ষষ্ঠ শ্রেণীর ইতিহাস বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায় "ভারতীয় উপমহাদেশে আদিম মানুষ: যাযাবর জীবন থেকে স্থায়ী বসতি স্থাপন"-এর সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তর নিচে দেওয়া হলো। এখানে আদিম মানুষের বিবর্তন, পাথরের যুগ, আগুনের আবিষ্কার, এবং যাযাবর জীবন থেকে কৃষিকাজের মাধ্যমে স্থায়ী বসতি স্থাপনের ইতিহাস বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ)
-
মানুষের অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?উত্তর: দু-পায়ে হাঁটা এবং হাতের ব্যবহার
-
লক্ষ লক্ষ বছর আগে লেজবিহীন বড়ো বানরদের কী বলা হতো?উত্তর: এপ (Ape)
-
এপ থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া মানুষদের কী বলা হয়?উত্তর: হোমিনিড (Hominid)
-
প্রায় কত বছর আগে মানুষ দু-পায়ে দাঁড়াতে শেখে?উত্তর: তিরিশ থেকে চল্লিশ লক্ষ বছর আগে
-
'আদিম' কথার অর্থ কী?উত্তর: খুব পুরোনো বা গোড়ার দিকের
-
সবচেয়ে পুরোনো আদিম মানুষের খোঁজ কোথায় মিলেছে?উত্তর: পূর্ব আফ্রিকাতে
-
আদিম মানুষের ভাগগুলি মূলত কীসের ওপর ভিত্তি করে করা হয়?উত্তর: মস্তিষ্কের আকার
-
কোন প্রজাতির মানুষ শক্ত বাদাম ও শুকনো ফল চিবিয়ে খেত?উত্তর: অস্ট্রালোপিথেকাস
-
কারা প্রথম পাথরকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল?উত্তর: হোমো হাবিলিস (দক্ষ মানুষ)
-
কোন প্রজাতির মানুষ প্রথম আগুনের ব্যবহার শেখে?উত্তর: হোমো ইরেকটাস
-
কারা প্রথম দল বেঁধে বড়ো পশু শিকার করত এবং পশুর মাংস পুড়িয়ে খেত?উত্তর: হোমো স্যাপিয়েন্স (বুদ্ধিমান মানুষ)
-
পাথরের যুগকে সাধারণভাবে কয়টি পর্যায়ে ভাগ করা হয়?উত্তর: তিনটি
-
পুরোনো পাথরের যুগে মানুষের প্রধান হাতিয়ার কেমন ছিল?উত্তর: বড়ো, ভারী এবং এবড়োখেবড়ো
-
মাঝের পাথরের যুগে মানুষের প্রধান জীবিকা কী ছিল?উত্তর: শিকার ও পশুপালন
-
কোন পাথরের যুগে মানুষ প্রথম কৃষিকাজ শেখে?উত্তর: নতুন পাথরের যুগে
-
কোন পাথরের যুগে আদিম মানুষ গুহা থেকে বেরিয়ে ছোটো বসতি বানাতে শুরু করে?উত্তর: মাঝের পাথরের যুগে
-
স্থায়ী বসতি কোন যুগে গড়ে ওঠে?উত্তর: নতুন পাথরের যুগে
-
১৯৭৪ সালে ইথিওপিয়ার হাদারে পাওয়া কঙ্কালটির নাম কী দেওয়া হয়েছিল?উত্তর: লুসি
-
লুসির কঙ্কালটি আনুমানিক কত বছর আগের?উত্তর: প্রায় ৩২ লক্ষ বছর আগের
-
ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে পুরোনো পাথরের অস্ত্র কোথায় পাওয়া গেছে?উত্তর: কাশ্মীরের সোয়ান উপত্যকায়
-
মধ্যপ্রদেশের নর্মদা উপত্যকায় কত বছর আগের মানুষের খুলি পাওয়া গেছে?উত্তর: এক লক্ষ তিরিশ হাজার বছরের বেশি
-
ভীমবেটকার গুহা বর্তমানের কোন রাজ্যে অবস্থিত?উত্তর: মধ্যপ্রদেশ
-
ভীমবেটকার গুহাচিত্রগুলিতে কোন রঙের ব্যবহার সবথেকে বেশি দেখা যায়?উত্তর: সাদা এবং লাল
-
কর্ণাটকের হুন্সগি উপত্যকায় কোন পাথরের যুগের হাতিয়ার পাওয়া গেছে?উত্তর: পুরোনো পাথরের যুগের
