শব্দদূষণের উৎস • ডেসিবেল • স্বাস্থ্যের প্রভাব • সাইলেন্ট জোন • প্রতিকার • আইন
📝
বহুবিকল্পধর্মী প্রশ্ন (MCQ)
42 টি
MCQ 1
শব্দদূষণ কাকে বলে?
ক. মনোরম শব্দ
খ. অসহ্য ও বিরক্তিকর মাত্রাতিরিক্ত শব্দ
গ. পাখির ডাক
ঘ. গানের শব্দ
✔️ খ. অসহ্য ও বিরক্তিকর মাত্রাতিরিক্ত শব্দ
MCQ 2
শব্দের তীব্রতা মাপার একক কী?
ক. মিটার
খ. কিলোগ্রাম
গ. ডেসিবেল (dB)
ঘ. লিটার
✔️ গ. ডেসিবেল (dB)
MCQ 3
শব্দের তীব্রতা মাপার যন্ত্রের নাম কী?
ক. থার্মোমিটার
খ. ব্যারোমিটার
গ. হাইগ্রোমিটার
ঘ. ডেসিবেল মিটার
✔️ ঘ. ডেসিবেল মিটার
MCQ 4
সাধারণত কত ডেসিবেলের বেশি শব্দ স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর?
ক. ৪৫ dB
খ. ৫৫ dB
গ. ৬৫ dB
ঘ. ৮৫ dB
✔️ গ. ৬৫ dB
MCQ 5
শব্দদূষণের ফলে প্রথমে কোন অঙ্গের ক্ষতি হয়?
ক. চোখ
খ. কান
গ. নাক
ঘ. ত্বক
✔️ খ. কান
MCQ 6
দীর্ঘদিন শব্দদূষণে থাকলে শ্রবণশক্তির কী হয়?
ক. বাড়ে
খ. ধীরে ধীরে কমে যায়
গ. একই থাকে
ঘ. ভালো হয়
✔️ খ. ধীরে ধীরে কমে যায়
MCQ 7
শব্দদূষণের ফলে কী ধরনের মানসিক সমস্যা হতে পারে?
ক. ভালো ঘুম
খ. প্রশান্তি
গ. বিরক্তি ও মেজাজ খিটখিটে
ঘ. আনন্দ
✔️ গ. বিরক্তি ও মেজাজ খিটখিটে
MCQ 8
শব্দদূষণের ফলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হতে পারে — এটি সত্য কি?
ক. সত্য
খ. মিথ্যা
গ. আংশিক সত্য
ঘ. বলা যায় না
✔️ ক. সত্য
MCQ 9
শহরের শব্দদূষণের প্রধান উৎস কী?
ক. পাখির ডাক
খ. যানবাহনের শব্দ
গ. বৃষ্টির শব্দ
ঘ. পাতার শব্দ
✔️ খ. যানবাহনের শব্দ
MCQ 10
সাইলেন্সার যন্ত্র কোথায় লাগানো হয়?
ক. রেডিওতে
খ. গাড়িতে
গ. টিভিতে
ঘ. ফ্যানে
✔️ খ. গাড়িতে
MCQ 11
হাসপাতালের সামনে হর্ন বাজানো কেন নিষিদ্ধ?
ক. রোগীদের বিশ্রামের জন্য
খ. ডাক্তার নেই বলে
গ. আইন নেই বলে
ঘ. গাড়ি নেই বলে
✔️ ক. রোগীদের বিশ্রামের জন্য
MCQ 12
সাইলেন্ট জোন বলতে কী বোঝায়?
ক. যেখানে পাখি ডাকে
খ. যেখানে উচ্চ শব্দ নিষিদ্ধ
গ. যেখানে যানবাহন চলে
ঘ. যেখানে কলকারখানা আছে
✔️ খ. যেখানে উচ্চ শব্দ নিষিদ্ধ
MCQ 13
স্কুলের সামনে লাগানো বোর্ডে কী লেখা থাকে?
ক. হর্ন বাজান
খ. সাইলেন্ট জোন, হর্ন নিষিদ্ধ
গ. দ্রুত চলুন
ঘ. গাড়ি থামান
✔️ খ. সাইলেন্ট জোন, হর্ন নিষিদ্ধ
MCQ 14
বিমানবন্দরে কাজ করা ব্যক্তিরা কোন সমস্যায় ভোগেন?
