একটি চড়ুই পাখি

তারাপদ রায় রচিত 'একটি চড়ুই পাখি' কবিতার সম্পূর্ণ সারাংশ, হাতে-কলমে প্রশ্নোত্তর ও ব্যাকরণ | অষ্টম শ্রেণি (WBBSE)

Shilpi Mondal
Shilpi Mondal
Uploaded: 27 May 2026 Last Update: 31 May 2026

🐦 একটি চড়ুই পাখি

তারাপদ রায় আধুনিক কবিতা

পাঠ্যবই: সাহিত্য মেলা (অষ্টম শ্রেণি, WBBSE) • তৃতীয় পাঠ

নির্জন ঘর অন্ধকার ও সন্ধ্যা একাকীত্ব ও সাহচর্য কৌতূহলী দৃষ্টি

তারাপদ রায় (১৯৩৬-২০০৭)

বিশিষ্ট কবি ও রসরচনাকার। কথ্যভঙ্গি ও পরিহাস মিশ্রিত কাব্যভাষায় তিনি স্বাতন্ত্র্য অর্জন করেছেন। তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য 'তোমার প্রতিমা', 'নীলদিগন্তে এখন ম্যাজিক', 'কোথায় যাচ্ছেন তারাপদবাবু', 'দারিদ্র্যরেখা', 'জলের মতো কবিতা'। বাংলা শিশুসাহিত্যের পরিচিত চরিত্র 'ডোডো ও তাতাই' তাঁরই অসামান্য সৃষ্টি।

১. কবি পরিচিতি থেকে প্রশ্নোত্তর

১.১ তারাপদ রায় কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

কবি তারাপদ রায় ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।

১.২ তাঁর রচিত দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।

তাঁর রচিত দুটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো— 'তোমার প্রতিমা' এবং 'জলের মতো কবিতা'।

২. একটি বাক্যে উত্তর লেখো

৪ টি
২.১ কবিতায় চড়ুই পাখিটিকে কোথায় বাসা বাঁধতে দেখা যায়?

কবিতায় চড়ুই পাখিটিকে কবির নিজের ঘরেই বাসা বাঁধতে দেখা যায়।

২.২ চড়ুই পাখি এখান-সেখান থেকে কী সংগ্রহ করে আনে?

চড়ুই পাখি এখান-সেখান থেকে বাসা বাঁধার জন্য এ-বাড়ির খড়কুটো এবং ও-বাড়ির ধান সংগ্রহ করে আনে।

২.৩ কবির ঘরে কোন কোন জিনিস চড়ুই পাখিটির চোখে পড়ে?

কবির ঘরের জানলা, দোর (দরজা), টেবিলে রাখা ফুলদানি এবং বই-খাতা চড়ুই পাখিটির চোখে পড়ে।

২.৪ ইচ্ছে হলেই চড়ুই-পাখি কোথায় চলে যেতে পারে?

ইচ্ছে হলেই চড়ুই-পাখি এ-পাড়ায় বা ও-পাড়ায় থাকা পালেদের বা বোসেদের বাড়িতে চলে যেতে পারে।

৩. কয়েকটি বাক্যে উত্তর লেখো

১০ টি
৩.১ 'চতুর চড়ুই এক ঘুরে ফিরে আমার ঘরেই বাসা বাঁধে।'— চড়ুই পাখিকে এখানে 'চতুর' বলা হলো কেন?

চড়ুই পাখিকে এখানে 'চতুর' বা চালাক বলা হয়েছে কারণ, সে বুঝতে পেরেছে যে কবির ঘরটি অত্যন্ত নির্জন এবং নিরাপদ। এই ঘরে অন্য কোনো কোলাহল বা উপদ্রব নেই। তাই অত্যন্ত নিশ্চিন্তে সে এখানে নিজের জন্য খড়কুটো দিয়ে আরামদায়ক একটি বাসা তৈরি করে নিয়েছে এবং সুযোগ বুঝে নিজের অধিকার বিস্তার করতে চাইছে।

৩.২ কবিতায় বিধৃত চিত্রকল্পগুলি দৃষ্টান্তসহ আলোচনা করো।

তারাপদ রায় তাঁর এই কবিতায় খুব সাধারণ অথচ জীবন্ত কয়েকটি চিত্রকল্প (Imagery) ব্যবহার করেছেন:

  • কাজের চিত্র: "এ বাড়ির খড় কুটো, ও বাড়ির ধান ছড়ায়"— এর মাধ্যমে পাখিটির ব্যস্ত জীবনের ছবি ফুটে ওঠে।
  • দৃষ্টিনন্দন চিত্র: "টেবিলে ফুলদানি, বই-খাতা"— এটি একটি নির্জন ও গোছানো ঘরের প্রশান্তির ছবি তৈরি করে।
  • সন্ধ্যা ও নির্জনতার চিত্র: "অন্ধকার ঠোঁটে নিয়ে সন্ধ্যা ফেরে" এবং "রাত্রির নির্জন ঘরে"— এই চিত্রকল্পগুলির মাধ্যমে একটি বিষণ্ণ ও নিঃসঙ্গ পরিবেশের রূপ ফুটে উঠেছে।
৩.৩ 'হয়তো ভাবে...' -চড়ুই পাখি কী ভাবে বলে কবি মনে করেন?

