষিণ ভূমি
✔️ ক. উত্তরের বিপরীত
MCQ 3
কত সালে আন্টার্কটিকা প্রথম জানা যায়?
ক. ১৭২০
খ. ১৮২০
গ. ১৯০০
ঘ. ১৯২০
✔️ খ. ১৮২০
MCQ 4
আন্টার্কটিকার অপর নাম কী?
ক. লাল মহাদেশ
খ. কালো মহাদেশ
গ. সাদা মহাদেশ
ঘ. সবুজ মহাদেশ
✔️ গ. সাদা মহাদেশ
MCQ 5
আন্টার্কটিকার আয়তন কত?
ক. ১ কোটি ৪০ লক্ষ বর্গ কিমি
খ. ২ কোটি বর্গ কিমি
গ. ৫০ লক্ষ বর্গ কিমি
ঘ. ৩ কোটি বর্গ কিমি
✔️ ক. ১ কোটি ৪০ লক্ষ বর্গ কিমি
MCQ 6
আয়তনে আন্টার্কটিকা কোন মহাদেশের চেয়ে বড়?
ক. এশিয়া
খ. আফ্রিকা
গ. ইউরোপ ও ওশিয়ানিয়া
ঘ. উত্তর আমেরিকা
✔️ গ. ইউরোপ ও ওশিয়ানিয়া
MCQ 7
আন্টার্কটিকা কোন অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত?
ক. ৬০° উত্তর
খ. ৬০° দক্ষিণ
গ. ২৩.৫° দক্ষিণ
ঘ. ৬৬.৫° উত্তর
✔️ খ. ৬০° দক্ষিণ
MCQ 8
আন্টার্কটিকার গড় উচ্চতা কত?
ক. ৫০০-১০০০ মি.
খ. ১০০০-১৫০০ মি.
গ. ২০০০-৫০০০ মি.
ঘ. ৬০০০-৮০০০ মি.
✔️ গ. ২০০০-৫০০০ মি.
MCQ 9
আন্টার্কটিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী?
ক. এভারেস্ট
খ. ভিনসন ম্যাসিফ
গ. মাউন্ট এরেবাস
ঘ. আল্পস
✔️ খ. ভিনসন ম্যাসিফ
MCQ 10
ভিনসন ম্যাসিফের উচ্চতা কত?
ক. ৩৮৯২ মি.
খ. ৪৮৯২ মি.
গ. ৫৮৯২ মি.
ঘ. ৬৮৯২ মি.
✔️ খ. ৪৮৯২ মি.
MCQ 11
আন্টার্কটিকার জীবন্ত আগ্নেয়গিরির নাম কী?
ক. ফুজিয়ামা
খ. ভিসুভিয়াস
গ. মাউন্ট এরেবাস
ঘ. স্ট্রম্বোলি
✔️ গ. মাউন্ট এরেবাস
MCQ 12
পৃথিবীর দীর্ঘতম হিমবাহ কোনটি?
ক. সিয়াচেন
খ. ল্যাম্বার্ট হিমবাহ
গ. গঙ্গোত্রী
ঘ. বালটোরো
✔️ খ. ল্যাম্বার্ট হিমবাহ
MCQ 13
মাউন্ট এরেবাস কোন সাগরের তীরে অবস্থিত?
ক. ওয়েডেল সাগর
খ. রস সাগর
গ. বেলিংশউসেন সাগর
ঘ. আমুন্ডসেন সাগর
✔️ খ. রস সাগর
MCQ 14
আন্টার্কটিকা পৃথিবীর কীরূপ অঞ্চল?
ক. উষ্ণতম
খ. শীতলতম
গ. আর্দ্রতম
ঘ. শুষ্কতম
✔️ খ. শীতলতম
MCQ 15
শীতকালে আন্টার্কটিকার তাপমাত্রা কত পর্যন্ত নেমে যায়?
ক. -২০° সে.
খ. -৪০° সে.
গ. -৭৫° সে.
ঘ. -৪০° থেকে -৭৫° সে.
✔️ ঘ. -৪০° থেকে -৭৫° সে.
MCQ 16
আন্টার্কটিকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত রেকর্ড করা হয়েছে?
ক. -৭৫° সে.
খ. -৮০° সে.
গ. -৮৯.২° সে.
