Class 6 History Chapter 3 (প্রাচীন ইতিহাসের ধারা) Solutions

Complete chapter analysis, 30 MCQs, 20 Short Questions, and 5 Broad Questions on Mehrgarh and Harappan Civilization based on the latest WBBSE syllabus.

Sahina Sabnam
Sahina Sabnam
Uploaded: 25 February 2026 Last Update: 02 June 2026
Class 6 History Chapter 3 Notes

ষষ্ঠ শ্রেণীর ইতিহাস বইয়ের তৃতীয় অধ্যায় "ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন ইতিহাসের ধারা: প্রথম পর্যায় (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৭০০০-১৫০০ অব্দ)"-এর সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তর নিচে দেওয়া হলো। এই অধ্যায়ে মেহেরগড় সভ্যতা এবং হরপ্পা সভ্যতার নগর পরিকল্পনা, সমাজ, অর্থনীতি, কৃষিকাজ এবং শিল্পের বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ)

  • মেহেরগড় সভ্যতা কে আবিষ্কার করেন?
    উত্তর: জাঁ ফ্রাঁসোয়া জারিজ
  • মেহেরগড় সভ্যতা কোন গিরিপথের কাছে অবস্থিত?
    উত্তর: বোলান গিরিপথ
  • ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কোথায় কার্পাস (তুলো) চাষের প্রমাণ পাওয়া যায়?
    উত্তর: মেহেরগড়ে
  • মেহেরগড় সভ্যতায় কোন ধাতুর ব্যবহার অজানা ছিল?
    উত্তর: লোহা
  • হরপ্পা সভ্যতা কবে আবিষ্কৃত হয়?
    উত্তর: ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে
  • মহেনজোদাড়ো কে আবিষ্কার করেন?
    উত্তর: রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
  • হরপ্পা কোন যুগের সভ্যতা?
    উত্তর: তামা ও ব্রোঞ্জ যুগের
  • ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম নগর সভ্যতা কোনটি?
    উত্তর: হরপ্পা সভ্যতা
  • হরপ্পা সভ্যতার উঁচু এলাকাটিকে কী বলা হতো?
    উত্তর: সিটাডেল
  • কোন হরপ্পীয় কেন্দ্রে সিটাডেল ছিল না?
    উত্তর: চানহুদাড়ো
  • হরপ্পা সভ্যতার বিশাল স্নানাগারটি কোথায় পাওয়া গেছে?
    উত্তর: মহেনজোদাড়োতে
  • হরপ্পা সভ্যতার কোন দুটি কেন্দ্রে ধানের চিহ্ন পাওয়া গেছে?
    উত্তর: লোথাল ও রংপুর
  • হরপ্পা সভ্যতার মানুষ কোন পশুর ব্যবহার জানত না?
    উত্তর: ঘোড়া
  • হরপ্পা সভ্যতার একটি উল্লেখযোগ্য বন্দর নগর কোনটি?
    উত্তর: লোথাল
  • হরপ্পা সভ্যতার লিপি লেখা হতো কোন দিক থেকে?
    উত্তর: ডান দিক থেকে বাঁ-দিকে
  • মেহেরগড় সভ্যতার সবথেকে পুরোনো পর্যায় কবেকার?
    উত্তর: খ্রিস্টপূর্ব ৭০০০ থেকে ৫০০০ অব্দ
  • মেহেরগড়ের প্রথম পর্যায়ে কোন প্রাণীর পালন শুরু হয়?
    উত্তর: ছাগল, ভেড়া ও কুঁজওলা ষাঁড়
  • মেহেরগড়ে পাথরের কাস্তে কীসের প্রমাণ দেয়?
    উত্তর: কৃষিকাজের
  • হরপ্পা সভ্যতার উত্তর সীমা কোনটি ছিল?
    উত্তর: মান্ডা
  • হরপ্পা সভ্যতার পূর্ব সীমা কোনটি ছিল?
    উত্তর: আলমগিরপুর
  • হরপ্পা সভ্যতায় খাদ্যশস্য মজুত রাখার জায়গাকে কী বলা হয়?
    উত্তর: শস্যাগার
  • মহেনজোদাড়োর স্নানাগারের জল পরিষ্কার করার ব্যবস্থা কেমন ছিল?
    উত্তর: খুবই উন্নত
  • কালিবঙ্গানে কীসের দাগ পাওয়া গেছে?
    উত্তর: কাঠের লাঙলের ফলার দাগ
  • হরপ্পায় সিলমোহরগুলি সাধারণত কী দিয়ে তৈরি হতো?
    উত্তর: নরম পাথর (স্টিয়াটাইট)
  • মেসোপটেমিয়ায় হরপ্পার কয়টি সিলমোহর পাওয়া গেছে?
    উত্তর: তেইশটা
  • হরপ্পার পোড়ামাটির শিল্পে বা সিলমোহরে কোন প্রাণীর মূর্তি দেখা যায় না?
    উত্তর: গোরু
  • হরপ্পা সভ্যতায় ব্রোঞ্জের তৈরি নারী মূর্তি কোথায় পাওয়া গেছে?
    উত্তর: মহেনজোদাড়োতে
  • হরপ্পা সভ্যতার লিপি কি পড়া সম্ভব হয়েছে?
    উত্তর: না, আজও পড়া যায়নি
  • হরপ্পা সভ্যতার অবনতি কবে থেকে শুরু হয়?
    উত্তর: আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৭৫০ অব্দের পর
  • মেহেরগড় সভ্যতার দ্বিতীয় পর্বে কোন নতুন চাষের প্রমাণ মেলে?
    উত্তর: কার্পাস বা তুলো