-
উত্তরপ্রদেশের সরাই নহর রাই-তে কী পাওয়া গেছে?উত্তর: দু-দিকে ধারালো ছুরি ও হাড়ের তৈরি তিরের ফলা
-
আদমগড়ে পশুপালনের প্রমাণ হিসেবে কোন প্রাণীর হাড় মিলেছে?উত্তর: গবাদি পশু ও কুকুর
-
রাজস্থানের কোথায় আদিম মানুষের বসতির চিহ্ন পাওয়া গেছে?উত্তর: বাগোড়ে
-
আলতামিরা গুহা কোন দেশে অবস্থিত?উত্তর: স্পেন
-
আলতামিরা গুহায় কিসের ছবি পাওয়া গেছে?উত্তর: বিশাল বড়ো একটি ষাঁড়ের ছবি
-
ছোটো পাথরের হাতিয়ারগুলি কোন যুগে ব্যবহার করা হতো?উত্তর: মাঝের পাথরের যুগে
অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ - 1 Mark)
-
মানুষের ইতিহাসের প্রধান বিষয় কী?উত্তর: মানুষ ও তার নানাবিধ কাজকর্ম নিয়েই মানুষের ইতিহাস গড়ে ওঠে।
-
মানুষের কয়েকটি শারীরিক বৈশিষ্ট্য লেখো যা অন্যান্য প্রাণীদের থেকে তাকে আলাদা করে।উত্তর: দু-পায়ে সোজা হয়ে হাঁটা, হাতের বুড়ো আঙুলের ব্যবহার, লম্বা মেরুদণ্ড এবং বড়ো মস্তিষ্ক মানুষকে অন্যান্য প্রাণীদের থেকে আলাদা করে।
-
এপ (Ape) কাদের বলা হতো?উত্তর: লক্ষ লক্ষ বছর আগে আফ্রিকার ঘন জঙ্গলে বসবাসকারী লেজবিহীন একধরনের বড়ো বানরদের এপ (Ape) বলা হতো।
-
হোমিনিড (Hominid) কাদের বলা হয়?উত্তর: আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে যে এপদের দল মাটিতে নেমে আসে এবং সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে, সেই আদিম মানব পরিবারকে হোমিনিড বলা হয়।
-
হোমো হাবিলিস (Homo habilis) শব্দের অর্থ কী?উত্তর: হোমো হাবিলিস শব্দের অর্থ হলো 'দক্ষ মানুষ'। এরাই প্রথম পাথর দিয়ে অস্ত্র বানিয়েছিল।
-
কারা প্রথম আগুন জ্বালাতে শিখেছিল?উত্তর: হোমো ইরেকটাস (Homo erectus) বা সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারা মানুষেরা প্রথম আগুনের ব্যবহার শেখে।
-
হোমো স্যাপিয়েন্স (Homo sapiens) শব্দের অর্থ কী?উত্তর: হোমো স্যাপিয়েন্স শব্দের অর্থ হলো 'বুদ্ধিমান মানুষ'।
-
লুসি কী?উত্তর: ১৯৭৪ সালে আফ্রিকার ইথিওপিয়ার হাদার (Hadar) নামক জায়গায় পাওয়া প্রায় ৩২ লক্ষ বছরের পুরোনো একটি অস্ট্রালোপিথেকাস মেয়ের কঙ্কালের নাম দেওয়া হয়েছিল লুসি।
-
পাথরের যুগকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?উত্তর: পাথরের যুগকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়- পুরোনো পাথরের যুগ, মাঝের পাথরের যুগ এবং নতুন পাথরের যুগ।
-
ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে পুরোনো পাথরের হাতিয়ার কোথায় মিলেছে?উত্তর: ভারতীয় উপমহাদেশের সব থেকে পুরোনো পাথরের অস্ত্র পাওয়া গেছে কাশ্মীরের সোয়ান উপত্যকায়।
-
ভীমবেটকার গুহাচিত্রগুলিতে মূলত কিসের ছবি দেখা যায়?উত্তর: ভীমবেটকার গুহাচিত্রে মূলত শিকারের দৃশ্য, বন্য পশু, পাখি এবং মানুষ দলবেঁধে শিকার করছে এমন ছবি দেখা যায়।
-