ঘ. -১০০° সে.
✔️ গ. -৮৯.২° সে.
MCQ 17
ভস্টক গবেষণাকেন্দ্রটি কোন দেশের?
ক. আমেরিকা
খ. রাশিয়া
গ. ভারত
ঘ. চীন
✔️ খ. রাশিয়া
MCQ 18
কোন মাসে আন্টার্কটিকায় ২৪ ঘণ্টা অন্ধকার থাকে?
ক. ডিসেম্বর-জানুয়ারি
খ. মার্চ-এপ্রিল
গ. জুন-আগস্ট
ঘ. সেপ্টেম্বর-অক্টোবর
✔️ গ. জুন-আগস্ট
MCQ 19
গ্রীষ্মকালে আন্টার্কটিকার তাপমাত্রা কত হয়?
ক. ০° সে.
খ. প্রায় -২০° সে.
গ. ১০° সে.
ঘ. ২০° সে.
✔️ খ. প্রায় -২০° সে.
MCQ 20
মেরুজ্যোতি কী?
ক. বজ্রপাত
খ. আকাশে রঙিন আলোর খেলা
গ. সূর্যের আলো
ঘ. চাঁদের আলো
✔️ খ. আকাশে রঙিন আলোর খেলা
MCQ 21
মেরুজ্যোতির ইংরেজি নাম কী?
ক. Rainbow
খ. Aurora
গ. Lightning
ঘ. Eclipse
✔️ খ. Aurora
MCQ 22
আন্টার্কটিকায় বাতাসের গতিবেগ কত হতে পারে?
ক. ১০০ কিমি/ঘণ্টা
খ. ২০০ কিমি/ঘণ্টা
গ. ৩২০ কিমি/ঘণ্টা
ঘ. ৫০০ কিমি/ঘণ্টা
✔️ গ. ৩২০ কিমি/ঘণ্টা
MCQ 23
আন্টার্কটিকার একমাত্র স্থায়ী বাসিন্দা কারা?
ক. মেরু ভালুক
খ. সীল
গ. পেঙ্গুইন
ঘ. তিমি
✔️ গ. পেঙ্গুইন
MCQ 24
পেঙ্গুইন কী করতে পারে না?
ক. সাঁতার কাটতে
খ. হাঁটতে
গ. উড়তে
ঘ. ডুব দিতে
✔️ গ. উড়তে
MCQ 25
পেঙ্গুইনের পালক কী থেকে রক্ষা করে?
ক. গরম থেকে
খ. জলে ভেজা থেকে
গ. বাতাস থেকে
ঘ. রোদ থেকে
✔️ খ. জলে ভেজা থেকে
MCQ 26
পেঙ্গুইনের প্রধান খাদ্য কী?
ক. ঘাস
খ. মাছ ও ক্রিল
গ. ফল
ঘ. শ্যাওলা
✔️ খ. মাছ ও ক্রিল
MCQ 27
ক্রিল কী?
ক. এক ধরনের মাছ
খ. সামুদ্রিক চিংড়ি জাতীয় প্রাণী
গ. পাখি
ঘ. শৈবাল
✔️ খ. সামুদ্রিক চিংড়ি জাতীয় প্রাণী
MCQ 28
সুমেরু অঞ্চলের বাসিন্দা কারা?
ক. পেঙ্গুইন
খ. মেরু ভালুক
গ. ক্যাঙ্গারু
ঘ. জিরাফ
✔️ খ. মেরু ভালুক
MCQ 29
দক্ষিণ মেরুতে প্রথম কে পৌঁছান?
ক. কলম্বাস
খ. ম্যাগেলান
গ. রোয়াল্ড আমুন্ডসেন
ঘ. রবার্ট স্কট
✔️ গ. রোয়াল্ড আমুন্ডসেন
MCQ 30
কবে প্রথম দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছানো হয়?
ক. ১৪ ডিসেম্বর ১৯০১
খ. ১৪ ডিসেম্বর ১৯১১
গ. ১৪ ডিসেম্বর ১৯২১
ঘ. ১৪ ডিসেম্বর ১৯৩১
✔️ খ. ১৪ ডিসেম্বর ১৯১১
MCQ 31
আমুন্ডসেন কোন দেশের অভিযাত্রী ছিলেন?