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ - 1 Mark)

  • সভ্যতার দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য লেখো।
    উত্তর: নগর জীবন এবং লিপির ব্যবহার হলো সভ্যতার দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য।
  • মেহেরগড় সভ্যতা কোন দেশে অবস্থিত?
    উত্তর: মেহেরগড় সভ্যতা বর্তমান পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে অবস্থিত।
  • তামা-পাথরের যুগ কাকে বলে?
    উত্তর: যে সময়ে মানুষ পাথর এবং তামা উভয়েরই ব্যবহার জানত কিন্তু লোহার ব্যবহার জানত না, তাকে তামা-পাথরের যুগ বলে।
  • মেহেরগড় সভ্যতায় প্রথমদিকে পাত্র কীভাবে তৈরি হতো?
    উত্তর: প্রথম দিকে কুমোরের চাকার ব্যবহার ছাড়াই মানুষ হাতে করে মাটির পাত্র তৈরি করত।
  • মেহেরগড় সভ্যতার সমাধিতে মৃতদেহের সাথে কী কী দেওয়া হতো?
    উত্তর: মৃতদেহের সাথে শাঁখ, পাথরের গয়না, কুড়ুল এবং গৃহপালিত পশু দেওয়া হতো।
  • হরপ্পায় প্রথম কে খননকাজ শুরু করেন?
    উত্তর: ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে দয়ারাম সাহানি হরপ্পায় প্রথম খননকাজ শুরু করেন।
  • হরপ্পা সভ্যতা কতদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে ছিল?
    উত্তর: উত্তরে জম্মুর মান্ডা থেকে দক্ষিণে মহারাষ্ট্রের দৈমাবাদ এবং পশ্চিমে বালুচিস্তান থেকে পূর্বে দিল্লির আলমগিরপুর পর্যন্ত।
  • সিটাডেল (Citadel) কী?
    উত্তর: হরপ্পা সভ্যতার নগরগুলিতে একটি উঁচু এলাকা থাকত যেখানে জরুরি ইমারত বা প্রশাসকদের বাড়ি বানানো হতো, একে সিটাডেল বলে।
  • হরপ্পা সভ্যতায় খাদ্যশস্য মজুত রাখা হতো কেন?
    উত্তর: সারা বছরের খাদ্যের জোগান নিশ্চিত করতে এবং বন্যা বা খরা ইত্যাদির মতো আপৎকালীন সময়ের জন্য শস্য মজুত রাখা হতো।
  • হরপ্পার জল নিকাশি ব্যবস্থা কেমন ছিল?
    উত্তর: জল নিকাশি ব্যবস্থা খুবই উন্নত ছিল। প্রতিটি বাড়ির ছোটো নালা রাস্তার ঢাকা দেওয়া পাকা বড়ো নর্দমার সাথে যুক্ত ছিল।
  • হরপ্পার নগরগুলিতে রাস্তাঘাট কেমন ছিল?
    উত্তর: রাস্তাগুলি চওড়া ও পাকা ছিল। উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত রাস্তার কারণে নগরের নকশা চৌকো আকারের হতো।
  • হরপ্পার মানুষ কোন কোন ধাতুর ব্যবহার জানত?
    উত্তর: তামা, কাঁসা, ব্রোঞ্জ, সোনা এবং রুপোর ব্যবহার জানলেও তারা লোহার ব্যবহার জানত না।
  • লাল-কালো মাটির পাত্র কী?
    উত্তর: হরপ্পায় ব্যবহৃত কিছু পোড়ামাটির পাত্রের গায়ে উজ্জ্বল লাল পালিশ ও কালো রঙের নকশা থাকত, একে লাল-কালো মাটির পাত্র বলে।
  • হরপ্পার সিলমোহরে সাধারণত কোন কাল্পনিক প্রাণীর ছবি দেখা যায়?
    উত্তর: একশিংওলা একটি কাল্পনিক পশুর ছবি সিলমোহরে সবথেকে বেশি দেখা যায়।
  • লোথাল কেন বিখ্যাত?
    উত্তর: লোথাল হরপ্পা সভ্যতার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দর-নগর ছিল, যেখান থেকে নৌবাণিজ্য চলত।
  • হরপ্পার মানুষ কোন গাছের পুজো করত বলে মনে করা হয়?
    উত্তর: সিলমোহর ও মাটির পাত্রে অশ্বত্থ গাছ ও পাতার ছবি দেখে মনে করা হয় তারা অশ্বত্থ গাছের পুজো করত।
  • হরপ্পা সভ্যতার লিপিতে কয়টি চিহ্ন রয়েছে?
    উত্তর: হরপ্পার সাংকেতিক লিপিতে প্রায় ৩৭৫ থেকে ৪০০টি চিহ্ন রয়েছে।
  • হরপ্পা সভ্যতায় মৃতদেহ কীভাবে সমাধি দেওয়া হতো?
    উত্তর: মৃতদেহের মাথা উত্তর দিকে করে শুইয়ে দেওয়া হতো এবং সাথে গয়না ও মাটির পাত্র রাখা হতো।
  • হরপ্পা সভ্যতার অবনতির একটি প্রাকৃতিক কারণ লেখো।
    উত্তর: দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টিপাত কমে গিয়ে জলবায়ু শুষ্ক হওয়া এবং সিন্ধুনদীর ভয়াবহ বন্যা।
  • হরপ্পা সভ্যতায় যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম কী ছিল?
    উত্তর: স্থলপথে বলদে টানা গাড়ি এবং জলপথে নৌকাই ছিল যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম।

রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর (Broad Questions - 3/5 Marks)

  • মেহেরগড় সভ্যতার আবিষ্কার এবং এর পর্যায়গুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

    উত্তর: ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে ফরাসি প্রত্নতাত্ত্বিক জাঁ ফ্রাঁসোয়া জারিজ এবং রিচার্ড মেডো বর্তমান পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কার করেন। এটি একটি তামা-পাথরের যুগের কৃষিনির্ভর সভ্যতা। এর তিনটি প্রধান পর্যায় হলো:

    ১) প্রথম পর্ব (খ্রিঃপূঃ ৭০০০ - ৫০০০ অব্দ): এই সময় মানুষ গম ও যব ফলাতে শেখে। ছাগল, ভেড়া, ষাঁড় পালন শুরু হয়। মানুষ রোদে পোড়ানো ইটের বাড়িতে বাস করত।
    ২) দ্বিতীয় পর্ব (খ্রিঃপূঃ ৫০০০ - ৪০০০ অব্দ): পৃথিবীতে সবথেকে পুরোনো কার্পাস (তুলো) চাষের প্রমাণ এই পর্বে পাওয়া যায়। শেষের দিকে কুমোরের চাকার ব্যবহার শুরু হয়।
    ৩) তৃতীয় পর্ব (খ্রিঃপূঃ ৪৩০০ - ৩৮০০ অব্দ): কৃষিকাজ ও পশুপালন আরও উন্নত হয়। পাত্রে বহুরঙা নকশা তৈরি এবং তামার ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়।

  • হরপ্পা সভ্যতার নগর পরিকল্পনার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী ছিল?

    উত্তর: হরপ্পা সভ্যতা ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম উন্নত নগর সভ্যতা। এর নগর পরিকল্পনার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো:

    ১) সিটাডেল ও নীচু শহর: নগরগুলি দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল। একটি উঁচু এলাকা (সিটাডেল), যেখানে জরুরি ইমারত ও প্রশাসকেরা থাকতেন; এবং একটি নীচু এলাকা, যেখানে সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি ছিল।
    ২) রাস্তাঘাট: নগরের রাস্তাগুলি ছিল চওড়া, পাকা এবং সেগুলি উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত ছিল, ফলে নগরগুলি চৌকো নকশায় বিভক্ত ছিল।
    ৩) জলনিকাশি ব্যবস্থা: স্বাস্থ্য সচেতনতার পরিচয় হিসেবে প্রতিটি বাড়ির নর্দমা রাস্তার ঢাকা দেওয়া পাকা বড়ো নর্দমার সাথে যুক্ত ছিল।
    ৪) স্নানাগার ও শস্যাগার: মহেনজোদাড়োতে একটি বিশাল স্নানাগার এবং হরপ্পায় খাদ্যশস্য মজুত রাখার জন্য বিশাল শস্যাগার পাওয়া গেছে।