কর্ণাটকের কোন উপত্যকায় পুরোনো পাথরের যুগের হাতিয়ার পাওয়া গেছে?উত্তর: কর্ণাটকের হুন্সগি উপত্যকায় পুরোনো পাথরের যুগের হাতিয়ার পাওয়া গেছে।
-
মাঝের পাথরের যুগের হাতিয়ারগুলির প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?উত্তর: মাঝের পাথরের যুগে হাতিয়ারগুলি আগের থেকে অনেক ছোটো, হালকা ও ধারালো হয়ে ওঠে, যেগুলিকে গাছের ডালের সঙ্গে জুড়ে ব্যবহার করা হতো।
-
উত্তরপ্রদেশের সরাই নহর রাইতে কী ধরনের জাঁতা পাওয়া গেছে?উত্তর: সরাই নহর রাইতে শস্যদানা গুঁড়ো করার জন্য পাথরের জাঁতার মতো যন্ত্র পাওয়া গেছে।
-
মধ্যপ্রদেশের আদমগড়ে কোন কোন গৃহপালিত পশুর হাড় পাওয়া গেছে?উত্তর: আদমগড়ে গবাদি পশু এবং কুকুরের হাড় পাওয়া গেছে, যা পশুপালনের প্রমাণ দেয়।
-
রাজস্থানের বাগোড় কেন বিখ্যাত?উত্তর: রাজস্থানের বাগোড়ে আদিম মানুষের বসতির চিহ্ন এবং পশুপালনের প্রাচীন নমুনা পাওয়া গেছে।
-
আদিম মানুষ কোন যুগে প্রথম কৃষিকাজ শেখে?উত্তর: নতুন পাথরের যুগে আদিম মানুষ প্রথম কৃষিকাজ করতে শেখে।
-
স্থায়ী বসতি স্থাপন মানুষের জীবনে কখন শুরু হয়?উত্তর: কৃষিকাজ শুরু হওয়ার পর, ফসলের দেখাশোনা করার জন্য মানুষ কৃষি অঞ্চলের কাছাকাছি স্থায়ী বসতি স্থাপন শুরু করে।
-
আলতামিরা গুহা কোথায় অবস্থিত এবং এটি কেন বিখ্যাত?উত্তর: স্পেনের আলতামিরা গুহায় প্রায় ৫০-৩০ হাজার বছর আগের আদিম মানুষের আঁকা একটি বিশাল ষাঁড়ের (ট্যুরো-ট্যুরো) ছবি পাওয়া গেছে।
-
মানুষের সংস্কৃতি বলতে কী বোঝায়?উত্তর: প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে মানুষের তৈরি করা পদ্ধতিগুলি (যেমন- পাথর দিয়ে হাতিয়ার বানানো, ঠান্ডা থেকে বাঁচতে চামড়া পরা) হলো তার সংস্কৃতির অংশ।
রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর (Broad Questions - 3/5 Marks)
-
আদিম মানুষের বিবর্তনের বিভিন্ন পর্যায়গুলি সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তর: মস্তিষ্কের আকার ও ক্ষমতার ভিত্তিতে আদিম মানুষকে প্রধান চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়:
১) অস্ট্রালোপিথেকাস: এরা আনুমানিক ৪০ থেকে ৩০ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীতে ছিল। এরা দু-পায়ে দাঁড়াতে পারত এবং শক্ত বাদাম বা ফল চিবিয়ে খেত।
২) হোমো হাবিলিস (দক্ষ মানুষ): এরা ২৬ থেকে ১৭ লক্ষ বছর আগে ছিল। এরাই প্রথম পাথর দিয়ে অস্ত্র বানিয়েছিল।
৩) হোমো ইরেকটাস (সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারা মানুষ): এরা ২০ লক্ষ বছর আগে আসে। এরা সোজা হয়ে হাঁটতে পারত এবং এরাই প্রথম আগুন জ্বালাতে শিখেছিল।
৪) হোমো স্যাপিয়েন্স (বুদ্ধিমান মানুষ): এরা প্রায় ২ লক্ষ ৩০ হাজার বছর আগে আসে। এরা বড়ো পশু শিকার করত, বর্শা জাতীয় অস্ত্র বানাত এবং পশুর চামড়া পরতে জানত। -
আগুন ব্যবহারের ফলে আদিম মানুষের জীবনে কী কী গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছিল?