ক. ব্রিটেন
খ. নরওয়ে
গ. সুইডেন
ঘ. ডেনমার্ক
✔️ খ. নরওয়ে
MCQ 32
আন্টার্কটিকা কোন দেশের অধীন?
ক. আমেরিকা
খ. রাশিয়া
গ. কোনো দেশের নয়
ঘ. জাতিসংঘের
✔️ গ. কোনো দেশের নয়
MCQ 33
আন্টার্কটিকা চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
ক. ১৯৪৯
খ. ১৯৫৯
গ. ১৯৬৯
ঘ. ১৯৭৯
✔️ খ. ১৯৫৯
MCQ 34
ভারতের প্রথম আন্টার্কটিকা অভিযান কবে হয়?
ক. ৯ জানুয়ারি ১৯৮১
খ. ৯ জানুয়ারি ১৯৮২
গ. ৯ জানুয়ারি ১৯৮৩
ঘ. ৯ জানুয়ারি ১৯৮৪
✔️ খ. ৯ জানুয়ারি ১৯৮২
MCQ 35
ভারতের প্রথম গবেষণাকেন্দ্রের নাম কী?
ক. মৈত্রী
খ. দক্ষিণ গঙ্গোত্রী
গ. ভারতী
ঘ. হিমাদ্রি
✔️ খ. দক্ষিণ গঙ্গোত্রী
MCQ 36
ভারতের দ্বিতীয় গবেষণাকেন্দ্র 'মৈত্রী' কবে স্থাপিত হয়?
ক. ১৯৮২
খ. ১৯৮৫
গ. ১৯৮৮
ঘ. ১৯৯০
✔️ গ. ১৯৮৮
MCQ 37
মৈত্রী দক্ষিণ গঙ্গোত্রী থেকে কত দূরে অবস্থিত?
ক. ৩০ কিমি
খ. ৫০ কিমি
গ. ৭০ কিমি
ঘ. ১০০ কিমি
✔️ গ. ৭০ কিমি
MCQ 38
আন্টার্কটিকায় প্রায় কতটি দেশের গবেষণাকেন্দ্র আছে?
ক. ২০টির
খ. ৩০টির
গ. ৪০টির
ঘ. ৫০টির
✔️ গ. ৪০টির
MCQ 39
আন্টার্কটিকায় গাছপালা নেই কেন?
ক. মাটি নেই বলে
খ. চিরতুষারে ঢাকা বলে
গ. বাতাসের জন্য
ঘ. প্রাণী না থাকায়
✔️ খ. চিরতুষারে ঢাকা বলে
MCQ 40
আন্টার্কটিকার বরফ গললে কী হবে?
ক. সমুদ্রের জলস্তর বাড়বে
খ. নতুন মহাদেশ হবে
গ. বেশি গাছ হবে
ঘ. কিছুই হবে না
✔️ ক. সমুদ্রের জলস্তর বাড়বে
MCQ 41
বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে আন্টার্কটিকায় কী ঘটছে?
ক. বরফ জমছে
খ. বরফ গলছে
গ. গাছপালা বাড়ছে
ঘ. তাপমাত্রা কমছে
✔️ খ. বরফ গলছে
MCQ 42
আন্টার্কটিকায় বৃষ্টি হয় না কেন?
ক. মেঘ নেই বলে
খ. অত্যন্ত ঠান্ডা ও শুষ্ক বলে
গ. বাতাস নেই বলে
ঘ. সমুদ্র দূরে বলে
✔️ খ. অত্যন্ত ঠান্ডা ও শুষ্ক বলে
✏️
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ)
30 টি
❄️ আন্টার্কটিকা কাকে বলে?
পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত বরফে ঢাকা বিশাল মহাদেশকে আন্টার্কটিকা (Antarctica) বলে। Anti অর্থ বিপরীত ও Arctic অর্থ উত্তর, অর্থাৎ উত্তরের বিপরীতে অবস্থিত। এর আয়তন ১ কোটি ৪০ লক্ষ বর্গ কিমি।
❄️ আন্টার্কটিকাকে 'সাদা মহাদেশ' বলা হয় কেন?
