অধ্যায় ২: পৃথিবী কী গোল প্রশ্ন ও উত্তর

WBBSE Class 6 Geography Chapter 2 - সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর, MCQs, সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, রচনাধর্মী প্রশ্ন এবং PDF নোট।

Sabina Yeasmin
Sabina Yeasmin
Uploaded: 11 February 2026 Last Update: 02 June 2026
🌍 অধ্যায় ২

পৃথিবী কী গোল

পৃথিবীর আকৃতি • গোলাকারত্বের প্রমাণ • চন্দ্রগ্রহণ • দিগন্তরেখা • Geoid • ব্যাসার্ধ ও বক্রতা

📝

বহুবিকল্পধর্মী প্রশ্ন (MCQ)

41 টি
MCQ 1
প্রাচীনকালে মানুষ পৃথিবীকে কেমন মনে করত?
ক. গোলাকার
খ. চ্যাপটা থালার মতো
গ. ত্রিকোণাকার
ঘ. ডিম্বাকার
✔️ সঠিক উত্তর: খ. চ্যাপটা থালার মতো
MCQ 2
সমুদ্রে জাহাজ দূরে যেতে থাকলে প্রথমে কী দেখা যায়?
ক. সম্পূর্ণ জাহাজ
খ. জাহাজের পাল
গ. জাহাজের নীচের অংশ অদৃশ্য হয়
ঘ. কিছুই দেখা যায় না
✔️ সঠিক উত্তর: গ. জাহাজের নীচের অংশ অদৃশ্য হয়
MCQ 3
সমুদ্রতীর থেকে দূরের জাহাজ দেখলে কী বোঝা যায়?
ক. পৃথিবী চ্যাপ্টা
খ. পৃথিবী গোলাকার
গ. পৃথিবী ত্রিকোণাকার
ঘ. সমুদ্র উত্তাল
✔️ সঠিক উত্তর: খ. পৃথিবী গোলাকার
MCQ 4
এ্যারাটোসথেনিস কত বছর আগে পৃথিবী গোলাকার বলেছিলেন?
ক. পাঁচশ বছর
খ. এক হাজার বছর
গ. প্রায় আড়াই হাজার বছর
ঘ. পাঁচ হাজার বছর
✔️ সঠিক উত্তর: গ. প্রায় আড়াই হাজার বছর
MCQ 5
এ্যারাটোসথেনিস কোন দেশের দার্শনিক ছিলেন?
ক. ভারত
খ. মিশর
গ. গ্রিক
ঘ. রোমান
✔️ সঠিক উত্তর: গ. গ্রিক
MCQ 6
ভারতীয় কোন বিজ্ঞানী পৃথিবী গোলাকার বলেছিলেন?
ক. চাণক্য
খ. আর্যভট্ট
গ. বরাহমিহির
ঘ. ভাস্করাচার্য
✔️ সঠিক উত্তর: খ. আর্যভট্ট
MCQ 7
পৃথিবী গোলাকার না হয়ে চ্যাপ্টা হলে কী হত?
ক. সব জায়গায় একই সময় সূর্যোদয় হত
খ. কখনো সূর্যোদয় হত না
গ. শুধু রাত হত
ঘ. সব জায়গায় বৃষ্টি হত
✔️ সঠিক উত্তর: ক. সব জায়গায় একই সময় সূর্যোদয় হত
MCQ 8
চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের ওপর কী পড়ে?
ক. সূর্যের আলো
খ. পৃথিবীর গোলাকার ছায়া
গ. তারার আলো
ঘ. মেঘের ছায়া
✔️ সঠিক উত্তর: খ. পৃথিবীর গোলাকার ছায়া
MCQ 9
চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের ওপর পৃথিবীর ছায়া কেমন দেখায়?
ক. চৌকো
খ. ত্রিকোণা
গ. গোলাকার
ঘ. আয়তাকার
✔️ সঠিক উত্তর: গ. গোলাকার
MCQ 10
মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে কেমন দেখায়?
ক. চ্যাপ্টা থালা
খ. উজ্জ্বল নীল গোলক
গ. লাল বল
ঘ. সাদা চাকতি
✔️ সঠিক উত্তর: খ. উজ্জ্বল নীল গোলক
MCQ 11
মহাকাশচারীরা মহাশূন্য থেকে পৃথিবীকে কীভাবে দেখেছেন?
ক. সমতল ভূমি
খ. ত্রিকোণ আকৃতি
গ. উজ্জ্বল নীল গোলকের মতো
ঘ. চন্দ্রগ্রহণের মতো
✔️ সঠিক উত্তর: গ. উজ্জ্বল নীল গোলকের মতো
MCQ 12
কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে কী তোলা সম্ভব হয়েছে?
ক. চাঁদের ছবি
খ. সূর্যের ছবি
গ. পৃথিবীর ছবি
