Class 6 History Chapter 4 (প্রাচীন ইতিহাসের ধারা) Solutions

Complete chapter analysis, 30 MCQs, 20 Short Questions, and 5 Broad Questions on the Vedic Civilization and Megaliths based on the latest WBBSE syllabus.

Sahina Sabnam
Sahina Sabnam
Uploaded: 25 February 2026 Last Update: 02 June 2026
Class 6 History Chapter 4 Notes

ষষ্ঠ শ্রেণীর ইতিহাস বইয়ের চতুর্থ অধ্যায় "ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন ইতিহাসের ধারা: দ্বিতীয় পর্যায় (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০-৬০০ অব্দ)"-এর সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তর নিচে দেওয়া হলো। এই অধ্যায়ে বৈদিক সভ্যতা, চার বেদ, আর্যদের জীবনযাত্রা, চতুরাশ্রম প্রথা এবং মেগালিথ সংস্কৃতির বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ)

  • রাম শব্দের সংস্কৃত অর্থ কী?
    উত্তর: যিনি ঘুরে বেড়ান
  • ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের আদি বাসস্থান কোথায় ছিল বলে মনে করা হয়?
    উত্তর: মধ্য এশিয়ার তৃণভূমি অঞ্চলে
  • বৈদিক সাহিত্যের প্রাচীনতম রূপ কোনটি?
    উত্তর: ঋকবেদ
  • বৈদিক সাহিত্যকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
    উত্তর: চারটি (সংহিতা, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক, উপনিষদ)
  • কোন্‌ বেদে যাদুবিদ্যা বা জাদুমন্ত্রের উল্লেখ আছে?
    উত্তর: অথর্ববেদ
  • কোন বেদটি সুর করে গানের মতো গাওয়া হতো?
    উত্তর: সামবেদ
  • বেদের অপর নাম কী?
    উত্তর: শ্রুতি
  • ঋকবেদের যুগে আর্যদের প্রধান সম্পদ কী ছিল?
    উত্তর: গবাদি পশু
  • আদি বৈদিক যুগের মানুষের প্রধান বাসস্থান কোথায় ছিল?
    উত্তর: সপ্তসিন্ধু অঞ্চলে
  • পরবর্তী বৈদিক যুগে রাজা কী উপাধি নিতেন?
    উত্তর: ভূপতি বা মহীপতি
  • ঋকবেদে যুদ্ধের ও বৃষ্টির প্রধান দেবতা কে ছিলেন?
    উত্তর: ইন্দ্র
  • দশ রাজার যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছিলেন?
    উত্তর: ভরত গোষ্ঠীর রাজা সুদাস
  • বৈদিক যুগের শিক্ষায় ছাত্রদের পড়াশোনা শেষে কী উপাধি দেওয়া হতো?
    উত্তর: স্নাতক
  • বৈদিক সমাজে পরিবারের প্রধান কে ছিলেন?
    উত্তর: বাবা বা পিতা
  • চতুরাশ্রমের প্রথম আশ্রমের নাম কী?
    উত্তর: ব্রহ্মচর্য
  • চতুরাশ্রমের শেষ আশ্রমের নাম কী?
    উত্তর: সন্ন্যাস
  • সত্যকামের মায়ের নাম কী ছিল?
    উত্তর: জবালা
  • আরুণির গুরুর নাম কী ছিল?
    উত্তর: মহর্ষি আয়োদধৌম্য
  • একলব্যের পিতার নাম কী ছিল?
    উত্তর: হিরণ্যধনু
  • একলব্যের গুরুর নাম কী ছিল?
    উত্তর: দ্রোণাচার্য
  • মেঘালিথ (Megalith) কী?
    উত্তর: বড়ো পাথরের সমাধি
  • ইনামগাঁও প্রত্নক্ষেত্রটি কোন নদীর উপত্যকায় অবস্থিত?
    উত্তর: ভীমা নদী
  • ইনামগাঁও বর্তমান ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
    উত্তর: মহারাষ্ট্র
  • পরবর্তী বৈদিক যুগে কোন ধাতুর ব্যবহার শুরু হয়?
    উত্তর: লোহা
  • ঋকবেদে কর (Tax) বোঝাতে কোন শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে?
    উত্তর: বলি
  • পরবর্তী বৈদিক যুগে মুদ্রা হিসেবে কীসের ব্যবহার হতো?
    উত্তর: নিষ্ক ও শতমান
  • বৈদিক যুগে সভা ও সমিতিতে কোন খেলার খুব চল ছিল?
    উত্তর: পাশাখেলা
  • গবাদিপশু রাখার জায়গাকে বৈদিক যুগে কী বলা হতো?
    উত্তর: গোত্র
  • পরবর্তী বৈদিক যুগে চিত্রিত মাটির পাত্রের রং কেমন ছিল?
    উত্তর: ধূসর (Painted Grey Ware)
  • বৈদিক যুগে শিক্ষার প্রধান দুটি বিষয় কী ছিল?
    উত্তর: ছন্দ ও ব্যাকরণ