আন্টার্কটিকা সারাবছর ১-২ কিমি পুরু স্থায়ী বরফের চাদরে ঢাকা থাকে। তাই পৃথিবীর মানচিত্রে একে সাদা রং-এ দেখানো হয়। এজন্যই একে 'সাদা মহাদেশ' (White Continent) বলা হয়।
❄️ আন্টার্কটিকার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
আন্টার্কটিকা ৬০° দ: অক্ষরেখার মধ্যে প্রায় গোলাকার। এটি একটি উচ্চ মালভূমি (উচ্চতা ২০০০-৫০০০ মি.)। পূর্ব অংশ প্রশস্ত ও পশ্চিম অংশ সংকীর্ণ। রস সাগরতীরে মাউন্ট এরেবাস জীবন্ত আগ্নেয়গিরি ও ভিনসন ম্যাসিফ (৪৮৯২ মি.) সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
❄️ মাউন্ট এরেবাস কী?
মাউন্ট এরেবাস (Mount Erebus) আন্টার্কটিকার রস সাগরের তীরে অবস্থিত একটি জীবন্ত আগ্নেয়গিরি। এটি থেকে উত্তপ্ত বাষ্প ও লাভা নির্গত হয়।
❄️ ল্যাম্বার্ট হিমবাহ কী?
ল্যাম্বার্ট হিমবাহ (Lambert Glacier) আন্টার্কটিকায় অবস্থিত পৃথিবীর দীর্ঘতম হিমবাহ। এই মহাদেশে আরও অসংখ্য বিশাল বিশাল হিমবাহ আছে।
❄️ আন্টার্কটিকার জলবায়ু কেমন?
আন্টার্কটিকা পৃথিবীর শীতলতম অঞ্চল। সারাবছর হিমশীতল আবহাওয়া ও তুষারবৃষ্টি চলে। শীতকালে তাপমাত্রা -৪০° থেকে -৭৫° সে. পর্যন্ত নেমে যায়। রাশিয়ার ভস্টকে সর্বনিম্ন -৮৯.২° সে. তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।
❄️ মেরুজ্যোতি কী?
আন্টার্কটিকায় জুন-আগস্ট মাসে (শীতকাল) ২৪ ঘণ্টাই অন্ধকার থাকে। তখন আকাশে সবুজ, নীল, লাল, রামধনুর রঙের মতো আলোর ছটা দেখা যায়, একে মেরুজ্যোতি (Aurora) বলে।
❄️ আন্টার্কটিকায় ২৪ ঘণ্টা সূর্য দেখা যায় কেন?
গ্রীষ্মকালে (নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি) সূর্য দক্ষিণায়নে দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে হেলে থাকে। দক্ষিণ মেরু সূর্যের দিকে থাকায় একটানা ২৪ ঘণ্টা সূর্য দেখা যায়। একে 'মধ্যরাতের সূর্য' বলা হয়।
❄️ গ্রীষ্মকালেও আন্টার্কটিকায় তাপমাত্রা বাড়ে না কেন?
গ্রীষ্মকালে সূর্যের আলো বরফে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে যায়। এছাড়া সূর্যের আলো বাঁকাভাবে পড়ে, ফলে তাপ শোষণ কম হয়। তাই গ্রীষ্মকালেও তাপমাত্রা খুব বেশি বাড়তে পারে না, প্রায় -২০° সে. থাকে।
❄️ পেঙ্গুইন সম্পর্কে কী জানো?
পেঙ্গুইন আন্টার্কটিকার একমাত্র স্থায়ী বাসিন্দা পাখি। এরা উড়তে পারে না কিন্তু ভালো সাঁতারু। এদের পালক জলে ভেজে না। চামড়ার নীচে পুরু চর্বির স্তর ঠান্ডা থেকে রক্ষা করে। মাছ ও ক্রিল এদের প্রধান খাদ্য।
❄️ ক্রিল কী?
ক্রিল (Krill) হলো সামুদ্রিক চিংড়ি জাতীয় প্রাণী। আন্টার্কটিকার সমুদ্র ক্রিলে ভর্তি। এগুলো পেঙ্গুইন, সীল, তিমির প্রধান খাদ্য।
❄️ আন্টার্কটিকায় উদ্ভিদ জন্মায় না কেন?