ঘ. তারার ছবি
✔️ সঠিক উত্তর: গ. পৃথিবীর ছবি
MCQ 13
পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ কত?
ক. ৩৪০০ কিমি
খ. ৪৪০০ কিমি
গ. ৫৪০০ কিমি
ঘ. ৬৪০০ কিমি
✔️ সঠিক উত্তর: ঘ. ৬৪০০ কিমি
MCQ 14
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কত কিলোমিটার?
ক. ৬০০০ কিমি
খ. ৬৪০০ কিমি
গ. ৭০০০ কিমি
ঘ. ৮০০০ কিমি
✔️ সঠিক উত্তর: খ. ৬৪০০ কিমি
MCQ 15
বৃত্তের ব্যাসার্ধ যত বেশি হয়, বৃত্তচাপ কেমন হয়?
ক. বেশি বাঁকা
খ. কম বাঁকা
গ. একেবারে সোজা
ঘ. ভাঙা ভাঙা
✔️ সঠিক উত্তর: খ. কম বাঁকা
MCQ 16
ছোট বৃত্তের চাপ বেশি বাঁকা হয় কেন?
ক. ব্যাসার্ধ কম থাকে
খ. ব্যাসার্ধ বেশি থাকে
গ. দৈর্ঘ্য বেশি থাকে
ঘ. ব্যাস কম থাকে
✔️ সঠিক উত্তর: ক. ব্যাসার্ধ কম থাকে
MCQ 17
পৃথিবী সমতল মনে হয় কেন?
ক. পৃথিবী সত্যিই সমতল
খ. পৃথিবী অত্যন্ত বড় তাই বক্রতা বোঝা যায় না
গ. বায়ুমণ্ডলের জন্য
ঘ. মাধ্যাকর্ষণের জন্য
✔️ সঠিক উত্তর: খ. পৃথিবী অত্যন্ত বড় তাই বক্রতা বোঝা যায় না
MCQ 18
আমরা পৃথিবীর বক্রতা বুঝতে পারি না কেন?
ক. পৃথিবী খুব ছোট
খ. পৃথিবী অতি বৃহৎ
গ. পৃথিবী চ্যাপ্টা
ঘ. বায়ুমণ্ডল আছে
✔️ সঠিক উত্তর: খ. পৃথিবী অতি বৃহৎ
MCQ 19
পৃথিবীর বিশালতার কারণে কী হয়?
ক. সবকিছু উল্টো দেখায়
খ. ভূপৃষ্ঠকে সমতল মনে হয়
গ. সব জায়গা অন্ধকার থাকে
ঘ. পাহাড় দেখা যায় না
✔️ সঠিক উত্তর: খ. ভূপৃষ্ঠকে সমতল মনে হয়
MCQ 20
দিগন্তরেখা কেমন দেখায়?
ক. গোলাকার
খ. সোজা
গ. ত্রিকোণা
ঘ. চৌকো
✔️ সঠিক উত্তর: ক. গোলাকার
MCQ 21
কোনো ফাঁকা মাঠে দাঁড়িয়ে দেখলে দিগন্তরেখা কেমন মনে হয়?
ক. সোজা
খ. ভাঙা
গ. গোলাকার
ঘ. তরঙ্গায়িত
✔️ সঠিক উত্তর: গ. গোলাকার
MCQ 22
জাহাজের ডেক থেকে সমুদ্র দেখলে কেমন লাগে?
ক. চৌকো
খ. গোলাকার
গ. ত্রিকোণা
ঘ. সাপের মতো
✔️ সঠিক উত্তর: খ. গোলাকার
MCQ 23
কোনো জায়গা যত উঁচু থেকে দেখা যায়, তত কী দেখা যায়?
ক. কম অংশ
খ. বেশি অংশ
গ. একই অংশ
ঘ. কিছুই দেখা যায় না
✔️ সঠিক উত্তর: খ. বেশি অংশ
MCQ 24
উঁচু জায়গা থেকে দিগন্ত কেমন দেখায়?
ক. কম গোলাকার
খ. বেশি চওড়া ও গোলাকার
গ. সোজা
ঘ. অস্পষ্ট
✔️ সঠিক উত্তর: খ. বেশি চওড়া ও গোলাকার
MCQ 25
পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় সূর্যোদয় বিভিন্ন সময় হয় কেন?
ক. পৃথিবী চ্যাপ্টা তাই
খ. পৃথিবী গোলাকার তাই
গ. সূর্য ঘোরে বলে
ঘ. চাঁদের কারণে
✔️ সঠিক উত্তর: খ. পৃথিবী গোলাকার তাই
MCQ 26
পৃথিবী চ্যাপ্টা হলে সূর্যোদয় কেমন হত?
ক. বিভিন্ন সময়ে হত
খ. সব জায়গায় একই সময়ে হত
গ. হত না
ঘ. রাতে হত
✔️ সঠিক উত্তর: খ. সব জায়গায় একই সময়ে হত
MCQ 27
পৃথিবীর সব জায়গায় একই সময়ে সূর্যোদয় হয় না কেন?
ক. পৃথিবী চ্যাপ্টা
খ. পৃথিবী গোলাকার
গ. সূর্য ছোট
ঘ. চাঁদ বড়
✔️ সঠিক উত্তর: খ. পৃথিবী গোলাকার
MCQ 28
প্রাচীনকালে মানুষ পৃথিবীর শেষ দেখতে কী করত?
ক. উঁচু পাহাড়ে চড়ত ও নৌকায় যেত