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ - 1 Mark)

  • বেদকে শ্রুতি বলা হয় কেন?
    উত্তর: বৈদিক যুগে লিপি ছিল না বলে বেদ লিখে রাখা হতো না। গুরু মুখে মুখে বলতেন এবং শিষ্যরা তা শুনে শুনে মনে রাখত, তাই বেদের অপর নাম শ্রুতি।
  • বৈদিক সাহিত্যকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?
    উত্তর: চার ভাগে ভাগ করা যায়- সংহিতা, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক এবং উপনিষদ।
  • দশ রাজার যুদ্ধ কার সঙ্গে কাদের হয়েছিল?
    উত্তর: ভরত গোষ্ঠীর রাজা সুদাসের সঙ্গে অন্যান্য দশটি গোষ্ঠীর রাজাদের জোটের যুদ্ধ হয়েছিল, যেখানে সুদাস জয়ী হন।
  • বিদথ কী?
    উত্তর: আদি বৈদিক যুগের একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হলো বিদথ, যেখানে যুদ্ধের আলোচনা এবং লুঠ করা সম্পদের ভাগ-বাঁটোয়ারা হতো।
  • রত্নিন কাদের বলা হতো?
    উত্তর: পরবর্তী বৈদিক যুগে রাজার শাসনকাজে যাঁরা সাহায্য করতেন, তাঁদের রত্নিন বলা হতো (এঁরাই অনেকটা এখনকার মন্ত্রীর মতো)।
  • মেগালিথ (Megalith) কী?
    উত্তর: মেগালিথ হলো বড়ো পাথরের তৈরি প্রাচীন সমাধি, যা লোহার ব্যবহারের যুগের সাথে সম্পর্কিত এবং দক্ষিণ ভারতে বেশি পাওয়া যায়।
  • ঋকবেদে উল্লিখিত দুটি দেবীর নাম লেখো।
    উত্তর: ঊষা এবং অদিতি (বা পৃথিবী, সরস্বতী)।
  • গায়ত্রী মন্ত্র কোন দেবতার উদ্দেশ্যে রচিত?
    উত্তর: গায়ত্রী মন্ত্র সূর্যদেবতা সবিতৃ-র উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।
  • বৈদিক যুগের শিক্ষায় কাদের উপনয়ন হতো?
    উত্তর: গুরুর কাছে শিক্ষাগ্রহণের পূর্বে ছাত্রদের উপনয়ন হতো। প্রমাণ পাওয়া যায় যে মেয়েদেরও উপনয়ন হতো।
  • চতুরাশ্রম কী?
    উত্তর: পরবর্তী বৈদিক যুগে মানুষের জীবনকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা হতো- ব্রহ্মচর্য, গার্হস্থ্য, বাণপ্রস্থ ও সন্ন্যাস। এই চারটি পর্যায়কে একসঙ্গে চতুরাশ্রম বলা হতো।
  • গুরুদক্ষিণা হিসেবে ছাত্ররা সাধারণত কী দান করত?