উত্তর: আগুন আবিষ্কার ছিল মানুষের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। আগুন ব্যবহারের ফলে আদিম মানুষের জীবনে নানাবিধ পরিবর্তন আসে:
১) প্রচণ্ড শীত থেকে রক্ষা: গুহায় আগুন জ্বালিয়ে মানুষ কনকনে ঠান্ডার হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে শেখে।
২) বন্য জন্তুর আক্রমণ রোধ: অন্যান্য প্রাণীরা আগুন ভয় পায়, তাই গুহামুখে আগুন জ্বেলে মানুষ বন্য পশুর আক্রমণ প্রতিহত করত।
৩) খাদ্যাভ্যাসে বদল ও শারীরিক গঠন: আগুনের সাহায্যে মানুষ কাঁচা মাংসের বদলে মাংস ঝলসে খেতে শুরু করে। ঝলসানো নরম মাংস খাওয়ার ফলে তাদের চোয়াল ক্রমশ সরু হয়ে আসে এবং সামনের উঁচু দাঁত ছোটো হয়ে যায়। বুদ্ধিরও ব্যাপক বিকাশ ঘটে। -
পাথরের যুগের তিনটি পর্যায়ের (পুরোনো, মাঝের ও নতুন) হাতিয়ারের তুলনামূলক আলোচনা করো।
উত্তর: পাথরের যুগকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায় এবং প্রতি পর্যায়ে হাতিয়ারের ব্যাপক উন্নতি হয়েছিল:
১) পুরোনো পাথরের যুগ: এই যুগে হাতিয়ারগুলি ছিল খুব বড়ো, ভারী এবং এবড়োখেবড়ো নিরেট পাথরের। মূলত হাত-কুঠার ও চপার জাতীয় হাতিয়ার ব্যবহৃত হতো।
২) মাঝের পাথরের যুগ: এই যুগের হাতিয়ারগুলি আগের থেকে অনেক ছোটো, হালকা ও ধারালো হয়ে ওঠে। এগুলোকে গাছের ডালের সঙ্গে জুড়ে ব্যবহার করা হতো। ছুরি ও তিরের ফলার ব্যবহার বাড়ে।
৩) নতুন পাথরের যুগ: এই যুগে হাতিয়ার বানানোর কৌশল সবচেয়ে উন্নত হয়। পাথরকে ঘষে মসৃণ ও অত্যন্ত ধারালো করা হতো, যা কৃষিকাজ ও গাছ কাটার জন্য উপযোগী ছিল। -
কৃষিকাজ আবিষ্কারের ফলে আদিম মানুষের জীবনে কী কী গুরুত্বপূর্ণ বদল ঘটেছিল?
উত্তর: নতুন পাথরের যুগে কৃষিকাজের আবিষ্কার মানুষের জীবনকে পুরোপুরি বদলে দেয়:
১) স্থায়ী বসতি স্থাপন: কৃষিকাজ শুরু করার পর ফসলের দেখাশোনা করার জন্য মানুষকে জমির কাছাকাছি পাকাপাকিভাবে থাকতে হয়। ফলে যাযাবর জীবনের অবসান ঘটে এবং স্থায়ী বসতি গড়ে ওঠে।
২) খাদ্যের নিশ্চয়তা: শিকারের ওপর নির্ভরশীলতা কমে যায়। মানুষ নিজেই নিজের খাদ্য উৎপাদন করতে শেখে, যা ছিল অনেক বেশি নিশ্চিত।
৩) পশুপালনে সুবিধা: চাষের ফলে প্রচুর খড় ও বিচালি উৎপন্ন হওয়ায় পশুপালন সহজ হয়ে যায়।
৪) সমাজের জটিলতা বৃদ্ধি: খাদ্যের জোগান বাড়ায় সমাজের কিছু মানুষ কৃষিকাজ ছেড়ে কারিগর বা অন্য পেশা গ্রহণ করে, ফলে সমাজ ব্যবস্থা উন্নত ও জটিল হয়ে ওঠে। -
আদিম মানুষের ইতিহাসে 'ভীমবেটকা' গুহার গুরুত্ব কী?
উত্তর: ভারতের প্রাচীন ইতিহাস রচনায় মধ্যপ্রদেশের বিন্ধ্যপর্বতের পাদদেশে অবস্থিত 'ভীমবেটকা' গুহার গুরুত্ব অপরিসীম।
১) প্রাচীন বসতি: ১৯ ৫৭ খ্রিস্টাব্দে আবিষ্কৃত এই গুহাগুলিতে পুরোনো পাথরের যুগ থেকেই আদিম মানুষের বসবাসের প্রমাণ পাওয়া যায়।
২) গুহাচিত্র: এখানকার গুহার দেওয়ালে আদিম মানুষের আঁকা অসংখ্য ছবি পাওয়া গেছে, যা থেকে সেকালের মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে জানা যায়।
৩) সমাজ জীবনের পরিচয়: ছবিগুলোতে বন্য পশু, পাখি এবং মানুষের দলবেঁধে শিকার করার দৃশ্য ফুটে উঠেছে। কিছু ছবিতে কুকুরকেও মানুষের সঙ্গী হিসেবে দেখা যায়। ছবিগুলোতে প্রধানত সাদা ও লাল রঙের ব্যবহার করা হয়েছে।