কবি মনে করেন যে, চড়ুই পাখিটি কৌতূহলী চোখে কবির ঘরের জানলা, দরজা, ফুলদানি, বই-খাতা সব কিছু দেখে আর ভাবে— এই একা মানুষটি যদি কোনোদিন এই ঘর ছেড়ে চলে যায়, তবে ঈশ্বরের কৃপায় এই গোটা ঘরের মালিকানা শুধু তারই হবে। তখন এই ঘরে আর কেউ তার অধিকারে ভাগ বসাতে আসবে না।

৩.৪ 'আবার কার্নিশে বসে চাহনিতে তাচ্ছিল্য মজার, ...'- তাচ্ছিল্যভরা মজার চাহনিতে তাকিয়ে চড়ুই কী ভাবে?

কার্নিশে বসে চড়ুই পাখিটি কবির দিকে তাচ্ছিল্য বা অবজ্ঞার দৃষ্টিতে তাকায়। কবির মনে হয় পাখিটি যেন মজায় ভাবছে— সে নিতান্ত মায়ার টানে এই বাজে বা সাধারণ ঘরে পড়ে আছে। তার তো যাওয়ার জায়গার কোনো অভাব নেই! ইচ্ছে করলেই সে আজই উড়ে গিয়ে এ-পাড়ার বা ও-পাড়ার কোনো ধনী পরিবারের (পালেদের বা বোসেদের) আরামদায়ক বাড়িতে আশ্রয় নিতে পারে।

৩.৫ চড়ুই পাখিকে কেন্দ্র করে কবির ভাবনা কীভাবে আবর্তিত হয়েছে, তা কবিতা অনুসরণে আলোচনা করো।

কবিতাটিতে চড়ুই পাখিটি কেবল একটি পাখি নয়, বরং কবির নির্জন জীবনের এক পরম সঙ্গী। পাখিটির খড়কুটো আনা, কিচিমিচি গান গাওয়া কবির নিঃসঙ্গ ঘরে প্রাণের স্পন্দন জাগায়। কবি কখনো ভাবেন পাখিটি তাঁর সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতে চায়, আবার কখনো ভাবেন পাখিটি তাঁকে তাচ্ছিল্য করে অন্য কোথাও চলে যেতে পারে। কিন্তু সবশেষে কবি উপলব্ধি করেন, পাখিটি দয়া করেই থেকে যায়, যার ফলে রাতের অন্ধকারে দুটি নিঃসঙ্গ প্রাণ একে অপরের সাহচর্য লাভ করে।

৩.৬ 'তবুও যায় না চলে এতটুকু দয়া করে পাখি'— পঙ্ক্তিটিতে কবিমানসিকতার কীরূপ প্রতিফলন লক্ষ করা যায়?

এই পঙ্ক্তিটিতে কবির একাকীত্ব ও নিঃসঙ্গতার গভীর প্রতিফলন ঘটেছে। কবির মনে হয়েছে যে, পাখিটির অন্য কোথাও যাওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সে যায়নি। কবি যেন নিজের নিঃসঙ্গতাকে ঘোচানোর জন্য ওই ক্ষুদ্র পাখিটির সাহচর্যের ওপর নির্ভরশীল। পাখিটি থেকে গেছে বলে কবি মনে করছেন যে পাখিটি তাঁর প্রতি 'দয়া' করেছে। এটি কবির অসহায় ও স্নেহকাতর মানসিকতার প্রকাশ।

৩.৭ ছোট্ট চড়ুই পাখির জীবনবৃত্ত কীভাবে কবিতার ক্ষুদ্র পরিসরে আঁকা হয়েছে তার পরিচয় দাও।