    উত্তর: বারো বছরের পড়াশোনা শেষ হলে ছাত্ররা গুরুদক্ষিণা হিসেবে সাধ্যমতো জিনিস, বিশেষ করে গোরু দান করত।
  • আরুণির অপর নাম উদ্দালক হয়েছিল কেন?
    উত্তর: গুরুর আদেশে জল আটকানোর জন্য আরুণি আল বা কেদারখণ্ড ভেদ করে উঠেছিল বলে মহর্ষি আয়োদধৌম্য তার নাম দেন উদ্দালক।
  • মহাকাব্য কাকে বলে?
    উত্তর: কোনো বিশেষ মহৎ ঘটনা, দেবতা বা বড়ো রাজবংশের শাসককে নিয়ে রচিত বড়ো কবিতাকে মহাকাব্য বলা হয় (যেমন- রামায়ণ, মহাভারত)।
  • বলি কী?
    উত্তর: আদি বৈদিক যুগে প্রজারা নিজেদের নিরাপদে রাখার জন্য স্বেচ্ছায় রাজাকে যে কর বা ট্যাক্স দিত, তাকে বলি বলা হতো।
  • পরবর্তী বৈদিক যুগে কোন কোন নতুন কৃষিজ ফসলের চাষ শুরু হয়?
    উত্তর: যব-এর পাশাপাশি গম ও ধানের চাষ শুরু হয়।
  • বেদাঙ্গ কয়টি ও কী কী?
    উত্তর: বেদাঙ্গ সংখ্যায় ছ-টি। এগুলি বেদ পাঠ, উচ্চারণ, ছন্দ এবং জ্যামিতি ইত্যাদি শেখার জন্য তৈরি হয়েছিল।
  • চিত্রিত ধূসর মাটির পাত্র কোন যুগের বৈশিষ্ট্য?
    উত্তর: চিত্রিত ধূসর মাটির পাত্র (Painted Grey Ware) পরবর্তী বৈদিক যুগের গ্রামীণ সভ্যতার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য।
  • সপ্তসিন্ধু অঞ্চল কী?
    উত্তর: সিন্ধুনদ ও তার পূর্ব দিকের উপনদীগুলি দিয়ে ঘেরা অঞ্চলকে সপ্তসিন্ধু অঞ্চল বলা হতো, যা আদি বৈদিক যুগের মানুষের প্রধান বাসস্থান ছিল।
  • বৈদিক যুগে সমাজ কেমন ছিল?
    উত্তর: বৈদিক যুগে সমাজ ছিল পিতৃতান্ত্রিক, অর্থাৎ পরিবারে ও সমাজে পিতা বা বাবাই ছিলেন প্রধান।
  • ইনামগাঁও প্রত্নক্ষেত্রে মানুষের প্রধান জীবিকা কী ছিল?
    উত্তর: কৃষি, পশুপালন ও মৎস্যশিকার ছিল ইনামগাঁওয়ের মানুষদের প্রধান জীবিকা।

রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর (Broad Questions - 3/5 Marks)

  • চতুরাশ্রম প্রথা বলতে কী বোঝো? পর্যায়গুলি আলোচনা করো।

    উত্তর: পরবর্তী বৈদিক যুগে আর্যদের জীবনযাপনকে চারটি ভাগে বা পর্যায়ে ভাগ করা হয়েছিল। এই চারটি পর্যায়কে একসঙ্গে চতুরাশ্রম বলা হতো। এই চারটি আশ্রম হলো:

    ১) ব্রহ্মচর্যাশ্রম: এটি জীবনের প্রথম পর্যায়। এই সময়ে ছাত্ররা গুরুগৃহে থেকে কঠোর নিয়মশৃঙ্খলা মেনে শিক্ষালাভ করত।
    ২) গার্হস্থ্যাশ্রম: শিক্ষালাভের পর গুরুগৃহ থেকে ফিরে এসে বিবাহ করে সংসার জীবন যাপন করাকে গার্হস্থ্য বলা হতো।
    ৩) বাণপ্রস্থাশ্রম: প্রৌঢ় বয়সে সংসার থেকে দূরে, অরণ্যে বা বনে কুটির বানিয়ে ঈশ্বর ও ধর্মচর্চা করার জীবনকে বাণপ্রস্থ বলা হতো।
    ৪) সন্ন্যাস আশ্রম: জীবনের শেষ পর্যায়ে সবকিছু ভুলে গিয়ে এবং সমস্ত মায়া ত্যাগ করে কেবল ঈশ্বরচিন্তায় শেষ জীবন কাটানোকে সন্ন্যাস বলা হতো। (শূদ্রদের এই জীবনযাপনের অধিকার ছিল না)।

  • বৈদিক যুগের শিক্ষা ব্যবস্থার বর্ণনা দাও।

    উত্তর: বৈদিক যুগের শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ গুরুকেন্দ্রিক ও মৌখিক ছিল।

    ১) উপনয়ন ও গুরুগৃহ: ছাত্ররা গুরুর কাছে শিক্ষার আবেদন করত। উপযুক্ত হলে 'উপনয়ন' অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের গুরুগৃহে ভর্তি নেওয়া হতো।
    ২) শ্রুতি নির্ভর শিক্ষা: লিপি না থাকায় গুরু বেদ পাঠ করে মানে বুঝিয়ে দিতেন, এবং ছাত্ররা তা নিখুঁত উচ্চারণে আবৃত্তি করে মনে রাখত। তাই বেদের অপর নাম শ্রুতি।
    ৩) পাঠ্য বিষয়: বেদ, গণিত, ব্যাকরণ ও ছন্দ ছাড়াও অস্ত্রচালনা, চিকিৎসাবিদ্যা এবং মেয়েদের নাচ-গানের শিক্ষা দেওয়া হতো।
    ৪) সমাবর্তন ও স্নাতক: ১২ বছরের পড়াশোনা শেষে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হতো এবং ছাত্রদের বিশেষ স্নান করিয়ে 'স্নাতক' উপাধি দেওয়া হতো। শেষে তারা সামর্থ্য অনুযায়ী গুরুদক্ষিণা দিত।

  • মেগালিথ সম্পর্কে কী জানো? ইনামগাঁও মেগালিথ কেন্দ্রের বৈশিষ্ট্য কী?

    উত্তর: মেগালিথ: মেগালিথ হলো বড়ো পাথরের সমাধি। প্রাচীন ভারতে লোহার ব্যবহারের যুগে বিভিন্ন জনগোষ্ঠী বড়ো বড়ো পাথর দিয়ে মৃত ব্যক্তিদের সমাধি চিহ্নিত করত। কোথাও পাথর আকাশের দিকে মুখ করে থাকত, কোথাও বৃত্তাকারে সাজানো হতো। কাশ্মীর থেকে দক্ষিণ ভারত পর্যন্ত এই কেন্দ্রগুলি ছড়ানো ছিল।

    ইনামগাঁও: মহারাষ্ট্রের পুণে জেলার ভীমা নদী উপত্যকায় অবস্থিত 'ইনামগাঁও' একটি বিখ্যাত মেগালিথ কেন্দ্র।
    - এখানকার মানুষের প্রধান জীবিকা ছিল কৃষি, পশুপালন ও মাছ ধরা।
    - এখানে প্রায় ১৩৪ টি ঘর এবং একটি বড়ো সেচখালের খোঁজ পাওয়া গেছে।
    - পাথরের পাশাপাশি কালো ও লাল মাটির বাসনপত্র এবং লোহার জিনিস পাওয়া গেছে। এখানে মাথার দিকে উত্তর করে সমাধি দেওয়ার প্রথা ছিল।

  • আদি বৈদিক ও পরবর্তী বৈদিক যুগের সমাজে নারীদের অবস্থার কী পরিবর্তন হয়েছিল?