ক. চোখের সমস্যা
খ. শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া
গ. পায়ের সমস্যা
ঘ. হাতের সমস্যা
✔️ খ. শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া
MCQ 15
উচ্চ শব্দের ফলে ঘুমের কী সমস্যা হয়?
ক. ভালো ঘুম হয়
খ. অনিদ্রা হয়
গ. বেশি ঘুম হয়
ঘ. স্বপ্ন দেখা যায়
✔️ খ. অনিদ্রা হয়
MCQ 16
শব্দদূষণ কমাতে গাছপালার ভূমিকা কী?
ক. কোনো ভূমিকা নেই
খ. শব্দ প্রতিরোধ করে
গ. শব্দ বাড়ায়
ঘ. শব্দ সৃষ্টি করে
✔️ খ. শব্দ প্রতিরোধ করে
MCQ 17
যন্ত্রপাতিতে তেল দিয়ে সচল রাখলে কী সুবিধা?
ক. শব্দ বেড়ে যায়
খ. শব্দ কম হয়
গ. মরিচা পড়ে
ঘ. কিছু হয় না
✔️ খ. শব্দ কম হয়
MCQ 18
শব্দদূষণ রোধে কোনটি করা উচিত নয়?
ক. অকারণে হর্ন বাজানো
খ. গাছ লাগানো
গ. সাইলেন্সার লাগানো
ঘ. শব্দরোধী দেয়াল তৈরি
✔️ ক. অকারণে হর্ন বাজানো
MCQ 19
শব্দদূষণের ফলে হৃদরোগ হতে পারে — সত্য না মিথ্যা?
ক. সত্য
খ. মিথ্যা
গ. আংশিক সত্য
ঘ. বলা যায় না
✔️ ক. সত্য
MCQ 20
রাতে উচ্চস্বরে গানবাজনা করলে কী ধরনের দূষণ হয়?
ক. জলদূষণ
খ. বায়ুদূষণ
গ. শব্দদূষণ
ঘ. মৃত্তিকা দূষণ
✔️ গ. শব্দদূষণ
MCQ 21
শব্দদূষণ ম্যাপ তৈরি করতে কী করতে হবে?
ক. শুধু শুনতে হবে
খ. বিভিন্ন জায়গার শব্দের তীব্রতা রং দিয়ে চিহ্নিত করতে হবে
গ. গান গাইতে হবে
ঘ. ছবি আঁকতে হবে
✔️ খ. বিভিন্ন জায়গার শব্দের তীব্রতা রং দিয়ে চিহ্নিত করতে হবে
MCQ 22
কানের প্লাগ ব্যবহার করে কী লাভ?
ক. শব্দ কম শোনা যায়
খ. শব্দ বেশি শোনা যায়
গ. কান ব্যথা করে
ঘ. কিছু হয় না
✔️ ক. শব্দ কম শোনা যায়
MCQ 23
শহরের নকশা কেমন হওয়া উচিত?
ক. কলকারখানা লোকালয়ের কাছে
খ. কলকারখানা লোকালয় থেকে দূরে
গ. সব একসঙ্গে
ঘ. রাস্তার মাঝে
✔️ খ. কলকারখানা লোকালয় থেকে দূরে
MCQ 24
শব্দ দূষণের ফলে পাকস্থলীর রোগ হতে পারে — এটি কি ঠিক?
ক. ঠিক
খ. ভুল
গ. আংশিক ঠিক
ঘ. বলা যায় না
✔️ ক. ঠিক
MCQ 25
লাউডস্পিকারের ব্যবহার কখন নিষিদ্ধ?
ক. সকালে
খ. রাত ১০টার পর থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত
গ. দুপুরে
ঘ. বিকেলে
✔️ খ. রাত ১০টার পর থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত
MCQ 26
শব্দদূষণের ফলে শিশুদের কী সমস্যা হয়?
ক. পড়াশোনায় মনোযোগ নষ্ট
খ. ভালো খেলাধুলা
গ. ভালো ঘুম
ঘ. ভালো স্বাস্থ্য
✔️ ক. পড়াশোনায় মনোযোগ নষ্ট
MCQ 27
গ্রামের তুলনায় শহরে শব্দদূষণ কেমন?
ক. কম
খ. বেশি
গ. সমান
ঘ. নেই
✔️ খ. বেশি
MCQ 28
শব্দ দূষণের ফলে মাথাব্যথা হতে পারে — সত্য না মিথ্যা?