খ. আকাশে উড়ত
গ. গর্ত খুঁড়ত
ঘ. ঘরে বসে থাকত
✔️ সঠিক উত্তর: ক. উঁচু পাহাড়ে চড়ত ও নৌকায় যেত
MCQ 29
গ্রিক পণ্ডিত এ্যারাটোসথেনিস কী লক্ষ করেছিলেন?
ক. চন্দ্রগ্রহণে গোলাকার ছায়া
খ. সমুদ্রের জাহাজের গতিবিধি
গ. জাহাজ দূরে গেলে প্রথমে নীচের অংশ অদৃশ্য হয়
ঘ. সূর্যোদয়ের সময়ের পার্থক্য
✔️ সঠিক উত্তর: গ. জাহাজ দূরে গেলে প্রথমে নীচের অংশ অদৃশ্য হয়
MCQ 30
কীভাবে বোঝা যায় পৃথিবী গোলাকার?
ক. জাহাজ দূরের সমুদ্রে গেলে নীচের অংশ আগে অদৃশ্য হয়
খ. জাহাজ উধাও হয়ে যায়
গ. জাহাজ বড় দেখায়
ঘ. জাহাজ থেমে যায়
✔️ সঠিক উত্তর: ক. জাহাজ দূরের সমুদ্রে গেলে নীচের অংশ আগে অদৃশ্য হয়
MCQ 31
জাহাজ যখন সমুদ্রের দিকে যাত্রা শুরু করে, তীর থেকে দেখলে কোন অংশ সবার আগে অদৃশ্য হয়?
ক. জাহাজের পাল
খ. জাহাজের মাস্তুলের মাথা
গ. জাহাজের সম্পূর্ণ নীচের অংশ
ঘ. জাহাজের ধোঁয়া
✔️ সঠিক উত্তর: গ. জাহাজের সম্পূর্ণ নীচের অংশ
MCQ 32
সমুদ্রতীরে দাঁড়িয়ে জাহাজ দেখার সময় শেষ পর্যন্ত কী দেখা যায়?
ক. সম্পূর্ণ জাহাজ
খ. শুধু মাস্তুলের মাথা
গ. জাহাজের নীচের তলা
ঘ. জাহাজের পেছন দিক
✔️ সঠিক উত্তর: খ. শুধু মাস্তুলের মাথা
MCQ 33
কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবি কী প্রমাণ করে?
ক. পৃথিবী চ্যাপ্টা
খ. পৃথিবী ত্রিকোণ
গ. পৃথিবী গোলাকার
ঘ. পৃথিবী অর্ধচন্দ্রাকৃতি
✔️ সঠিক উত্তর: গ. পৃথিবী গোলাকার
MCQ 34
পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কী?
ক. সম্পূর্ণ গোলাকার
খ. চ্যাপ্টা
গ. ভূ-আকৃতি (Geoid) বা কমলা লেবুর মতো
ঘ. নিখুঁত গোলক
✔️ সঠিক উত্তর: গ. ভূ-আকৃতি (Geoid) বা কমলা লেবুর মতো
MCQ 35
Geoid শব্দের অর্থ কী?
ক. গোলাকার
খ. চ্যাপ্টা
গ. ভূ-আকৃতি
ঘ. ডিম্বাকৃতি
✔️ সঠিক উত্তর: গ. ভূ-আকৃতি
MCQ 36
পৃথিবীর নিরক্ষীয় ব্যাস কত?
ক. ১২,৭১৪ কিমি
খ. ১২,৭৫৬ কিমি
গ. ১২,৭১২ কিমি
ঘ. ১২,৮০০ কিমি
✔️ সঠিক উত্তর: খ. ১২,৭৫৬ কিমি
MCQ 37
পৃথিবীর মেরু ব্যাস কত?
ক. ১২,৭১৪ কিমি
খ. ১২,৭৫৬ কিমি
গ. ১২,৭১২ কিমি
ঘ. ১২,৮০০ কিমি
✔️ সঠিক উত্তর: ক. ১২,৭১৪ কিমি
MCQ 38
পৃথিবীর নিরক্ষীয় ও মেরু ব্যাসের পার্থক্য কত?
ক. ১২ কিমি
খ. ২২ কিমি
গ. ৩২ কিমি
ঘ. ৪২ কিমি
✔️ সঠিক উত্তর: ঘ. ৪২ কিমি
MCQ 39
পৃথিবী গোলাকার — এই ধারণা প্রথম কাদের?
ক. গ্রিক দার্শনিকদের
খ. রোমানদের
গ. চীনাদের
ঘ. আফ্রিকানদের
✔️ সঠিক উত্তর: ক. গ্রিক দার্শনিকদের
MCQ 40
অ্যারিস্টটল পৃথিবী সম্পর্কে কী বলেছিলেন?
ক. পৃথিবী চ্যাপ্টা
খ. পৃথিবী গোলাকার
গ. পৃথিবী ত্রিকোণ
ঘ. পৃথিবী চাকতি
✔️ সঠিক উত্তর: খ. পৃথিবী গোলাকার
MCQ 41
ম্যাগেলান কী প্রমাণ করেছিলেন?
ক. পৃথিবী সমতল
খ. পৃথিবী গোলাকার বলে সমুদ্রপথে প্রদক্ষিণ করা যায়
গ. পৃথিবী থেমে আছে
ঘ. পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে
✔️ সঠিক উত্তর: খ. পৃথিবী গোলাকার বলে সমুদ্রপথে প্রদক্ষিণ করা যায়
✏️