আন্টার্কটিকা চিরতুষারে ঢাকা এবং অত্যন্ত ঠান্ডা। তাই বড় গাছপালা জন্মায় না। শুধুমাত্র গ্রীষ্মে সমুদ্রের ধারে কোথাও বরফ গলে গেলে সামান্য মস, লাইকেন, শ্যাওলা জন্মায়।
❄️ দক্ষিণ মেরুতে প্রথম কে ও কবে পৌঁছান?
নরওয়ের অভিযাত্রী রোয়াল্ড আমুন্ডসেন ও তাঁর সঙ্গীরা ১৪ ডিসেম্বর, ১৯১১ সালে পৃথিবীর প্রথম মানুষ হিসেবে দক্ষিণ মেরু বিন্দুতে (৯০° দ:) পৌঁছান।
❄️ আন্টার্কটিকা চুক্তি কী?
১৯৫৯ সালের আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসারে আন্টার্কটিকা কোনো দেশের অধীন নয়। এটি পৃথিবীর সব দেশের একটি আন্তর্জাতিক ভূখণ্ড। শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য সব দেশ এখানে কাজ করতে পারে।
❄️ ভারতের আন্টার্কটিকা অভিযান সম্পর্কে কী জানো?
৯ জানুয়ারি ১৯৮২ সালে প্রথম ভারতীয় অভিযাত্রী দল আন্টার্কটিকায় পৌঁছায়। প্রথম গবেষণাকেন্দ্র 'দক্ষিণ গঙ্গোত্রী' এবং ১৯৮৮ সালের ২৬ মার্চ 'মৈত্রী' নামে দ্বিতীয় গবেষণাকেন্দ্র স্থাপিত হয়।
❄️ দক্ষিণ গঙ্গোত্রী ও মৈত্রী কী?
দক্ষিণ গঙ্গোত্রী (১৯৮২) ভারতের প্রথম আন্টার্কটিকা গবেষণাকেন্দ্র। ১৯৮৮ সালে এর থেকে ৭০ কিমি দূরে 'মৈত্রী' নামে দ্বিতীয় গবেষণাকেন্দ্র স্থাপিত হয়। মৈত্রীতে ভারতীয় বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
❄️ আন্টার্কটিকার গুরুত্ব কী?
আন্টার্কটিকার আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সারা পৃথিবীর জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা করে। এছাড়া এখানে খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, তামা, নিকেল, সোনার মতো মূল্যবান খনিজ সম্পদ আছে।
❄️ আন্টার্কটিকার বরফ গললে কী সংকট দেখা দেবে?
বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে আন্টার্কটিকার বরফ গলতে থাকলে সমুদ্রের জলস্তর অনেকটা বেড়ে যাবে। এর ফলে সমুদ্রতীরবর্তী শহর ও দেশগুলো প্লাবিত হবে এবং উপকূলীয় অঞ্চল ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।
❄️ সুমেরু ও কুমেরুর মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।
(১) সুমেরু (উত্তর মেরু) উত্তর মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত, কুমেরু (দক্ষিণ মেরু) আন্টার্কটিকা মহাদেশে অবস্থিত। (২) সুমেরুর বাসিন্দা মেরু ভালুক, কুমেরুর বাসিন্দা পেঙ্গুইন।
❄️ আন্টার্কটিকা এত ঠান্ডা কেন?
আন্টার্কটিকা (১) দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত, যেখানে সূর্য তির্যকভাবে আলো দেয়, (২) চারদিকে সমুদ্রবেষ্টিত ও বরফে ঢাকা, (৩) উচ্চ মালভূমি অঞ্চল, (৪) সূর্যের আলো বরফ থেকে প্রতিফলিত হয়ে যায় — এই কারণগুলো একে পৃথিবীর শীতলতম স্থানে পরিণত করেছে।
❄️ আন্টার্কটিকায় অভিযান সাধারণত শীতকালেই হয় কেন?
আন্টার্কটিকায় অভিযান শীতকালে (ডিসেম্বর-জানুয়ারি) করা হয় কারণ তখন দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল। তখন ২৪ ঘণ্টা সূর্যের আলো থাকে, তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত কম ঠান্ডা (-২০° সে.) থাকে, যাতায়াতের পক্ষে অনুকূল।
❄️ আন্টার্কটিকা কেন 'বিজ্ঞানের মহাদেশ' নামে পরিচিত?