ক. সত্য
খ. মিথ্যা
গ. আংশিক সত্য
ঘ. জানা নেই
✔️ ক. সত্য
MCQ 29
বাজি পোড়ানোয় কোন ধরনের দূষণ হয়?
ক. শুধু বায়ুদূষণ
খ. শুধু শব্দদূষণ
গ. বায়ু ও শব্দ উভয় দূষণ
ঘ. জলদূষণ
✔️ গ. বায়ু ও শব্দ উভয় দূষণ
MCQ 30
শব্দরোধী দেয়াল তৈরি করলে কী সুবিধা?
ক. শব্দ আটকায়
খ. শব্দ বাড়ায়
গ. আলো দেয়
ঘ. বাতাস দেয়
✔️ ক. শব্দ আটকায়
MCQ 31
সিনেমা হলে শব্দ কমানোর জন্য কী ব্যবহার করা হয়?
ক. সাইলেন্সার
খ. শব্দ নিরোধক যন্ত্র
গ. স্পিকার
ঘ. মাইক্রোফোন
✔️ খ. শব্দ নিরোধক যন্ত্র
MCQ 32
উচ্চ স্বরে টিভি চালানোয় কী সমস্যা হয়?
ক. প্রতিবেশীদের বিরক্তি
খ. ভালো দেখা যায়
গ. বিদ্যুৎ সাশ্রয়
ঘ. টিভি ভালো হয়
✔️ ক. প্রতিবেশীদের বিরক্তি
MCQ 33
শব্দদূষণের জন্য সরকারের কী করা উচিত?
ক. আইন শিথিল করা
খ. কঠোর আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ
গ. কিছু করা উচিত নয়
ঘ. শুধু বললে হবে
✔️ খ. কঠোর আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ
MCQ 34
কারখানার শ্রমিকদের কানের সুরক্ষার জন্য কী দরকার?
ক. টুপি
খ. কানের প্লাগ বা ইয়ার প্রোটেক্টর
গ. জুতা
ঘ. গ্লাভস
✔️ খ. কানের প্লাগ বা ইয়ার প্রোটেক্টর
MCQ 35
শব্দদূষণের ফলে স্মৃতিশক্তির কী পরিবর্তন হয়?
ক. বাড়ে
খ. দুর্বল হয়
গ. একই থাকে
ঘ. ভালো হয়
✔️ খ. দুর্বল হয়
MCQ 36
কোন ধরণের শব্দ মানসিক চাপ সৃষ্টি করে?
ক. মৃদু সংগীত
খ. পাখির গান
গ. ক্রমাগত উচ্চ ও যান্ত্রিক শব্দ
ঘ. বৃষ্টির শব্দ
✔️ গ. ক্রমাগত উচ্চ ও যান্ত্রিক শব্দ
MCQ 37
শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে শব্দসহ্যের মাত্রা কেমন?
ক. বেশি
খ. কম
গ. সমান
ঘ. সবচেয়ে বেশি
✔️ খ. কম
MCQ 38
সাইলেন্ট জোনে গাড়ির হর্ন বাজালে কী হতে পারে?
ক. পুরস্কার
খ. জরিমানা বা শাস্তি
গ. সম্মান
ঘ. কিছু হবে না
✔️ খ. জরিমানা বা শাস্তি
MCQ 39
শব্দদূষণ রোধে সবচেয়ে ভালো উপায় কী?
ক. উৎসেই শব্দ নিয়ন্ত্রণ করা
খ. কান বন্ধ রাখা
গ. পালিয়ে যাওয়া
ঘ. চিৎকার করা
✔️ ক. উৎসেই শব্দ নিয়ন্ত্রণ করা
MCQ 40
পড়াশোনার পরিবেশে শব্দের মাত্রা কেমন হওয়া উচিত?
ক. খুব বেশি
খ. নীরব বা কম
গ. মাঝারি থেকে বেশি
ঘ. যে কোনো রকম
✔️ খ. নীরব বা কম
MCQ 41
গাছপালা শব্দ প্রতিরোধ করে কেন?
ক. পাতা শব্দ শোষণ করে ও প্রতিফলিত করে
খ. গাছ চুপ থাকে বলে
গ. গাছে পাখি থাকে বলে
ঘ. গাছ নরম বলে
✔️ ক. পাতা শব্দ শোষণ করে ও প্রতিফলিত করে
MCQ 42
রাস্তার ধারে বসবাসকারীদের প্রধান সমস্যা কী?