কবিতার ক্ষুদ্র পরিসরে চড়ুই পাখির দৈনন্দিন জীবনের একটি সুন্দর রূপরেখা ফুটে উঠেছে। সারাদিন সে বাসা বাঁধার জন্য এ-বাড়ি ও-বাড়ি ঘুরে খড়কুটো ও ধান সংগ্রহ করে। সন্ধ্যা নামলে সে নিজের নির্দিষ্ট আশ্রয়ে (কবির ঘরে) ফিরে আসে। সেখানে কিচিমিচি শব্দ করে ঘর মুখর করে তোলে। কৌতূহলী চোখে ঘরের জিনিসপত্র দেখে এবং কার্নিশে বসে বিশ্রাম নেয়। এটাই তার সাদামাটা জীবনবৃত্ত।

৩.৮ 'কৌতূহলী দুই চোখ মেলে অবাক দৃষ্টিতে দেখে'- চড়ুইপাখির চোখ 'কৌতূহলী' কেন? তার চোখে কবির সংসারের কোন চালচিত্র ধরা পড়ে?

মানুষের ব্যবহার্য নানা অদ্ভুত জিনিসপত্র দেখে ছোটো পাখিটির মনে বিস্ময় জাগে, তাই তার চোখ 'কৌতূহলী'।

তার চোখে কবির সংসারের একটি অত্যন্ত সাধারণ ও ছিমছাম চালচিত্র ধরা পড়ে। সে দেখে একটি নির্জন ঘর, যার মধ্যে রয়েছে জানলা, দরজা, পড়ার টেবিলে রাখা একটি ফুলদানি এবং কিছু বই-খাতা। এই সামান্য আসবাবপত্র ঘিরেই আবর্তিত হয় কবির একাকী সংসার।

৩.৯ 'রাত্রির নির্জন ঘরে আমি আর চড়ুই একাকী।'— পঙ্ক্তিটিতে 'একাকী' শব্দটি প্রয়োগের সার্থকতা বুঝিয়ে দাও।

কবিতার শেষ ছত্রে ব্যবহৃত 'একাকী' শব্দটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সারা পৃথিবী যখন ঘুমিয়ে পড়ে, তখন কবির ঘরটি নির্জন হয়ে ওঠে। সেই নিঃসঙ্গ পরিবেশে কেবল দুটি প্রাণ জেগে থাকে— কবি নিজে এবং চড়ুই পাখিটি। 'একাকী' শব্দটি এখানে কেবল একজনের কথা বলছে না, বরং দুজনের যৌথ নিঃসঙ্গতাকে বোঝাচ্ছে। অর্থাৎ, তারা দুজন মিলেই একাকীত্বের সঙ্গী, একে অপরের পরিপূরক।

৩.১০ 'একটি চড়ুই পাখি' ছাড়া কবিতাটির অন্য কোনো নামকরণ করো। কেন তুমি এমন নাম দিতে চাও, তা বুঝিয়ে লেখো।

কবিতাটির একটি উপযুক্ত বিকল্প নাম হতে পারে— 'নিঃসঙ্গতার সঙ্গী'।

যুক্তি: সমগ্র কবিতাটিতে কবির একাকী জীবনের কথা বলা হয়েছে। কবির এই নিঃসঙ্গ ও নির্জন ঘরে একমাত্র প্রাণের স্পন্দন হলো চড়ুই পাখিটি। পাখিটির উপস্থিতি, তার কিচিমিচি শব্দ এবং তার সঙ্গে কবির কাল্পনিক কথোপকথন— সবকিছু মিলিয়ে পাখিটি কবির নিঃসঙ্গ জীবনের পরম সঙ্গী হয়ে উঠেছে। তাই এই নামকরণটি কবিতার অন্তর্নিহিত ভাবের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।

৪. প্রকৃতি-প্রত্যয় নির্ণয় করো

সন্ধ্যাসম্ (উপসর্গ) + ধ্যৈ (ধাতু) + অ (অঙ্) + আ (টাপ্)
কৌতূহলীকৌতূহল (শব্দ) + ঈ (ইন্ প্রত্যয়)
দৃষ্টিদৃশ (ধাতু) + তি (ক্তি প্রত্যয়)

৫. ক্রিয়ার কাল নির্ণয় করো

৫.১ চতুর চড়ুই এক ঘুরে ফিরে আমার ঘরেই বাসা বাঁধে।সাধারণ বর্তমান কাল (বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান)
৫.২ বই-খাতা এসব আমার-ই হবে।সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল
৫.৩ আবার কার্নিশে বসে।সাধারণ বর্তমান কাল
৫.৪ এই বাজে ঘরে আছি।সাধারণ বর্তমান কাল (ঘটমান বর্তমান অর্থেও ব্যবহৃত হতে পারে)
৫.৫ ইচ্ছে হলে আজই যেতে পারি।সাধারণ বর্তমান কাল