    উত্তর: আদি বৈদিক যুগ থেকে পরবর্তী বৈদিক যুগে নারীদের মর্যাদার অনেক অবনতি ঘটেছিল।

    ১) আদি বৈদিক যুগে: এই যুগে নারীদের যথেষ্ট সম্মান ছিল। নারীরা পুরুষদের পাশাপাশি সমান অধিকার পেতেন। অনেক নারী শিক্ষা লাভ করতেন এবং রাজনৈতিক 'সমিতি'র বৈঠকেও যোগ দিতেন। এমনকী তারা যুদ্ধেও অংশগ্রহণ করতেন। এই যুগে বাল্যবিবাহ বা সতীদাহ প্রথার চল ছিল না।

    ২) পরবর্তী বৈদিক যুগে: এই যুগে সমাজে নারীদের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যায়। পরিবারে মেয়ে জন্মালে সবাই দুঃখ পেত। মেয়েদের ছোটো বয়সে বিয়ে দেওয়ার প্রথা শুরু হয় (বাল্যবিবাহ)। যুদ্ধে বা সমিতির রাজনৈতিক কাজে মেয়েদের যোগদান বন্ধ করে দেওয়া হয়।

  • বৈদিক যুগে বর্ণাশ্রম বা জাতিভেদ প্রথা কীভাবে গড়ে উঠেছিল?

    উত্তর: ঋকবেদের আদি যুগে 'বর্ণাশ্রম' বা 'চতুর্বর্ণ' প্রথা ছিল না। তখন 'বর্ণ' বলতে কেবল গায়ের রং বোঝাত এবং সামাজিক ভেদাভেদ জন্ম দিয়ে বিচার করা হতো না। একই পরিবারের সদস্যরা আলাদা পেশা নিতে পারত।

    তবে পরবর্তী বৈদিক সমাজে এই প্রথা কঠোর রূপ নেয় এবং বর্ণ জন্মগত পেশায় পরিণত হয়। সমাজ চারটি বর্ণে ভাগ হয়ে যায়:
    ১) ব্রাহ্মণ: যজ্ঞ, পুজো ও বেদ পাঠ করা ছিল এদের কাজ। সমাজে এদের ক্ষমতা ছিল সবচেয়ে বেশি।
    ২) ক্ষত্রিয়: যুদ্ধ করা এবং দেশ শাসন করা ছিল এদের কাজ।
    ৩) বৈশ্য: কৃষিকাজ, পশুপালন, কারিগরি ও ব্যবসা-বাণিজ্য ছিল এদের পেশা।
    ৪) শূদ্র: যুদ্ধে হেরে যাওয়া বন্দিদের দাস বা শূদ্র করে রাখা হতো। উপরের তিন বর্ণের সেবা করাই ছিল এদের কাজ এবং সমাজে এদের কোনো অধিকার ছিল না।

Sponsored Links

Frequently Asked Questions

বৈদিক যুগে লিপি ছিল না বলে বেদ লিখে রাখা হতো না। গুরু মুখে মুখে বলতেন এবং শিষ্যরা তা শুনে শুনে মনে রাখত, তাই বেদের অপর নাম শ্রুতি।

পরবর্তী বৈদিক যুগে মানুষের জীবনকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা হতো- ব্রহ্মচর্য, গার্হস্থ্য, বাণপ্রস্থ ও সন্ন্যাস। এই চারটি পর্যায়কে একসঙ্গে চতুরাশ্রম বলা হতো।

মেগালিথ হলো বড়ো পাথরের তৈরি প্রাচীন সমাধি, যা লোহার ব্যবহারের যুগের সাথে সম্পর্কিত এবং দক্ষিণ ভারতে বেশি পাওয়া যায়।

আদি বৈদিক যুগে প্রজারা নিজেদের নিরাপদে রাখার জন্য স্বেচ্ছায় রাজাকে যে কর বা ট্যাক্স দিত, তাকে বলি বলা হতো।

বৈদিক সাহিত্যকে চার ভাগে ভাগ করা যায়- সংহিতা, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক এবং উপনিষদ।