ক. জলাভাব
খ. যানবাহনের শব্দদূষণ
গ. খাদ্যাভাব
ঘ. বিদ্যুতের সমস্যা
✔️ খ. যানবাহনের শব্দদূষণ
✏️
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ)
30 টি
🔇 শব্দদূষণ কাকে বলে?
যখন শব্দ মানুষের পক্ষে অসহ্য, যন্ত্রণাদায়ক ও বিরক্তিকর হয়ে ওঠে এবং শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করে, তখন তাকে শব্দদূষণ (Noise Pollution) বলে। সাধারণত ৬৫ ডেসিবেলের বেশি শব্দই দূষণ হিসেবে গণ্য হয়।
🔇 শব্দের তীব্রতা কী এককে মাপা হয় ও কী যন্ত্রে?
শব্দের তীব্রতা মাপার একক হলো ডেসিবেল (dB)। ডেসিবেল মিটার (Decibel Meter) নামক যন্ত্রের সাহায্যে শব্দের তীব্রতা পরিমাপ করা হয়।
🔇 শব্দদূষণের প্রধান উৎসগুলো কী কী?
শব্দদূষণের প্রধান উৎসগুলো হলো — (১) যানবাহনের শব্দ ও হর্ন, (২) কলকারখানা ও যন্ত্রপাতির আওয়াজ, (৩) বিমানবন্দরের শব্দ, (৪) উচ্চস্বরে লাউডস্পিকার, রেডিও, টিভি, (৫) বাজি পোড়ানো, (৬) নির্মাণ কাজের শব্দ।
🔇 শব্দদূষণের ফলে শ্রবণশক্তির কী ক্ষতি হয়?
দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ শব্দের মধ্যে থাকলে কানের শ্রবণশক্তি ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে, এমনকি স্থায়ী বধিরতাও ঘটতে পারে। যারা কলকারখানায় কাজ করেন বা উচ্চস্বরে গান শোনেন, তাঁদের এ সমস্যা বেশি হয়।
🔇 শব্দদূষণের ফলে কী কী শারীরিক সমস্যা হতে পারে?
শব্দদূষণের ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, অনিদ্রা, মাথাব্যথা, পাকস্থলীর রোগ, হজমের সমস্যা, স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা এবং মানসিক চাপ ও বিরক্তি দেখা দিতে পারে।
🔇 শিশুদের ওপর শব্দদূষণের প্রভাব কী?
শিশুরা শব্দদূষণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উচ্চ শব্দ তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ নষ্ট করে, শ্রবণশক্তি কমিয়ে দেয়, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে।
🔇 সাইলেন্ট জোন কাকে বলে?
যে সমস্ত স্থানে উচ্চ শব্দ বা হর্ন বাজানো আইনত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, তাদের সাইলেন্ট জোন (Silent Zone) বলা হয়। যেমন — স্কুল, হাসপাতাল, আদালত, লাইব্রেরির সামনের এলাকা।
🔇 হাসপাতাল ও স্কুলের সামনে হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ কেন?
হাসপাতালে রোগীরা বিশ্রাম নেন, স্কুলে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করে। উচ্চ শব্দ রোগীর আরোগ্যে ব্যাঘাত ঘটায় এবং শিক্ষার্থীদের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটায়। তাই এ সব জায়গাকে সাইলেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে।
🔇 শব্দদূষণ রোধে গাছপালার ভূমিকা কী?
গাছপালা তীব্র শব্দ প্রতিরোধ করতে বা শোষণ করতে পারে। স্কুল, হাসপাতাল ও বাড়ির চারিদিকে গাছ লাগালে শব্দদূষণ অনেকখানি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।
🔇 শব্দদূষণ রোধে সাইলেন্সারের ভূমিকা কী?
গাড়ির ইঞ্জিনের শব্দ কমানোর জন্য সাইলেন্সার (Silencer) বা মাফলার ব্যবহার করা হয়। এটি গাড়ি থেকে নির্গত উচ্চ শব্দকে কমিয়ে দিয়ে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করে।
🔇 শব্দদূষণ রোধে ব্যক্তিগতভাবে কী কী করণীয়?