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ)

30 টি
🔹 পৃথিবী গোলাকার না হলে কীভাবে বোঝা যেত?
পৃথিবী চ্যাপ্টা হলে সব জায়গায় একই সময়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হত। কিন্তু বাস্তবে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময়ে সূর্যোদয় হয়, যা প্রমাণ করে পৃথিবী গোলাকার।
🔹 সমুদ্রতীর থেকে জাহাজকে দূরে যেতে দেখলে কী বোঝা যায়?
সমুদ্রতীর থেকে জাহাজ দূরে যেতে থাকলে প্রথমে জাহাজের সম্পূর্ণ অংশ, পরে শুধু পাল এবং শেষে মাস্তুলের মাথাটুকু দেখা যায়। এটি পৃথিবী গোলাকার হওয়ার প্রমাণ।
🔹 প্রাচীনকালে মানুষ পৃথিবীকে কী মনে করত?
প্রাচীনকালে মানুষ বিশ্বাস করত যে পৃথিবীটা চ্যাপটা থালার মতো। তারা কোনো রেলগাড়ি বা এরোপ্লেন ছাড়াই উঁচু পাহাড়ে চড়ে বা নৌকায় করে পৃথিবীর শেষ দেখতে যেত।
🔹 এ্যারাটোসথেনিস কে ছিলেন?
এ্যারাটোসথেনিস ছিলেন একজন গ্রিক দার্শনিক। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে তিনি জাহাজের গতিবিধি লক্ষ করে বলেছিলেন যে পৃথিবী আসলে গোলাকার।
🔹 চন্দ্রগ্রহণের সময় কীভাবে পৃথিবী গোলাকার প্রমাণিত হয়?
চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের ওপর পৃথিবীর ছায়া পড়ে। সেই ছায়া সবসময় গোলাকার হয়। শুধুমাত্র গোলাকার বস্তুর ছায়াই গোলাকার হতে পারে। এটি পৃথিবী গোলাকার হওয়ার প্রমাণ।
🔹 মহাকাশচারীরা কীভাবে পৃথিবীকে দেখেছেন?
মহাকাশচারীরা মহাশূন্য থেকে পৃথিবীকে উজ্জ্বল নীল গোলকের মতো দেখেছেন। এরোপ্লেন ও কৃত্রিম উপগ্রহ থেকেও পৃথিবীর গোলাকার ছবি তোলা সম্ভব হয়েছে।
🔹 আমরা পৃথিবীর বক্রতা বুঝতে পারি না কেন?
পৃথিবী এতই বিশাল যে আমরা এর খুব সামান্য অংশ দেখতে পাই। পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ ৬৪০০ কিমি, এত বড় ব্যাসার্ধের বৃত্তের ওপর দাঁড়িয়ে থাকায় ভূপৃষ্ঠকে চ্যাপটা সমতল বলে ভুল হয়।
🔹 পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ কত?
পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ ৬৪০০ কিলোমিটার। এত বিশাল ব্যাসার্ধের কারণে আমরা পৃথিবীর বক্রতা বুঝতে পারি না এবং ভূপৃষ্ঠকে সমতল মনে হয়।
🔹 ছোট ও বড় বৃত্তের চাপের মধ্যে পার্থক্য কী?
ছোট বৃত্তের ব্যাসার্ধ কম হওয়ায় তার চাপ বেশি বাঁকা হয়। অন্যদিকে বড় বৃত্তের ব্যাসার্ধ বেশি হওয়ায় তার চাপ কম বাঁকা হয়। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ অত্যন্ত বড় হওয়ায় আমরা বক্রতা টের পাই না।
🔹 দিগন্ত কী? দিগন্ত কেমন দেখায়?