  • হরপ্পা সভ্যতার কৃষিকাজ ও পশুপালন সম্পর্কে যা জানো লেখো।

    উত্তর: হরপ্পার অর্থনীতি মূলত কৃষিকাজ ও পশুপালনের উপর নির্ভরশীল ছিল।

    কৃষিকাজ: নগরে খাদ্য উৎপাদন হতো না, তাই তাদের গ্রামের কৃষকদের ওপর নির্ভর করতে হতো। গম, যব, জোয়ার, বাজরা, ডাল, সরষে এবং তুলো চাষ হতো। তবে ধানের চাষ সব জায়গায় হতো না, শুধুমাত্র গুজরাটের লোথাল ও রংপুরে ধানের চিহ্ন মিলেছে। কাঠের লাঙলের ফলার ব্যবহারও তারা জানত।

    পশুপালন: কৃষির সাথে গবাদি পশুপালন ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিল। ষাঁড়, ভেড়া, ছাগল ও উটের ব্যবহার তারা জানত। বলদ দিয়ে গাড়ি টানা হতো। তবে হরপ্পার মানুষ ঘোড়ার ব্যবহার জানত না।

  • হরপ্পা সভ্যতার ব্যবসা-বাণিজ্য কেমন ছিল?

    উত্তর: হরপ্পা সভ্যতার অর্থনীতি ও কারিগরির উন্নতির একটি বড়ো কারণ ছিল তাদের উন্নত ব্যবসা-বাণিজ্য।

    ১) বৈদেশিক বাণিজ্য: মেসোপটেমিয়া বা সুমেরের সাথে হরপ্পার জলপথে ব্যাপক বাণিজ্য চলত। মেসোপটেমিয়ায় হরপ্পার ২৩টি সিলমোহর পাওয়া গেছে।
    ২) বন্দর নগর: গুজরাটের 'লোথাল' ছিল এই সভ্যতার একটি প্রধান সমুদ্র বন্দর। এখান থেকে জাহাজ ও নৌকার মাধ্যমে বাণিজ্য চলত।
    ৩) আমদানি-রফতানি: বিদেশ থেকে সোনা, রুপো, দামি পাথর আমদানি করা হতো এবং হরপ্পা থেকে বার্লি, পশমজাত দ্রব্য, তেল ইত্যাদি রফতানি করা হতো।
    ৪) সিলমোহর ও বাটখারা: বাণিজ্যের সুবিধার্থে প্রমাণ মাপের বাটখারা এবং নির্দিষ্ট সিলমোহর ব্যবহৃত হতো।

  • হরপ্পা সভ্যতার অবনতি বা পতনের প্রধান কারণগুলি কী কী ছিল?

    উত্তর: খ্রিস্টপূর্ব ১৭৫০ অব্দের পর থেকে হরপ্পা সভ্যতার ধীরে ধীরে পতন ঘটতে শুরু করে। এর পিছনে একাধিক কারণ ছিল:

    ১) জলবায়ুর পরিবর্তন: এশিয়া মহাদেশে দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টিপাত কমে যায়, যার ফলে জলবায়ু অত্যন্ত শুষ্ক হয়ে ওঠে এবং কৃষিকাজ ব্যাহত হয়।
    ২) ভয়াবহ বন্যা: মহেনজোদাড়োর পাঁচিলের গায়ে কাদার আস্তরণ থেকে বোঝা যায় সিন্ধুনদীতে বারবার ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল, যা নগরগুলিকে ধ্বংস করেছিল।
    ৩) বৃক্ষচ্ছেদন: ইট পোড়ানোর জন্য জ্বালানি কাঠের প্রয়োজনে ব্যাপকভাবে গাছ কাটা হয়েছিল, যা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়।
    ৪) বাণিজ্যে ভাটা ও দুর্বল শাসন: মেসোপটেমিয়ার সাথে বাণিজ্যে ভাটা পড়া এবং প্রশাসনিক কাঠামোর দুর্বলতা এই সভ্যতার পতনের পথ ত্বরান্বিত করে।

Sponsored Links

Frequently Asked Questions

১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে ফরাসি প্রত্নতাত্ত্বিক জাঁ ফ্রাঁসোয়া জারিজ এবং রিচার্ড মেডো মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কার করেন।

হরপ্পা সভ্যতার নগরগুলিতে একটি উঁচু এলাকা থাকত যেখানে জরুরি ইমারত বা প্রশাসকদের বাড়ি বানানো হতো, একে সিটাডেল (Citadel) বলে।

হরপ্পা সভ্যতার মানুষ গবাদি পশু, উট, ষাঁড় ইত্যাদির ব্যবহার জানলেও ঘোড়ার ব্যবহার জানত না।

গুজরাটে অবস্থিত লোথাল হরপ্পা সভ্যতার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দর-নগর ছিল, যেখান থেকে বৈদেশিক নৌবাণিজ্য চলত।

না, হরপ্পা সভ্যতার সাংকেতিক লিপি (যাতে ৩৭৫ থেকে ৪০০টি চিহ্ন রয়েছে) আজ পর্যন্ত পড়া সম্ভব হয়নি।