(১) অকারণে হর্ন না বাজানো, (২) উচ্চস্বরে রেডিও-টিভি না চালানো, (৩) রাতে উচ্চস্বরে গানবাজনা না করা, (৪) প্রয়োজনে কানের প্লাগ বা ইয়ার প্রোটেক্টর ব্যবহার করা, (৫) বাজি না ফাটানো।
🔇 শব্দদূষণ রোধে সরকারি পদক্ষেপ কী হওয়া উচিত?
সরকারের কঠোর আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা উচিত। সাইলেন্ট জোনে কড়া নজরদারি, লাউডস্পিকার ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ, শব্দদূষণকারীদের জরিমানা ও শাস্তির ব্যবস্থা থাকা দরকার।
🔇 শহরের নকশায় শব্দদূষণ কমানোর উপায় কী?
শহরের নকশা এমনভাবে তৈরি করা উচিত যাতে কলকারখানা, হাইওয়ে, বিমানবন্দর মানুষের বসবাসের অঞ্চল থেকে দূরে থাকে। আবাসিক এলাকায় পর্যাপ্ত গাছপালা ও শব্দরোধী দেয়াল রাখা প্রয়োজন।
যন্ত্রপাতির বিভিন্ন অংশের মধ্যে ঘর্ষণ কমাতে তেল ব্যবহার করা হয়। ঘর্ষণ কমলে যন্ত্রের শব্দও কম হয়। তাই নিয়মিত তেল দিয়ে যন্ত্রপাতি সচল রাখলে শব্দদূষণ অনেকাংশে কমানো যায়।
🔇 বাজি পোড়ানোয় কী কী ধরনের দূষণ হয়?
বাজি পোড়ানোয় একই সঙ্গে দু ধরনের দূষণ হয় — (১) শব্দদূষণ (প্রচণ্ড আওয়াজ), (২) বায়ুদূষণ (বারুদের ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাস)। এছাড়া এটি শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর।
🔇 ইয়ার প্লাগ বা কানের প্লাগ কী?
যাঁরা উচ্চ শব্দের পরিবেশে কাজ করেন (যেমন কলকারখানার শ্রমিক, বিমানবন্দরের কর্মী), তাঁদের কানকে সুরক্ষা দিতে বিশেষ ধরনের প্লাগ ব্যবহার করা হয়। একে ইয়ার প্লাগ (Ear Plug) বা ইয়ার প্রোটেক্টর বলে। এটি শব্দের তীব্রতা কমিয়ে কানে পৌঁছায়।
🔇 গ্রাম ও শহরের শব্দদূষণের মধ্যে পার্থক্য কী?
গ্রামে যানবাহন ও শিল্প-কারখানার সংখ্যা কম থাকায় শব্দদূষণ কম হয়। অন্যদিকে শহরে যানবাহনের ভিড়, কলকারখানা, নির্মাণ কাজ ও উচ্চস্বরে বাজনার কারণে শব্দদূষণ অনেক বেশি হয়।
🔇 নির্মাণ কাজের ফলে কীভাবে শব্দদূষণ হয়?
নির্মাণ কাজে বুলডোজার, ক্রেন, পাইলিং মেশিন, কংক্রিট মিক্সার ইত্যাদি ভারী যন্ত্র ব্যবহৃত হয়। এসব যন্ত্র থেকে উচ্চমাত্রার শব্দ নির্গত হয়, যা আশপাশের মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে।
🔇 রাতে লাউডস্পিকার ব্যবহার নিষিদ্ধ কেন?
রাতের বেলা মানুষের বিশ্রাম ও ঘুমের সময়। উচ্চ শব্দ অনিদ্রা, উচ্চ রক্তচাপ ও মানসিক চাপের কারণ হয়। তাই ভারতীয় আইন অনুযায়ী রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত লাউডস্পিকার ও উচ্চ স্বরে সঙ্গীত বাজানো নিষিদ্ধ।
🔇 শব্দদূষণ মানচিত্র বা ম্যাপ কীভাবে তৈরি করা যায়?
নিজের এলাকার বিভিন্ন জায়গার শব্দের তীব্রতা লক্ষ করে একটি কাগজে এলাকার ম্যাপ এঁকে, বিভিন্ন স্থানকে শব্দের মাত্রা অনুযায়ী বিভিন্ন রং দিয়ে চিহ্নিত করতে হবে (যেমন — বেশি শব্দের জায়গা লাল, কম শব্দের জায়গা সবুজ)। এটি শব্দদূষণ ম্যাপ।
🔇 শব্দদূষণ কেন সমাজ ও দেশের ক্ষতি করে?