৬. নির্দেশ অনুসারে বাক্য পরিবর্তন

প্রদত্ত বাক্যপরিবর্তিত বাক্য
৬.১ অন্ধকার ঠোঁটে নিয়ে সন্ধ্যা ফেরে যেই সে'ও ফেরে। (সরল বাক্যে)অন্ধকার ঠোঁটে নিয়ে সন্ধ্যা ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই সে-ও ফেরে।
৬.২ কখনো সে কাছাকাছি কৌতূহলী দুই চোখ মেলে অবাক দৃষ্টিতে দেখে। (বিশেষ্য রূপে)কখনো সে কাছাকাছি দুই চোখে কৌতূহল মেলে অবাক দৃষ্টিতে দেখে।
৬.৩ আমাকেই দেবেন বিধাতা। (না-সূচক বাক্যে)বিধাতা আমাকে ছাড়া আর কাউকেই দেবেন না।
৬.৪ এই বাজে ঘরে আছি নিতান্ত মায়ার শরীর আমার তাই। (জটিল বাক্যে)যেহেতু আমার নিতান্ত মায়ার শরীর, তাই এই বাজে ঘরে আছি।
৬.৫ ইচ্ছে হলে আজই যেতে পারি এ পাড়ায় ও পাড়ায় পালেদের বোসেদের বাড়ি। (জটিল বাক্যে)যদি ইচ্ছে হয়, তবে আজই যেতে পারি এ পাড়ায় ও পাড়ায় পালেদের বোসেদের বাড়ি।

৭. ধ্বনিতাত্ত্বিক বিচার করো

শব্দধ্বনিতাত্ত্বিক পরিবর্তনবিবরণ
চড়ুইচটক > চড়ই > চড়ুইস্বরসংগতি (বা অপিনিহিতি ও অভিশ্রুতির প্রভাব)
ধানধান্য > ধানঅপিনিহিতি জাত অভিশ্রুতি (বা সমীভবন ও ব্যঞ্জনলোপ)
চোখচক্ষু > চোক্খু > চোখসমীভবন ও ব্যঞ্জনলোপ
জানলাজানালা > জানলামধ্যস্বরলোপ (মাঝখানের 'আ' কার লুপ্ত)
দোরদুয়ার > দোরঅভিশ্রুতি
ইচ্ছেইচ্ছা > ইচ্ছেস্বরসংগতি ('ই'-এর প্রভাবে 'আ' হয়ে গেল 'এ')
পাখিপক্ষী > পক্খী > পাখিসমীভবন, ব্যঞ্জনলোপ ও ক্ষতিপূরক দীর্ঘীভবন

৮. 'চোখ' শব্দটিকে পৃথক অর্থে ব্যবহার করে বাক্য রচনা

অর্থবাক্য রচনা
দৃষ্টি (নজর)ছেলেটার পড়াশোনার দিকে একটু চোখ রেখো।
লোভ / নজর লাগাখাবার সময় অন্যের পাতের দিকে চোখ দেওয়া ঠিক নয়।
লজ্জাবড়োদের সামনে কথা বলতে তোমার একটুও চোখ ফুটল না?
অঙ্গবিশেষ (নেত্র)বয়স হওয়ায় দাদু আজকাল চোখে ভালো দেখতে পান না।
সতর্কতারাস্তায় চলার সময় সবসময় কান-চোখ খোলা রাখতে হয়।

নিঃসঙ্গতার পরম সঙ্গী

'একটি চড়ুই পাখি' কবিতাটি আমাদের শেখায় যে, প্রকৃতির সামান্য একটি ক্ষুদ্র প্রাণীও মানুষের একাকীত্ব দূর করে পরম বন্ধু হয়ে উঠতে পারে। বিশাল পৃথিবীতে নির্জন রাতের অন্ধকারে এই তুচ্ছ পাখিটিই হয়ে ওঠে কবির অস্তিত্বের একমাত্র শ্রোতা ও সঙ্গী।

Sponsored Links

Frequently Asked Questions

'একটি চড়ুই পাখি' কবিতাটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত আধুনিক কবি তারাপদ রায়।

চড়ুই পাখিটি কবির ঘরে জানলা, দরজা, টেবিলের ওপর রাখা ফুলদানি এবং বই-খাতা দেখতে পায়।

কবির মনে চড়ুই পাখিটির প্রতি এক গভীর একাকীত্ব ও সাহচর্যের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। পাখিটি কবির নিঃসঙ্গ জীবনের একমাত্র সঙ্গী, তাই পাখিটি তাঁকে ছেড়ে চলে না যাওয়ায় কবি তার প্রতি কৃতজ্ঞ ও স্নেহশীল।