প্রায় ৪০টি দেশের ১০০টিরও বেশি গবেষণাকেন্দ্র আন্টার্কটিকায় রয়েছে। এখানে জীববিজ্ঞান, আবহাওয়া বিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব, জ্যোতির্বিজ্ঞানসহ নানা বিষয়ে গবেষণা হয়। কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই বিজ্ঞানীরা কাজ করেন।
❄️ আন্টার্কটিকার কোন কোন খনিজ সম্পদ পাওয়া যায়?
আন্টার্কটিকায় খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, তামা, নিকেল, সোনা, লোহা ইত্যাদি মূল্যবান খনিজের সন্ধান মিলেছে। তবে এই সম্পদ যাতে শান্তিপূর্ণ কাজ ছাড়া ব্যবহার না হয়, তা চুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।
❄️ পেঙ্গুইনের ঠান্ডা সহ্যের অভিযোজন কীভাবে হয়?
পেঙ্গুইনের (১) চামড়ার নীচে পুরু চর্বির স্তর থাকে যা গরম রাখে, (২) পালক জলে ভেজে না, (৩) দলবদ্ধভাবে বসবাস করে যা উষ্ণতা ধরে রাখে, (৪) ঘন পালকের আবরণ বাতাসের নিরোধক হিসেবে কাজ করে।
❄️ রস সাগর ও রস উপসাগর কোথায় অবস্থিত?
রস সাগর ও রস উপসাগর আন্টার্কটিকার প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে অবস্থিত। রস উপসাগরের তীরেই মাউন্ট এরেবাস আগ্নেয়গিরি অবস্থিত।
❄️ আন্টার্কটিকার ভবিষ্যৎ কেন সারা পৃথিবীর ভবিষ্যৎ?
আন্টার্কটিকার জলবায়ু সারা পৃথিবীর জলবায়ুকে প্রভাবিত করে। এর বরফ গললে বিশ্বব্যাপী সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি পাবে। তাই আন্টার্কটিকার পরিবেশ রক্ষা মানেই পৃথিবীর পরিবেশ রক্ষা।
❄️ আন্টার্কটিকায় কোনো দেশের অধিকার নেই কেন?
১৯৫৯ সালের আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসারে আন্টার্কটিকা কোনো দেশের অধীন নয়। এটি পৃথিবীর সমস্ত দেশের যৌথ আন্তর্জাতিক ভূখণ্ড। কোনো দেশ সেখানে নিজস্ব আধিপত্য বা সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করতে পারে না।
❄️ জানুয়ারি মাসে ভারতে শীতকাল, কিন্তু আন্টার্কটিকায় কী ঋতু থাকে?
জানুয়ারি মাসে ভারতে শীতকাল চললেও তখন আন্টার্কটিকায় গ্রীষ্মকাল। কারণ জানুয়ারিতে সূর্য দক্ষিণায়নে থাকে, ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্ম ও উত্তর গোলার্ধে শীত হয়।
❄️ আন্টার্কটিকা ও আর্কটিকের মধ্যে একটি মিল ও একটি অমিল লেখো।
মিল: দুটোই পৃথিবীর মেরু অঞ্চলে অবস্থিত এবং বরফে ঢাকা। অমিল: আন্টার্কটিকা একটি মহাদেশ (স্থলভাগ), আর আর্কটিক মূলত মহাসাগর (জলভাগ); আন্টার্কটিকায় পেঙ্গুইন থাকে, আর্কটিকে মেরু ভালুক থাকে।
❄️ আন্টার্কটিকার পরিবেশ সংকটের কারণ কী কী?