শব্দদূষণ ব্যক্তির শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট করে, যার ফলে তাঁর কাজের ক্ষমতা কমে যায়, চিকিৎসা খরচ বাড়ে। সমষ্টিগতভাবে এটি সামাজিক অশান্তি সৃষ্টি করে, উৎপাদনশীলতা হ্রাস করে এবং শেষ পর্যন্ত দেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলে।
🔇 শব্দরোধী দেয়াল কোথায় তৈরি করা উচিত?
হাইওয়ে ও উড়ালপুলের ধারে, রেললাইনের পাশে, কলকারখানা ও বিমানবন্দরের আশপাশে এবং ঘনবসতি এলাকায় শব্দরোধী দেয়াল তৈরি করলে আশপাশের বাসিন্দারা শব্দদূষণের হাত থেকে অনেকাংশে রক্ষা পান।
🔇 মাত্রাতিরিক্ত শব্দকে দূষণ বলার কারণ কী?
মাত্রাতিরিক্ত শব্দ কখনোই প্রতিমধুর হয় না; বরং তা মানুষের শ্রবণেন্দ্রিয়ের পক্ষে অসহ্য, যন্ত্রণাদায়ক ও বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। এটি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটায়, স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে — এজন্যই তা দূষণ হিসেবে চিহ্নিত।
🔇 শব্দদূষণের ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে কী কী সমস্যা হতে পারে?
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে সারাদিন ক্লান্তি, মাথাব্যথা, মনোযোগের অভাব ও মেজাজ খিটখিটে হয়। দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের অভাব চলতে থাকলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
🔇 সিনেমা হলে শব্দ কমানোর প্রযুক্তি কেন ব্যবহার করা হয়?
সিনেমা হলে উচ্চস্বরে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই উচ্চ শব্দ যাতে বাইরে না যায় এবং আশপাশের লোকেরা বিরক্ত না হন, সেইজন্য বিশেষ শব্দ নিরোধক যন্ত্র (Sound Proofing) ও দেওয়াল ব্যবহার করা হয়।
🔇 কারখানায় শ্রমিকদের জন্য কী কী সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া উচিত?
কারখানায় (১) শব্দ নিরোধক কক্ষ তৈরি, (২) যন্ত্রপাতিতে সাইলেন্সার লাগানো, (৩) নিয়মিত তেল দেওয়া, (৪) শ্রমিকদের কানের প্লাগ (ইয়ার প্রোটেক্টর) সরবরাহ করা, (৫) নির্দিষ্ট সময় অন্তর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।
🔇 রাস্তার ধারে বসবাসকারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কী কী?
রাস্তার ধারে বসবাসকারীরা সারাদিন গাড়ির হর্ন, ইঞ্জিনের শব্দ, ধোঁয়া ইত্যাদির মধ্যে থাকেন। এর ফলে তাঁদের ঘুমের ব্যাঘাত, শ্রবণশক্তি হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং মানসিক চাপ ও বিরক্তির মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়।
🔇 শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ একসঙ্গে কোথায় ঘটে?
শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ একসঙ্গে ঘটে — কলকারখানা অঞ্চলে, ভারী যানবাহনের রাস্তায়, বিমানবন্দর এলাকায়, বাজি পোড়ানোর সময় এবং নির্মাণ কাজের স্থানে। এ সব ক্ষেত্রে উভয় ধরনের দূষণই জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি।
🔇 মানসিক চাপ ও বিরক্তি কেন শব্দদূষণের ফল?
অযাচিত ও উচ্চ শব্দ মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করে এবং দেহে স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ক্রমাগত এ ধরনের শব্দের সংস্পর্শে থাকলে মানুষের মেজাজ খিটখিটে হয়ে ওঠে, মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে এবং মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়।
🔇 শব্দদূষণ রোধে তুমি কী করতে পারো?