যেখানটায় আকাশ এসে পৃথিবীর সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয় তাকে দিগন্ত বলে। ফাঁকা মাঠ বা খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে দেখলে দিগন্তরেখাকে গোলাকার বলে মনে হয়। জাহাজের ডেক থেকেও দিগন্ত গোলাকার দেখায়।
🔹 উঁচু জায়গা থেকে দেখলে দিগন্ত কেমন দেখায়?
যত উঁচু জায়গা থেকে দেখা যায়, তত বেশি অংশ চোখে পড়ে। কিন্তু যেখান থেকেই দেখা হোক না কেন, দিগন্তকে সবসময় গোলাকারই মনে হবে।
🔹 আর্যভট্ট কে ছিলেন?
আর্যভট্ট ছিলেন প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিদ। তিনিও পৃথিবী গোলাকার — এই ধারণাকে সমর্থন করেছিলেন।
🔹 পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কেমন?
পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি সম্পূর্ণ গোলাকার নয়, ভূ-আকৃতি (Geoid)। নিরক্ষীয় অঞ্চল একটু ফোলা এবং মেরু অঞ্চল একটু চাপা, অনেকটা কমলা লেবুর মতো।
🔹 Geoid কাকে বলে?
Geoid বা ভূ-আকৃতি হল পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি। নিরক্ষীয় অঞ্চলে পৃথিবী সামান্য স্ফীত এবং মেরু অঞ্চলে সামান্য চাপা, ফলে পৃথিবীকে কমলা লেবুর মতো দেখায়।
🔹 পৃথিবীর নিরক্ষীয় ব্যাস ও মেরু ব্যাস কত?
পৃথিবীর নিরক্ষীয় ব্যাস ১২,৭৫৬ কিমি এবং মেরু ব্যাস ১২,৭১৪ কিমি। দুটির মধ্যে পার্থক্য মাত্র ৪২ কিমি।
🔹 পৃথিবী চ্যাপ্টা হলে কী ঘটত?
পৃথিবী যদি চ্যাপ্টা সমতল হত, তাহলে সব জায়গায় একই সময় সূর্যোদয় হত এবং একই সময় সূর্যাস্ত হত। কিন্তু বাস্তবে তা হয় না।
🔹 গ্রিক পণ্ডিতেরা পৃথিবী সম্পর্কে কী ধারণা দিয়েছিলেন?
গ্রিক পণ্ডিত অ্যারিস্টটল, এ্যারাটোসথেনিস প্রমুখ চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের ওপর পৃথিবীর গোলাকার ছায়া দেখে এবং জাহাজের গতি পর্যবেক্ষণ করে বলেছিলেন — পৃথিবী গোলাকার।
🔹 ম্যাগেলানের অভিযান কী প্রমাণ করেছিল?
ফার্ডিনান্ড ম্যাগেলান সমুদ্রপথে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে প্রমাণ করেছিলেন যে পৃথিবী গোলাকার। তাঁর অভিযান প্রথম বাস্তব প্রমাণ দেয় যে পৃথিবী চ্যাপ্টা নয়, গোল।
🔹 এ্যারোপ্লেন থেকে পৃথিবী কেমন দেখায়?
অনেক ওপর থেকে এরোপ্লেন বা কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পৃথিবীর ছবি তোলা যায়। সেসব ছবিতে পৃথিবীকে গোলাকার দেখায়, যা পৃথিবী গোলাকার হওয়ার আধুনিক প্রমাণ।
🔹 সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের পার্থক্য কেন হয়?
পৃথিবী গোলাকার বলে একই সময়ে সূর্যের আলো পৃথিবীর সব জায়গায় পৌঁছায় না। পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘোরে, তাই পূর্ব দিকের স্থানগুলোতে আগে সূর্যোদয় হয়।
🔹 পৃথিবীর শেষ দেখতে প্রাচীন মানুষ কী করত?