(১) বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে বরফ গলছে, (২) ওজোন স্তরের ক্ষতি, (৩) বায়ুদূষণের প্রভাব, (৪) পর্যটক ও গবেষকদের আনাগোনা — এই সব কারণে আন্টার্কটিকার নির্মল পরিবেশ এখন হুমকির মুখে।
📚
রচনাধর্মী প্রশ্ন (Broad Questions)
6 টি
📌 আন্টার্কটিকা মহাদেশের ভৌগোলিক পরিচয় দাও। এর অবস্থান, আয়তন ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
পরিচয়: আন্টার্কটিকা (Antarctica) পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত বরফে ঢাকা পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ। 'Anti' অর্থ বিপরীত ও 'Arctic' অর্থ উত্তর — অর্থাৎ উত্তরের বিপরীতে অবস্থিত।
অবস্থান: ৬০° দক্ষিণ অক্ষরেখার মধ্যে প্রায় গোলাকার। চারদিকে কুমেরু মহাসাগর বেষ্টিত।
আয়তন: ১ কোটি ৪০ লক্ষ বর্গ কিমি (ইউরোপ ও ওশিয়ানিয়ার চেয়ে বড়)।
প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য:
উচ্চতা: ২০০০-৫০০০ মিটার — পৃথিবীর উচ্চতম মহাদেশ।
সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: ভিনসন ম্যাসিফ (৪৮৯২ মি.)।
আগ্নেয়গিরি: মাউন্ট এরেবাস (জীবন্ত)।
হিমবাহ: ল্যাম্বার্ট হিমবাহ (পৃথিবীর দীর্ঘতম)।
বরফের পুরুত্ব: ১-২ কিমি স্থায়ী বরফ।
📌 আন্টার্কটিকার জলবায়ু ও আবহাওয়ার বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করো।
আন্টার্কটিকার জলবায়ু:
সাধারণ অবস্থা: পৃথিবীর শীতলতম, শুষ্কতম ও বাতাসপ্রবণ মহাদেশ। সারাবছর হিমশীতল আবহাওয়া ও তুষারবৃষ্টি চলে।
শীতকালীন তাপমাত্রা: জুন-আগস্ট মাসে তাপমাত্রা -৪০° সে. থেকে -৭৫° সে. পর্যন্ত নেমে যায়। ভস্টক (রাশিয়া) কেন্দ্রে রেকর্ড -৮৯.২° সে.।
গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা: নভেম্বর-ফেব্রুয়ারিতে প্রায় -২০° সে.। বরফে প্রতিফলনের জন্য তাপমাত্রা খুব বাড়ে না।
সূর্যালোক: গ্রীষ্মে ২৪ ঘণ্টা সূর্য দেখা যায় (মধ্যরাতের সূর্য), শীতে ২৪ ঘণ্টা অন্ধকার থাকে।
মেরুজ্যোতি: শীতকালে আকাশে সবুজ, নীল, লাল রঙের আলোর খেলা (Aurora) দেখা যায়।
বাতাস: বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ৩২০ কিমি পর্যন্ত হতে পারে।
📌 আন্টার্কটিকার জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে আলোচনা করো। উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের বর্ণনা দাও।
উদ্ভিদজগৎ:
চিরতুষারে ঢাকা ও অত্যন্ত ঠান্ডা হওয়ায় আন্টার্কটিকায় বড় কোনো গাছপালা জন্মায় না। শুধুমাত্র গ্রীষ্মকালে সমুদ্রের ধারে কিছু জায়গায় বরফ গলে গেলে সামান্য মস (Moss), লাইকেন (Lichen) ও শ্যাওলা (Algae) জন্মাতে দেখা যায়।
প্রাণীজগৎ:
পেঙ্গুইন: আন্টার্কটিকার একমাত্র স্থায়ী বাসিন্দা। উড়তে পারে না, কিন্তু চমৎকার সাঁতারু। পালক জলে ভেজে না, চামড়ার নীচে পুরু চর্বি ঠান্ডা থেকে রক্ষা করে। মাছ ও ক্রিল প্রধান খাদ্য। প্রায় ১৭ প্রজাতির পেঙ্গুইন আছে।
ক্রিল: সামুদ্রিক চিংড়িজাতীয় প্রাণী, সমুদ্রে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
সীল, তিমি: বিভিন্ন প্রজাতির সীল ও তিমি আন্টার্কটিকার উপকূলে দেখা যায়।
📌 বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে আন্টার্কটিকা ও সমগ্র পৃথিবীর ওপর কী প্রভাব পড়ছে? করণীয় কী?
বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব:
বরফ গলন: তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে আন্টার্কটিকার স্থায়ী বরফের স্তর ক্রমাগত গলছে।
সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি: বরফ গলে সমুদ্রের জলস্তর বাড়ছে, ফলে উপকূলবর্তী এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা।
প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট: বিশ্বের আবহাওয়া ও জলবায়ুর চরম পরিবর্তন, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় বৃদ্ধি।
করণীয়:
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানো।
জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার হ্রাস ও নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি।
আন্টার্কটিকা চুক্তি কঠোরভাবে পালন।
গবেষণার মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষার উপায় বের করা।
📌 আন্টার্কটিকায় ভারতের অভিযান ও গবেষণা সম্পর্কে বিস্তারিত লেখো।
ভারতের আন্টার্কটিকা অভিযান:
প্রথম অভিযান: ৯ জানুয়ারি ১৯৮২ সালে প্রথম ভারতীয় অভিযাত্রী দল আন্টার্কটিকায় পৌঁছায়।
প্রথম গবেষণাকেন্দ্র — দক্ষিণ গঙ্গোত্রী: ১৯৮২ সালে স্থাপিত। ভারতের প্রথম আন্টার্কটিকা গবেষণাকেন্দ্র।
দ্বিতীয় গবেষণাকেন্দ্র — মৈত্রী: ২৬ মার্চ ১৯৮৮ সালে অষ্টম অভিযাত্রী দল 'দক্ষিণ গঙ্গোত্রী' থেকে ৭০ কিমি দূরে 'মৈত্রী' স্থাপন করে।
বর্তমান অবস্থা: মৈত্রী এখনও সক্রিয় রয়েছে। ভারতীয় বিজ্ঞানীরা আবহাওয়া, ভূতত্ত্ব, জীববিজ্ঞান সহ নানা বিষয়ে গবেষণা করছেন।
ISRO-র ভূমিকা: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থাও আন্টার্কটিকা থেকে উপগ্রহ ট্র্যাকিং ও গবেষণার কাজ করছে।
ভারত প্রায় ৪০টি দেশের মধ্যে অন্যতম যারা আন্টার্কটিকায় শান্তিপূর্ণ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় নিয়োজিত।
📌 আন্টার্কটিকা চুক্তি কী? এর গুরুত্ব ও শর্তাবলী আলোচনা করো।
আন্টার্কটিকা চুক্তি (Antarctic Treaty):
১৯৫৯ সালে ১২টি দেশের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বর্তমানে ৫০টির বেশি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী:
শান্তিপূর্ণ ব্যবহার: আন্টার্কটিকা শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা যাবে।
সামরিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ: কোনো রকম সামরিক ঘাঁটি, অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ।
বৈজ্ঞানিক গবেষণার স্বাধীনতা: সব দেশের বিজ্ঞানীদের গবেষণার সমান অধিকার।
মালিকানা দাবি স্থগিত: কোনো দেশ আন্টার্কটিকার কোনো অংশে নিজস্ব মালিকানা দাবি করতে পারবে না।
পরিবেশ সুরক্ষা: জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।
গুরুত্ব: এই চুক্তি পৃথিবীর শেষ অদূষিত মহাদেশকে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ঊর্ধ্বে রেখে বিজ্ঞান ও মানবতার স্বার্থে সংরক্ষণ করছে।
Sponsored Links
Class 6 Geography Chapter 6: বরফে ঢাকা মহাদেশ
বরফে ঢাকা মহাদেশ অধ্যায়ে আন্টার্কটিকার অবস্থান, আয়তন, জলবায়ু, জীববৈচিত্র্য, মেরুজ্যোতি, দক্ষিণ মেরু অভিযান, ভারতের গবেষণাকেন্দ্র এবং আন্টার্কটিকা চুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
আন্টার্কটিকার জলবায়ু
পেঙ্গুইন ও জীববৈচিত্র্য
আমুন্ডসেনের অভিযান
ভারতের গবেষণাকেন্দ্র
Frequently Asked Questions (বরফে ঢাকা মহাদেশ)
দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত বরফে ঢাকা মহাদেশ আন্টার্কটিকা। এর আয়তন ১ কোটি ৪০ লক্ষ বর্গ কিমি।
পৃথিবীর শীতলতম অঞ্চল, শীতকালে তাপমাত্রা -৪০° থেকে -৭৫° সে. পর্যন্ত নামে। রাশিয়ার ভস্টকে সর্বনিম্ন -৮৯.২° সে. রেকর্ড হয়েছে।
হ্যাঁ, সমস্ত প্রশ্নোত্তর পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সর্বশেষ ২০২৬ সিলেবাস অনুযায়ী তৈরি।