আমি বাড়িতে রেডিও-টিভির শব্দ কমিয়ে রাখব, অকারণে হর্ন বাজাব না, বিদ্যালয় ও হাসপাতালের সামনে চুপ থাকব, গাছ লাগাব, রাতে উচ্চস্বরে কিছু করব না এবং অন্যদেরও শব্দদূষণ সম্পর্কে সচেতন করব।
📚
রচনাধর্মী প্রশ্ন (Broad Questions)
6 টি
📌 শব্দদূষণ কাকে বলে? শব্দদূষণের প্রধান উৎসগুলো বিস্তারিত আলোচনা করো।
শব্দদূষণ: যখন শব্দ মানুষের পক্ষে অসহ্য, যন্ত্রণাদায়ক ও বিরক্তিকর হয়ে ওঠে এবং ৬৫ ডেসিবেল (dB)-এর বেশি মাত্রার হয়, তখন তাকে শব্দদূষণ (Noise Pollution) বলে।
প্রধান উৎস:
যানবাহন: বাস, লরি, মোটরগাড়ি, ট্যাক্সি ইত্যাদির ইঞ্জিন ও হর্নের শব্দ শহরের প্রধান উৎস।
কলকারখানা: ভারী যন্ত্রপাতি থেকে তীব্র শব্দ নির্গত হয়ে শ্রমিক ও আশপাশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন।
বিমানবন্দর: বিমান ওঠানামার সময় প্রচণ্ড শব্দ হয়, যা শ্রবণশক্তি হ্রাস করে।
নির্মাণ কাজ: বুলডোজার, ক্রেন, পাইলিং মেশিন ইত্যাদি।
লাউডস্পিকার ও বাজনা: সামাজিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে মাইক বাজানো।
📌 শব্দদূষণের ফলে মানবদেহে কী কী শারীরিক ও মানসিক সমস্যা হয়? আলোচনা করো।
শারীরিক সমস্যা:
শ্রবণশক্তি হ্রাস: দীর্ঘদিন উচ্চ শব্দে থাকলে কানের জ্ঞানের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ধীরে ধীরে কম শোনা বা বধিরতা দেখা দিতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ: শব্দ রক্তচাপ বাড়িয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি তৈরি করে।
পাকস্থলীর সমস্যা: অ্যাসিডিটি, হজমের গণ্ডগোল।
মাথাব্যথা ও অনিদ্রা: নিয়মিত শব্দে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, মাথাব্যথা হয়।
মানসিক সমস্যা:
বিরক্তি ও মেজাজ খিটখিটে: সামান্য শব্দেও বিরক্ত হন আক্রান্ত ব্যক্তি।
মনোযোগের অভাব: পড়াশোনা বা কাজে মন বসাতে পারেন না।
স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা: মনে রাখার ক্ষমতা ক্রমশ কমতে থাকে।
মানসিক চাপ (Stress): ক্রমাগত বিরক্তির ফলে অবসাদ ও মানসিক চাপ তৈরি হয়।
📌 সাইলেন্ট জোন কী? এর গুরুত্ব ও আইনগত দিক আলোচনা করো।
সাইলেন্ট জোন (Silent Zone):
যে সমস্ত স্থানের ১০০ মিটারের মধ্যে উচ্চ শব্দ বা হর্ন বাজানো, লাউডস্পিকার ব্যবহার করা আইনত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, তাদের সাইলেন্ট জোন বলা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ স্থান:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়)
হাসপাতাল, নার্সিং হোম
আদালত প্রাঙ্গণ
লাইব্রেরি
গুরুত্ব: রোগীদের আরোগ্যের জন্য শান্তি প্রয়োজন। ছাত্রছাত্রীদের পড়ায় মনোযোগের জন্য নীরবতা জরুরি। বিচার কার্যের জন্য নিরিবিলি পরিবেশ আবশ্যক।
আইনগত দিক: সাইলেন্ট জোনের সামনে বোর্ড লাগানো বাধ্যতামূলক। এখানে হর্ন বাজালে বা উচ্চ শব্দ করলে জরিমানা বা শাস্তির বিধান আছে। লাউডস্পিকার রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত সর্বত্র নিষিদ্ধ।
📌 শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলো কী কী? ব্যক্তিগত, সামাজিক ও সরকারি করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করো।
ব্যক্তিগত করণীয়:
অকারণে গাড়ির হর্ন না বাজানো।
রেডিও, টিভি, গান কম শব্দে চালানো।
রাতে উচ্চস্বরে কিছু না করা।
প্রয়োজনে কানের প্লাগ বা ইয়ার প্রোটেক্টর ব্যবহার করা।
সামাজিক করণীয়:
বিদ্যালয়, হাসপাতালের চারপাশ গাছপালা দিয়ে ঘেরা।
সামাজিক অনুষ্ঠানে লাউডস্পিকারের শব্দ নিয়ন্ত্রণ করা।
বাজি পোড়ানো বন্ধে সচেতনতা গড়ে তোলা।
সরকারি করণীয়:
কঠোর আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ।
সাইলেন্ট জোনে কড়া নজরদারি।
গাড়িতে সাইলেন্সার লাগানো বাধ্যতামূলক।
শিল্প-কারখানা আবাসিক এলাকা থেকে দূরে স্থাপন।
হাইওয়ে ও রেললাইনের ধারে শব্দরোধী দেয়াল নির্মাণ।
📌 শিশু ও বয়স্কদের ওপর শব্দদূষণের প্রভাব আলোচনা করো। কেন এরা বেশি সংবেদনশীল?