প্রাচীনকালে রেলগাড়ি বা এরোপ্লেন না থাকলেও মানুষ পৃথিবীর শেষ কোথায় দেখার জন্য উঁচু পাহাড়ে চড়ত এবং বড় বড় নৌকা করে সমুদ্র অভিযানে বের হত।
🔹 জাহাজের কোন অংশ সবার শেষে অদৃশ্য হয়?
জাহাজ দূরে যেতে থাকলে প্রথমে জাহাজের তলা বা নীচের অংশ অদৃশ্য হয়, তারপর পাল এবং সবার শেষে মাস্তুলের মাথাটুকু অদৃশ্য হয়। এটি পৃথিবী গোলাকার হওয়ার প্রমাণ।
🔹 পৃথিবীর আকার এত বড় কেন মনে হয়?
পৃথিবীর ব্যাস প্রায় ১২,৭৪২ কিমি এবং পরিধি প্রায় ৪০,০৭৫ কিমি। এই বিশাল আকারের কারণে আমরা পৃথিবীর খুব সামান্য অংশ দেখতে পাই, তাই ভূপৃষ্ঠকে সমতল মনে হয়।
🔹 ছায়া দিয়ে কীভাবে বোঝা যায় পৃথিবী গোলাকার?
চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের ওপর পৃথিবীর ছায়া পড়ে। সবসময় সেই ছায়া গোলাকার হয়। একমাত্র গোলাকার বস্তুর ছায়াই গোলাকার হয়, যা পৃথিবীর গোলাকারত্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।
🔹 খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে দেখলে কী বোঝা যায়?
ফাঁকা মাঠ বা অনেকখানি খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে দেখলে দিগন্তরেখাকে গোলাকার বলে মনে হয়। সবসময় দিগন্ত গোলাকার দেখা যায়, যা পৃথিবীর বক্রতারই ফলাফল।
🔹 কৃত্রিম উপগ্রহ কী প্রমাণ করেছে?
কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা পৃথিবীর ছবি স্পষ্টভাবে দেখিয়েছে যে পৃথিবী গোলাকার। এই ছবিগুলো আধুনিক বিজ্ঞানের অন্যতম বড় প্রমাণ।
🔹 পৃথিবীর নিরক্ষীয় অঞ্চল ও মেরু অঞ্চলের মধ্যে পার্থক্য কী?
পৃথিবীর নিরক্ষীয় অঞ্চল সামান্য স্ফীত (ফোলা) এবং মেরু অঞ্চল সামান্য চাপা। নিরক্ষীয় ব্যাস ১২,৭৫৬ কিমি ও মেরু ব্যাস ১২,৭১৪ কিমি, পার্থক্য ৪২ কিমি।
🔹 প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা কী বলেছিলেন?
প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতির্বিদ আর্যভট্ট বলেছিলেন — পৃথিবী গোলাকার এবং এটি নিজ অক্ষের চারদিকে আবর্তন করে। তাঁর এই ধারণা আধুনিক বিজ্ঞানের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
🔹 পৃথিবী গোলাকার — এর পক্ষে একটি আধুনিক প্রমাণ দাও।
মহাকাশচারীরা মহাকাশ থেকে, এরোপ্লেন বা কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পৃথিবীকে গোলাকার দেখেছেন এবং ছবি তুলেছেন। এগুলো পৃথিবী গোলাকার হওয়ার সরাসরি আধুনিক প্রমাণ।
🔹 পৃথিবী সমতল মনে হওয়ার কারণ কী?
পৃথিবী অত্যন্ত বড় (ব্যাসার্ধ ৬৪০০ কিমি), ফলে আমরা একসঙ্গে এর খুব ক্ষুদ্র অংশ দেখি। বড় বৃত্তের বক্রতা খুব কম হওয়ায় আমাদের চোখে ভূপৃষ্ঠ সমতল বলে ভ্রম হয়।
📚