শিশু ও বয়স্কদের ওপর প্রভাব:
শিশু:
পড়ালেখায় মনোযোগ নষ্ট হয়, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়।
শ্রবণশক্তি অপরিণত থাকায় সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘুমের ব্যাঘাতে শারীরিক বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয়।
মানসিক চাপ ও খিটখিটে মেজাজ তৈরি হয়।
বয়স্ক:
ইতিমধ্যেই শ্রবণশক্তি স্বাভাবিকের চেয়ে কম, উচ্চ শব্দ তাকে আরও দ্রুত হ্রাস করে।
উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, অনিদ্রার মতো সমস্যা প্রকট হয়।
হঠাৎ বিকট শব্দে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে।
সংবেদনশীলতার কারণ: শিশুদের শ্রবণেন্দ্রিয় ও স্নায়ুতন্ত্র তখনো পূর্ণ বিকশিত হয়নি, বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে। ফলে এরা সমান মাত্রার শব্দে অন্য বয়সীদের চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন।
📌 শব্দদূষণ ম্যাপ কী? কীভাবে একটি এলাকার শব্দদূষণ ম্যাপ তৈরি করা যায়?
শব্দদূষণ ম্যাপ (Noise Pollution Map):
কোনো একটি এলাকার বিভিন্ন স্থানে শব্দের তীব্রতা কেমন, তা একটি মানচিত্রের মতো কাগজে রং দিয়ে দেখানোই হলো শব্দদূষণ ম্যাপ।
তৈরি করার পদ্ধতি:
এলাকার একটি সাধারণ মানচিত্র কাগজে আঁকো।
তাতে বাড়ি, স্কুল, হাসপাতাল, রাস্তা, দোকানপাট চিহ্নিত করো।
প্রতিটি জায়গায় গিয়ে ডেসিবেল মিটারের সাহায্যে শব্দের তীব্রতা মাপো (বা অনুমান করো)।
শব্দের মাত্রা অনুযায়ী জায়গাগুলোতে রং করো — যেমন:
সবুজ: কম শব্দ (৩০-৫০ dB)
হলুদ: মাঝারি শব্দ (৫০-৬৫ dB)
কমলা: বেশি শব্দ (৬৫-৮০ dB)
লাল: খুব বেশি শব্দ (৮০ dB-এর বেশি)
কোন কোন জায়গায় কত রকম শব্দ হচ্ছে তা দাগে বা লেখায় বুঝিয়ে দাও।
এই ম্যাপ দেখে বোঝা যাবে এলাকার কোথায় শব্দদূষণ বেশি এবং কোথায় তা কম।
Sponsored Links
Class 6 Geography Chapter 9: শব্দদূষণ
শব্দদূষণ অধ্যায়ে শব্দদূষণের ধারণা, উৎস (যানবাহন, কলকারখানা, বিমানবন্দর), ডেসিবেল, মানবস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব, সাইলেন্ট জোন, শব্দদূষণ ম্যাপ এবং প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
Frequently Asked Questions (শব্দদূষণ)
অসহ্য ও বিরক্তিকর মাত্রাতিরিক্ত শব্দ যা মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে, তাকে শব্দদূষণ বলে। সাধারণত ৬৫ dB-এর বেশি শব্দকে দূষণ ধরা হয়।
যে স্থানে উচ্চ শব্দ বা হর্ন বাজানো আইনত নিষিদ্ধ, তাকে সাইলেন্ট জোন বলে। যেমন — স্কুল, হাসপাতাল, আদালতের সামনের এলাকা।
হ্যাঁ, সমস্ত প্রশ্নোত্তর WBBSE-র সর্বশেষ ২০২৬ সিলেবাস অনুযায়ী তৈরি।