রচনাধর্মী প্রশ্ন (Broad Questions)

6 টি
📌 পৃথিবী গোলাকার — এই ধারণার পক্ষে প্রমাণগুলি লেখো।

পৃথিবী গোলাকার হওয়ার প্রমাণসমূহ:

১. সমুদ্রে জাহাজ দেখা: সমুদ্রতীর থেকে দূরের জাহাজ দেখলে প্রথমে নীচের অংশ, তারপর পাল, শেষে মাস্তুলের মাথা অদৃশ্য হয়।

২. চন্দ্রগ্রহণ: চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের ওপর পৃথিবীর ছায়া সবসময় গোলাকার পড়ে।

৩. সূর্যোদয়ের সময়ের পার্থক্য: পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময়ে সূর্যোদয় হয়।

৪. দিগন্তরেখা: যেকোনো খোলা জায়গা থেকে দিগন্তরেখা গোলাকার দেখায়।

৫. উপগ্রহের ছবি: কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ছবিতে পৃথিবী গোলাকার।

৬. মহাকাশচারীদের বর্ণনা: মহাকাশচারীরা মহাশূন্য থেকে পৃথিবীকে উজ্জ্বল নীল গোলক হিসেবে দেখেছেন।

৭. ম্যাগেলানের সমুদ্রযাত্রা: ম্যাগেলান সমুদ্রপথে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে গোলাকারত্ব প্রমাণ করেন।

📌 পৃথিবীকে আমরা সমতল মনে করি কেন? ব্যাখ্যা করো।

পৃথিবী সমতল মনে হওয়ার কারণ:

পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ ৬৪০০ কিলোমিটার। এত বিশাল ব্যাসার্ধের বৃত্তের বক্রতা অত্যন্ত কম। আমরা পৃথিবীর এতই সামান্য অংশ একসঙ্গে দেখতে পাই যে বক্রতা বোঝা যায় না।

ছোট বৃত্তের ব্যাসার্ধ কম তাই চাপ বেশি বাঁকা হয়। কিন্তু পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বিশাল বলে এর চাপ প্রায় সোজা মনে হয়। যেমন — একটি বিশাল গোলকের ওপর দাঁড়িয়ে থাকলে খুব কাছের অংশ দেখে সেটিকে সমতল মনে হয়।

এছাড়া পাহাড়, গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির কারণে আমরা সম্পূর্ণ ভূভাগ একসঙ্গে দেখতে পাই না, ফলে ভূপৃষ্ঠ সমতল বলে ভুল হয়।

📌 চন্দ্রগ্রহণের মাধ্যমে কীভাবে প্রমাণিত হয় যে পৃথিবী গোলাকার? ব্যাখ্যা করো।

চন্দ্রগ্রহণ ও পৃথিবীর গোলাকারত্ব:

চন্দ্রগ্রহণ হলো একটি মহাজাগতিক ঘটনা যেখানে সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী এসে পড়ে। এতে পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে এবং চাঁদ আংশিক বা সম্পূর্ণ ঢেকে যায়।

চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের ওপর যে ছায়া পড়ে, তা সবসময় গোলাকার হয়। বিজ্ঞান告诉我们 — শুধুমাত্র গোলাকার বস্তুর ছায়াই সবসময় গোলাকার হতে পারে।

যদি পৃথিবী চ্যাপ্টা বা অন্য কোনো আকৃতির হত, তাহলে চাঁদের ওপর ছায়া কখনো গোলাকার হত না। তাই চন্দ্রগ্রহণের এই পর্যবেক্ষণই পৃথিবী গোলাকার হওয়ার একটি শক্তিশালী প্রমাণ।

প্রাচীন গ্রিক পণ্ডিত অ্যারিস্টটল এবং ভারতীয় বিজ্ঞানী আর্যভট্টও চন্দ্রগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেই পৃথিবী গোলাকার বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন।

📌 পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কেমন? Geoid বলতে কী বোঝায়?

পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি:

পৃথিবী সম্পূর্ণ গোলাকার নয়। এটি অনেকটা কমলা লেবুর মতো — অর্থাৎ উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সামান্য চাপা এবং নিরক্ষীয় অঞ্চল সামান্য স্ফীত বা ফোলা।

Geoid বা ভূ-আকৃতি:

Geoid হলো পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতিকে বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত বৈজ্ঞানিক পরিভাষা। এর অর্থ 'ভূ-আকৃতি' বা Earth-like shape।

পরিমাপ:

  • নিরক্ষীয় ব্যাস: ১২,৭৫৬ কিমি
  • মেরু ব্যাস: ১২,৭১৪ কিমি
  • পার্থক্য: মাত্র ৪২ কিমি

এই ৪২ কিমি পার্থক্য ১২,০০০ কিমির তুলনায় খুবই নগণ্য, তাই পৃথিবীকে সাধারণভাবে গোল বলা হয়।

📌 গ্রিক পণ্ডিত ও ভারতীয় বিজ্ঞানীদের পৃথিবীর আকৃতি সম্পর্কে কী ধারণা ছিল?

গ্রিক পণ্ডিতদের ধারণা:

  • এ্যারাটোসথেনিস: প্রায় ২৫০০ বছর আগে সমুদ্রে জাহাজের গতিবিধি লক্ষ করে বলেছিলেন পৃথিবী গোলাকার।
  • অ্যারিস্টটল: চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের ওপর পৃথিবীর গোলাকার ছায়া দেখে পৃথিবী গোলাকার বলে মত দেন।

ভারতীয় বিজ্ঞানীদের ধারণা:

  • আর্যভট্ট (খ্রিস্টীয় ৫ম শতক): তিনি বলেন, পৃথিবী গোলাকার এবং এটি নিজ অক্ষের চারিদিকে আবর্তন করে।
  • প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতির্বিদ্যা গ্রন্থেও পৃথিবীকে 'ভূগোল' (গোলাকার ভূমি) বলা হয়েছে।

এই ধারণাগুলো আধুনিক মহাকাশবিজ্ঞানের মাধ্যমেও সত্য প্রমাণিত হয়েছে।

📌 পৃথিবী গোলাকার না হলে কী হত? সংক্ষেপে আলোচনা করো।

পৃথিবী গোলাকার না হলে:

১. সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত: সব জায়গায় একই সময়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হত।

২. ঋতু পরিবর্তন: ঋতু পরিবর্তন হত না, কারণ সূর্যের আলো সব জায়গায় সমানভাবে পড়ত।

৩. সময়ের পার্থক্য: বিভিন্ন দেশে সময়ের কোনো পার্থক্য থাকত না।

৪. মাধ্যাকর্ষণ: পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে সব জায়গার দূরত্ব সমান না হওয়ায় মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম হত।

৫. দিগন্তরেখা: দিগন্তরেখা গোলাকার না হয়ে সোজা দেখা যেত।

৬. অভিকর্ষজ ত্বরণ: পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে g-এর মান অভিন্ন হত না।

সৌভাগ্যবশত পৃথিবী গোলাকার বলেই উপরোক্ত ঘটনাগুলো যথাযথভাবে সংঘটিত হচ্ছে।

Sponsored Links

Class 6 Geography Chapter 2: পৃথিবী কী গোল

পৃথিবী কী গোল অধ্যায়ে পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি, গোলাকারত্বের প্রমাণসমূহ, চন্দ্রগ্রহণ, দিগন্তরেখা, বৃত্তচাপ ও ব্যাসার্ধের সম্পর্ক, Geoid-এর ধারণা এবং প্রাচীন বিজ্ঞানীদের মতামত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

পৃথিবীর গোলাকারত্বের প্রমাণ
চন্দ্রগ্রহণ ও ছায়া
সমুদ্রে জাহাজ পর্যবেক্ষণ
Geoid ও ব্যাসার্ধের ধারণা

Frequently Asked Questions (পৃথিবী কী গোল)

এই অধ্যায়ে পৃথিবীর গোলাকারত্বের প্রমাণসমূহ, চন্দ্রগ্রহণ, দিগন্তরেখা, সমুদ্রে জাহাজের গতি, প্রাচীন বিজ্ঞানীদের মতামত এবং Geoid সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

এই পৃষ্ঠায় ৪২টি MCQ, ৩০টি SAQ এবং ৬টি রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তরসহ দেওয়া আছে।

হ্যাঁ, সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সর্বশেষ সিলেবাস (২০২৬) অনুযায়ী তৈরি।